ম্যাচ জিততে লাগবে একশো প্লাস অথচ হাতে তিন উইকেট, ওভার বাকি ছয, হিথ স্ট্রিকের বলে একটা সিঙ্গেল নিয়ে ওপাশে গিয়ে ফিফটি করার আনন্দে লাফিয়ে উঠেছে হাবিবুল বাশার। উইকেটের পেছন থেকে পিঠ চাপড়ে বাহ বাহ জানাচ্ছে গ্রান্ড-ফ্লাওয়ার। এটা হচ্ছে একটা ম্যাচের দৃশ্য। এরকম চিত্র হর-হামেশাই দেখা যেতো বাংলাদেশের ক্রিকেটে। যেখানে ম্যাচ জেতার চাইতে অভিজ্ঞতা অর্জনই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল,সেখানে এর চাইতে বেশি চাওয়া মানে শীতের রাতে কম্বল ছাড়া ঘুমানোর সাহস করার মতো। ম্যাচ হেরে অধিনায়ক হিসেবে বুলবুল,বাশার,পাইলট এরা মাইক্রোফোনের সামনে গিয়ে হারের চাইতে অভিজ্ঞতাকে প্রাপ্তি দেখিয়ে কোন রকমে বেঁচে আসতো। আর জয়ী নেতা এন্ডি ফ্লাওয়ারের কণ্ঠে নিজ দলের চাইতে বাশারের ফিফটি নয়তো রফিকের ২-৩টা উইকেটের প্রশংসাই বেশি চলতো। বন্ধুর মতো ম্যাচের ইতিবাচক দিক গুলো খুঁজে দিয়ে আরো খেলে যাবার পরামর্শ দিতো।এই চিত্রগুলো কিন্তু খুব বেশি দিন আগের নয়। সময় পাল্টেছে। শেয়ার বাজারের মতো র্যাংকিংয়ের সূচক ও পাল্টে গেছে। কিন্তু বন্ধুত্বের সম্পর্কটা ঠিকই থেকে গেছে। যখন আইসিসির দেয়া বাধ্য সূচির বাইরে বন্ধু রাষ্ট্র,শত্রু রাষ্ট্র কিংবা সাদা চামড়া ওয়ালারা খেলার বিন্দুমাত্র আগ্রহ দেখাতো না। তখন পিচ্চি বাঘের পিঠ চাপড়ে সাহস যোগাতো আফ্রিকান এই চিতাবাঘ। তাই দুই বাঘের খেলাটা কিন্তু হার জিতের নয়। বরং একে অন্যের পিঠ চাপড়ে সামনে এগিয়ে যাবার। যখন ল্যাংড়া ক্যাঙ্গারুরা হারের ভয়ে এদেশে খেলতে চায়না। যখন চোকাররা তাদের নারী টিম পাঠিয়ে মাঝ পথ থেকে ফিরিয়ে নিয়েছে; ঠিকই তখন বাঘের ডাকে চিতা ছুটে চলে এসেছে। দিস ইস দ্যা লেভেল অব ফ্রেন্ডশিপ। যারা কেউ কাউকে হারাতে খেলেনা। বরং জেতাতে মাঠে নামে. বাঘের দুর্দিনে যে রাখাল পথ দেখিয়েছে সেই হোয়াটমোর আজ আফ্রিকান চিতার পিঠে,খুব বেশি দেরি নেই যেদিন চিতাও তার হারানো গর্জন কণ্ঠে ফিরে পাবে..(ফেবু থেকে)
বাঘে-বাঘে লড়াইঃ জিম্বাবুয়ে যখন বন্ধু ছিল এবং এখনও আছে!
পঁই পঁই করে হিসাব রাখতে হবে, নতুবা বিপদে!
আমরা ক'জনা বেশ কিছুদিন আগে ব্যবসা শুরু করেছি। প্রথমেই একজনকে হিসাবের সব দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি নিয়েছিলাম মার্কেটিং ও টেকনিক্যাল সাইড গুলির দ্বায়িত্ব। সৌদীতে অনেক POS রেডিমেড পাওয়া গেলেও আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশে কোন 'জঙ্গী' নেই
'জং' শব্দটার অর্থ 'যুদ্ধ'। এভাবে, জঙ্গী কথাটার অর্থ দাঁড়ায় - যোদ্ধা বা যুদ্ধ করেন। যে কোন যুদ্ধই প্রাণহানি ডেকে আনে। আগের কালে, রাজারা যুদ্ধ করে দেশ জয় করতেন। তাঁদের অণ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম
২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভাষণময়

বিশ্বাসগুলো হাবুডুবু খাচ্ছে
ভাগ্যের কম দোষটার হাত
ঝাঁকনি কম নেই তো- তাহলে
বিশ্বাসগুলো মরে যাচ্ছে এই;
মাটির আনন্দটা শুধু ফুল গন্ধ
নাকের সুসংবাদ যে দৌড়াচ্ছে
রাতের ঘুমটা যেনো স্বপ্নবিরল কষ্ট
ভোরের শিশির গড়ে না আর শক্ত;
তবু নিশ্বাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন
।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।