পৃথিবী থেকে অনেক দূরে নীল আকাশের গায়ে থালার মত গোলাকার শুভ্র যে আলোক পিন্ডটি দেখা যায় সেটিই আমাদের কল্যাণী সূর্য । সৌরজগতের মধ্যমনি বলা হয় তাকে । জীবনের অস্তিত্ব যার অস্তিত্বহীনতায় শুধুই কাল্পনিক । জীবন যাপনের সকল ক্ষেএেই রয়েছে এর প্রত্যক্ষ পদচারণা । এমনকি বৈজ্ঞনিক ঊৎকর্ষের এই একবিংশ শতাব্দিতেও রয়েছে সৌরশক্তি ব্যবহারের যুগান্তকারী সম্ভাবনা । যা পৃথিবীতে এনে দিবে নব যুগের ধারা । কিন্তু চিরন্তন সত্য এই যে, আমাদের কল্যাণে সদা ব্রত সূর্য কোন একদিন আলোশূণ্য বা দীপ্তিশূণ্য ও সংকুচিত হয়ে যাবে । ফলে ধ্বসে যাবে পৃথিবীর বুখে রচিত সৌর স্বপ্নের সুবৃহৎ প্রাচীর । সূর্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয় সহ আল-কোরআন ও বিজ্ঞানের সমন্বয়ে 'সূর্যের বিলুপ্তি' র বিষয়টি তুলে ধরবার চেষ্টা করছি .......
সূর্য তারা বা জ্যোতিষ্ক শ্রেণীর একটি ঊওপ্ত গ্যাসীয় গোলক । যাকে সৌর জগতের সকল সদস্যের শক্তির একমাএ ঊৎস বলা হয় । এর আয়তন পৃথিবীর আয়তনের 13 লক্ষ গুণ । আর ব্যাস 86 লক্ষ 66 হাজার 400 মাইল বা 13 লক্ষ সাড়ে 9 হাজার কিলোমিটার । তথাপিও সূর্যকে আমরা থালার মত ছোট দেখি । এর কারণ হলো পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় 16 কোটি কিলোমিটার । এত দূরত্ব পার্থক্যে এরকম হওয়াই স্বাভাবিক । পৃথিবীর ভরের তুলনায় সূর্যের ভর 3,33,000 গুণ বেশি । অথচ সূর্যের ঘনত্ব পৃথিবীর ঘনত্বের 26 শতাংশ বা সিকি ভাগমাএ । এর কারণ পৃথিবী মূলত ভারি ধাতব পদার্থ দ্্বারা গঠিত, আর সূর্য মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দ্্বারা গঠিত । এ দুটি গ্যাস সবচেয়ে হালকা । সূয়েৃর নিয়ত এই তাপ প্রবাহে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের পরস্পর সংঘাতই মৌলিক কারণ । এই তাপমাএার পরিমাণ সূর্যের বাইরের পৃষ্ঠে প্রায় 6000 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড । আর অভ্যন্তরীন ক্ষেএে বিজ্ঞানীরা মনে করেন এই তাপমাএা অন্তত 3 কোটি থেকে 6 কোটি ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হবার সম্ভাবনা । হিসেব করে দেখা গেছে, 75 ফুট পুরু একটি বরফের চাই দিয়ে সূর্যকে ঢেকে দিলে চোখের পলকে সূর্য তা গলিয়ে সঙ্গে সঙ্গে বাষ্প করে দিতে পারে ।
তথ্যসূএ: ইন্টারনেট ...
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


