somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কবিতাঃ " অামি কিংবা আমরাই যখন সাক্ষী। "

১১ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি বিখ্যাত হতে আসি নি
কিংবা জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠে নাচতেও না
আমি শুধু বলবো আমার কিংবা আপনার গল্পটি
যখন ছিলনা ফেবু কিংবা টুইটারের যন্ত্রনা।

অামি ঐ সময়ের গল্প বলতে চাই
আমি লিখবো সময়, কিংবা ঘটনার কিচ্ছা
অথবা লিখবো আদি কিংবা মধ্যযুগীয় ছাঁইপাই
হ্যা, এই আমি কিংবা আমরাই হবো একদা

সাক্ষ্য দিতে চাই আমি
আমার দাদা কিংবা পরদাদাদের হয়ে
একসময়ে মাঠভরা শস্যের বদলে ছিল জলরাশি
নদীতে গোসল করতো না অনেকেই কুমিরের ভয়ে
আমার নিজ কানে শোনা ঘটনা কিংবা কিচ্ছা
গভীর রাতে ভেসে আসতো নদী কিংবা গাঙের স্রোতের শব্দ।
শিয়াল কিংবা হুতুমপেঁচার কন্ঠও যেত শোনা
এসব শোনা এখন কবেই হয়েছে বন্ধ।

তুমি বিশ্বাস করো আর নাহি করো
আমি দোয়েত কলমের স্বাক্ষী দিবো
ছবির নেগেটিভ এর কথা বলবো
ক্যাসেট কিংবা লাঙলের স্বাক্ষী দিবো।

অামি কথা বলবো তোমায় ঐ সময়ের
যখন ঘড়ি কিংবা ছিলনা সময় মাপক যন্ত্র
মোরগের কুক্কুরই ছিল ভোর?
কিংবাঐ সময়ের, ছিলনা যখন এক্স-রে যন্ত্র

আমি কিংবা আমরা ঘুমের আগে শুনেছি
কিচ্ছা কিংবা শ্লোক অথবা পিঠে পিঁপড়ে খেলে
আমি হলফ করে বলে পারি
পা ধুয়ে ঘরে এসেছি আমি বেলা শেষে

আমি স্বাক্ষী দিচ্ছি ঐ সময়ের
যখন কেউ চাঁদে যায়নি তখনকার কালে
জ্যোৎস্না সুভিত রাতে যখন মেলা বসতো তারার
আমি কিংবা আমরা খুঁজেছি কিভাবে চাঁদবুড়ি সুতো কাটে।

আমি স্বাক্ষী দিচ্ছি দাদীর হয়ে
ইলেক্ট্রিসিটি কিংবা হাত-পাখারও আগের কথা
ঘামে ভিজে যখন একাকার গ্রীষ্মের উতপ্ত রোদে
তখন দখিনা বাতাসে দেহ জুড়াতো তারা।

তুমি কিংবা তোমরা যে ঘুমন্ত রাজকুমারী গল্প শুনো
সেটা শুধু রুপকথার গল্প না সত্য ছিল একদা
বিশ্বাস হলো না? ঐ সময়টা তবে ফিরিয়ে দাও
তোমায় দিবো আমি রুপকথার বাস্তবতা।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাষণময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১


বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=শরত তুই যাস নে ! =

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৩



ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।

বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×