বাংলাদেশে ২৯টা সরকারী মেডিকেল কলেজ রয়েছে (ডেন্টাল সহ)। প্রতিবছর ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় ৩৬০০ ছেলেমেয়ে সরকারী মেডিকেলে পড়ালেখার সুযোগ পায়। এসকল ছেলেমেয়ের যাবতীয় পড়ালেখার ব্যয়ভার বহন করে সরকার তথা এদেশের অাপামর সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায়। এই ট্যাক্সের টাকায় পড়ালেখা করে, এই সকল ছেলেমেয়ে যখন চেম্বার নিয়ে রোগী দেখে তখন তারা ভুলে যায় যে তাদের লেখাপড়ার খরচ তাদের বাবা মা নহে এদেশের সাধারণ জনগন বহন করেছিল। গড়ে প্রত্যেক ডাক্তারের ভিজিট ৫০০ টাকার কম হবে না। এই ক্ষেত্রে কি ভিজিট কিছুটা কম করা কি তাদের উচিত নহে।??। (যারা বেসরকারি মেডিকেল থেকে পড়ালেখা করেছে তাদের কথা ভিন্ন। কারণ তারা লাখ লাখ টাকা খরচ করে ডাক্তার হয়েছে। ) কিন্তু সরকারী মেডিকেলের ছাত্ররা কেন উচ্চ ভিজিট চাহিবে। তাদের কি একটুও বিবেকের লজ্জা থাকা উচিত নহে??
এখন আসি সরকারী হসফিটাল গুলোতে কর্মরত ডাক্তারদের ব্যপারে। এরা যদি সঠিকভাবে সরকারী হসফিটাল গুলো তে দায়িত্ব পালন করতো তবে এদেশের মধ্যমবিত্ত আর নিম্নবিত্ত মানুষ গুলোর কোটি কোটি টাকা বেসরকারি হসফিটাল গুলো হাতিয়ে নিতে পারতো না।
একই ডাক্তার, একই যন্ত্রপাতি, শুধু হসফিটাল ভিন্ন বলে ৫০০০ টাকার অপারশন বেসরকারি হসপিটালে করতে হয় ৩০০০০ - ৪০০০০ হাজার টাকায়।
এই বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বেসরকারি হসপিটালের কর্তৃপক্ষ। শুধু মাত্র ডাক্তারদের দায়িত্বহীনতার জন্য।
এইবিপুল পরিমান টাকা যদি মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবারের সেভিং হত তবে বাংলাদেশের দারিদ্রতার হার আরো অনেক কমে যেত।
অনেক সময় দেখা যায়, কয়েকজন ডাক্তার মিলে হসপিটাল একটা হসপিটাল প্রতিষ্ঠান করে বসে। এতে দেখা যায় গুনগত নার্সারিং, যন্ত্রপাতি, শয্যা, ও ডাক্তারদের অভাবে, একজন রোগী সঠিক চিকিৎসা পায় না। আবার অনেক সময়ে রোগের তুলনায় অতিরিক্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা দিয়ে থাকে। শুধুমাত্র হসপিটাল কর্তৃপক্ষ কে খুশি করার জন্য। যা একেবারেই অন্যায়। এসকল ডাক্তারকে কি সেবক বলা যায়???
এছাড়াও শুধুমাত্র ফার্মাসি কোম্পানি কে খুশি করতে যেরোগের জন্য ২টা ঔষুধ যথেষ্ট সেখানে ডজন খানেক ঔষুধ, যা অনেক সময় রোগীর জন্য ক্ষতিকর।
যেমানুষ গুলোর ট্যাক্সের টাকায় ডাক্তার হলেন, ডাক্তার হয়ে আবার তাদের রক্তপানি করা টাকা চুসে অাট্টালিকা তৈরি করতেছে।
এটাই কি তবে ডাক্তারদের নীতি হয়ে থাকবে।?????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



