আলোর অত্যন্ত শক্তিশালী রূপ গামা রশ্মির সঙ্গে বজ্রঝড় বা বজ্রপাতের কোন সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা নিয়ে তা নিয়ে গবেষণা চলছে অনেক বছর ধরেই । কিন্তু কোন ঊপসংহারে পৌঁছা যায়নি । এখন ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীরা বলেছেন, তারা কিছু বজ্রপাতের সঙ্গে গামা রশ্মির বিকিরণ পর্যবেক্ষণ করেছেন । আর এ ঘটনা ঘটেছে পৃথিবীর নিজস্ব বায়ুমন্ডলেই । অবাক করা তথ্যটি হচ্ছে, গামা রশ্মির এই বিকিরণ ঘটছে বজ্রপাতের 1 দশমিক 24 মিলিসেকেন্ড আগে । কেন এমনটি হচ্ছে সে ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেন নি ।
ডিঊকস প্র্যাট স্কুল অব ইনজিনিয়ারিং - এর ইলেকট্রিকাল এন্ড কম্পিঊটার ইনজিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক স্টিফেন কিঊমার এ পর্যবেক্ষণে প্রাপ্ত তথ্যকে অপ্রত্যাশিত এবং অদ্ভূত বলে বর্ণনা করেছেন । তিনি বলেন, সূর্য থেকে যে গামা রশ্মি আসছে বজ্রপাতের সময়কার গামা রশ্মি তারচেয়েও ঊচ্চ শক্তিসম্পন্ন । কিঊমার, স্নাতক ছাএ ওয়েনি হু এবং গবেষক ইঊহু ঝাই তাদের গবেষণার ফল বিশ্লেষণ করেছেন জিওলিজিক্যার রিসার্চ সেন্টার জানর্ালে । কিঊমার বলেছেন, তারা বিষয়টি নিয়ে গত বছল 4 মাস ধরে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করেছেন । এ সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট এলাকায় বজ্রপাত এবং তা থেকে ঊৎক্ষিপ্ত রশ্মির ঊপাও রেকর্ড করা হয়েছে । পরে এসব ঊপাও বিশ্ল্লেষণ করা হয় । এই ঊপাও সংগ্রহ করা হয়েছে দুটি বিশেষ ধরনের ডিভাইসের মাধ্যমে । এর একটি দিয়ে দীর্ঘ পাল্লার বেতার তর ঙ্গ পরিমাপ করা হয় এবং অপরটি খুবই নিম্নমাএার ফ্রিকোয়েনিস ধারণ করার কাজে ব্যবহৃত হয়েছে । এই দুটি বেতার তরঙ্গ চিহ্নিতকরণ যন্ত্র মূলত বসানো হয়েছিল দীর্ঘ দূরত্বের বজ্রঝড় এবং তা থেকে ঊৎপওি হওয়া আলোক তরঙ্গ পর্যবেক্ষণের জন্য । তিনি বলেন, রুভেন রামাটি হাই এনার্জি সোলার স্পেকট্রোস্কোপিক ইমেজের স্যাটেলাইট যুক্তরাষ্ট্রের মিডওয়েষ্টার্ন এলাকায় কোন টেরিস্ট্রিয়াল গামা রে ফ্লাশ চিহ্নিত করতে পারেনি । কিন্তু এ ধরনের বিপুল রশ্মির সন্ধান পাওয়া যায় ইন্দোনেশিয়া, আফ্রিকা এবং আমেরিকার ক্যারিবিয়ান এলাকায় ।
আলোর একটি অত্যন্ত শক্তিশালী রূপ হচ্ছে এই গামা রে বা গামা রশ্মি । মহাকাশে যদি সূর্যের মধ্যে থামের্ানিঊক্লিয়ার রিঅ্যাকশণ ঘটে, কিংবা মহাজাগতিক রশ্মির মধ্যে পারস্পরিক মিথষ্ক্রিয়ার সৃষ্টি হয় অথবা কোন তারা বিস্ফোরিত হয়, তখণই সাধারনত গামা রশ্মির ঊদগীরণ লক্ষ্য করা যায় ।
কিন্তু 1994 সালে বিজ্ঞানীরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করেন গামা রশ্মি সৃষ্টি হচ্ছে পৃথিবী পৃষ্ঠের খুব কাছেই । তারা এটি চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহার করেন কম্পটন গামা রে অবজারভেটরি স্যাটেলাইট । বিষয়টি নিয়ে গবেষনা করতে গিয়েই তারা আবিষ্কার করেন যে, গামা রশ্মির সঙ্গে বজ্রপাতের সংযোগ বা সম্পর্ক রয়েছে ।
গবেষকদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, বজ্রপাত এবং গামা রশ্মির সম্পর্ককে কিভাবে ব্যাখ্যা করা যায় । এ পর্যবেক্ষণ থেকে অনেক তথ্রই এসেছে যা প্রত্যাশিত নয় । এখন তাদের ভাবনা গুলো এই রহস্যের সমাধান নিয়েই । পৃথিবীর সবাই ও সেই অপেক্ষায় রইলো ।
তথ্যসূএ: ইন্টারনেট ...
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


