অনেক আশা আর স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল দল এইবার সাফ আসরের আয়োজক দেশ নেপালে যায়। ২০০৩ এর পর বাংলাদেশ আর সাফ জিতেনি। তাই এইবার ব্যাপক অর্থ খরচ করে বিদেশ থেকে দামী কোচিং স্টাফ নিয়ে আসে বাফুফে। তারপর বেশ দীর্ঘ অনুশীলনও চলে। এইবার এই দলের অধিনায়ক হচ্ছেন মামুনুল ইসলাম। তিনি অসুস্থ থাকায় প্রথম ম্যাচ খেলতে পারেননি, সেই ম্যাচে বাংলাদেশ নেপালের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়। তাতে মামুনুল জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে দুঃখপ্রকাশ করেন, কারন তাদের কাছে যে প্রত্যাশা ছিল তা মেটাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হওয়াতে। কিন্তু গতকালও বাংলাদেশ জিততে পারছিল না দেখে চোট নিয়ে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মামুনুল। তার সমস্যা হচ্ছে পায়ে আর সেটা বেশ বর রকমের সমস্যা। এই অবস্থায় তিনি তিন তিনটি ইঞ্জেকশান পায়ে নিয়ে খেলতে নেমে যান। শুধুমাত্র দেশের প্রয়োজনে তিনি এতবড় ঝুকি নিয়েছেন। যে ঝুকি তার পেশাদারি ফুটবলজীবন শেষ করে দিতে পারতো। তাইতো খেলা শেষে কোচ ক্রুইফ বলতে বাধ্য হলেন “ও ফিট না হলেও ইনজেকশন নিয়ে মাঠে নেমেছে, ওর মনটা আসলেই অনেক বড়”। মাঠে নেমেই তিনি খেলার মোড় ঘুড়িয়ে দেন। তার সহায়তায় মিশুর দেয়া গোলে সেই ম্যাচ জোর করে শ্রীলঙ্কান রেফারী ড্র করান। জেতা ম্যাচ শেষ মুহুর্তে ড্র করায় অঝোরে কেদেছেন এই প্লে মেকার সহ গোটা টিম। প্রতিবাদ স্বরূপ সাংবাদিকেরা ভারতের সংবাদ সম্মেলন বর্জন করে। ম্যাচ ড্র হয়েছে তাতে কি, তারা আমাদের বীর, আমাদের যোদ্ধা। আসুন তাদেরকে তাদের প্রাপ্য সম্মানটা দেই। তাদেরকে জানান দিই যে, আমরা তাদের পাশে আছি, তাদের পাশে থাকবো সুসময়ে-দুঃসময়ে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



