ফোনটা হটাৎ করেই আসলো দেখলাম বসের .... একটু ধাককা লাগলো বুকে আবার কি হোলো? ওঃএকটু কি রেহাই পাবো না অনেক তো হোলো ।চাকরীটা রাগের বশে ছাড়লাম । ১২ বছরের চাকরী জীবন আর এমনিতেও টায়ারড লাগছিলো ......ফোনটা রিসিভ করলাম "তোমার তো চীন যেতে হবে, কেন বস ? দরকার আছে । আজ বিকেলে আমার সাথে দেখা করবে অবশ্যই, মনে থাকবে ? হ্যাঁ বস ।
অত:পর বিকেল বেলা দেখা করলাম " ৭ দিনের মধ্যে তোমাকে যেতে হবে ....পাসপোর্ট দিয়ে যাও আমি সব দেখছি....। ১০ দিনের মধ্যে ভিসা পেলাম .....। টিকেট কাটলাম ঢাকা -কুমিং-সাংহাই-কুমিং-ঢাকা । মোটামুটি যেতে সময় লাগবে সাংহাইতে ১০ ঘনটার মতো কারন আমাকে কুমিং এ নেমে আবার সাংহাই এর জন্য flight change করতে হবে আর পৌছাতে প্রায় ৩ঘনটা....। আমি যখনই দুরে কোথাও যাই একা তখন আমার অন্য ধরনের অনুভুতি কাজ করে কেমন একা একা ঠিক বোঝাতে পারবো না...আর লিখতে ইচেছ করছে না আজ.....আবার লিখবো অন্যদিন..
আবার শুরু করলাম অনেক দিন পর...........আসলে অনেক দিন পরে আমাকে নিরাপদ ঘোষনা করা হল তাই আবার লিখতে বসা ।
আবার লিখতে শুরু করলাম......।
যাবার দিন ঠিক হল ২০১০ কোরবানী ঈদের দিন দুপুর ২টা না ৩টা এখন অতটা মনে পরছে না, দুপুর বেলা ১২টা হবে হয়তো এয়ারপোর্র্টে পৌছালাম।আমার সাথে শুধু আমি ছাড়া আর কেউ নেই আপন।পাসপোর্ট টিকিট হাতে নিয়ে বসে রইলাম লাউনজে।কিছুক্ষন পরে দেখলাম চায়না এয়ারলাইনসের কাউনটার খুললো অত:পর লাইনে দাড়ালাম বোয়িং কার্ড নিলাম এরপর ইমিগ্রেশন পর্ব সারলাম।ভেতরে গিয়ে বসলাম সব কাজ শেষ করে। এখনো অনেকটা সময় বাকী।
হাটতে লাগলাম লাউনজের ভেতর, বড় কাচঘেরা জানালার সামনে গিয়ে দাড়িয়ে এয়ারপোর্টের রানওয়ের দিকে তাকালাম, আকাশ টা আজ সাদা নীল দিয়ে মেশানো.....
টারমাকে কয়েকটা বিমান দাড়িয়ে আছে..।আমি একা।
ঘোষনা হল বিমানে আরোহনের।যথারীতি লাইনে দাড়িয়ে অতপর: বিমানে উঠে আসন গ্রহন করলাম।চাইনিজ বিমানবালার ভাষন শুনে যাত্রা শুরু হোল গন্তব্য কুনমিং ..
কুমিং যখন নামলাম তখন রাত নেমে এসেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




