![]()
- বিভত্স চাঁদ টা যেন ভয়ানক হয়ে ঊঠছে! তার বিমূর্ত আলোকছটায় ঝিঁঝিঁ পোকারা বিভ্রান্ত ছুটাছুটি তে মগ্ন ।। ঠাই দাঁড়িয়ে থাকা ইউক্যালিপটাস গাছ টার পাতার ফাঁকে চাঁদটা ক্রুর হাসি হাসে। মায়াবনের পঙ্গু পাখি গুলো তাতে বুঝি মাতালতায় আচ্ছন্ন ,আক্রান্ত হয় নিঠুর শূন্যতায় ! শূন্যতার চিৎকার যেন ওই বোবা চাঁদ টাকে স্পর্শ করেনা।
তার চেয়ে ওই হ্যালোজেন বাতির নীলাভ আলোতেই পেয়েছিলাম নীলপদ্ম! নীল নীলাঞ্জনা সেই নীল আলোতে তোমার চোখের পবিত্র মায়া আমাকে গ্রাস করেছিল। আমি তাতে মাতাল হয়ে ভালোবেসে ফেলেছি অনিশ্চয়তায়। প্রেম সুখে উন্মাদ আমি তোমার চোখে কাব্য খুঁজিনি !
চোখ জোড়া ভীষণ পোড়াচ্ছে! পোড়া চোখে তোমার প্রতিচ্ছায়া হাতছানি দেয়! একি শুধুই ভ্রম?নীল শাড়িতে নীলিমা হয়ে নীলপদ্ম হাতে তুমি আমার পাশে! মাতাল তোমার চোখ দুটি যেন দুঃখগ্রাসী নিমিষেই আমার সমস্ত অতৃপ্তি, সমস্ত বিষাদ, সমস্ত বোবা কান্না আর আধাঁরি হাহাকার কেড়ে নিল ওই ভয়ানক চাঁদ টাই !
তারপর তোমায় হারিয়ে যাওয়া! আমার পৃথিবী যেন থমকে থাকা জমাট বাধা প্রেমাংশুর! রক্তকণিকা গুলো তোমার স্পর্শ পেয়ে যেন উন্মাদনায় মেতেছে! তাতে নিখাদ পবিত্র প্রেম ছিল! আমার সমস্ত সত্ত্বা কেবল তোমার চোখের হাসি দেখতে চায়! তার জন্য বিশ্বজয়ের যেন বা হাতের কাজ!
অর্থহীন আবেগ নয়, এ কথা রক্তকণিকা গুলো বলছে! ওরা তোমার আমার সুখস্মৃতি গুলোতে থমকে আছে! ওরা বুকের বা পাশের রক্তক্ষরণ মানবেনা । ওরা লাল হয়ে উঠলেও চোখ দুটিকে কাঁদতে দেবেনা। ওরা নাকি তোমার চোখে প্রেম দেখেছে! ওরা দেখেছে নীল হ্যালোজেন এর ছায়ায় আমার হাতে তোমার সুখানুভূতি!
বিক্ষিপ্ত রক্তকণিকা গুলো তাই তোমার আমার বিচ্ছেদ মানতে পারেনা! ওরা বড্ড জ্বালাচ্ছে, চোখদুটো ভীষণ পোড়াচ্ছে! এতক্ষন তোমার পাশে থাকা কি সুখী কোন হ্যালুসিনেশন মাত্র? না , আমার রক্ত কনিকা গুলোর ছুটাছুটি বাড়িয়ে তুমি আরো কাছে ! থমকে থাকা আমি, ইউক্যালিপটাস গাছের পাতার ফাঁকে জায়গা করে নেয়া চাঁদটাকেই শুনাই আমার গল্পের উপসংহার!! (
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



