
ঐ নীলাদ্রী ,নক্ষত্ররাজী রাতের আকাশে
কী অপরূপ রুপেমা ছড়ায় !
নিরুদ্দেশের খুঁজে ,শুভ্র মেঘমালা
ভেসে যায় দূর নীলিমায় ।
পুনরায় ফিরে আসে নবধারায় ,নবরুপে
রিমঝিম নামে বনে ,বেতস লতার টানে
শ্রাবণের বৃষ্টি নাচে বুঁদ বুঁদ ফোঁটায় ফোঁটায় ;
কুহেলিকার ধূপছায়া আঁধারে নদী ঢেকে যায় !
দিগন্তজোড়া সরিষার হাসি
যেন কিষাণির সুখ ঝরে রাশিরাশি ,
প্রজাপতি উড়ে শত রঙ পাখনায়
ওধারে ডাকে স্বপন মহুয়ায় ।
ঝংকারে সোনালী ধান ,সোনা রঙ মেখে
কিষাণের বুক ফুলে ওঠে স্বর্গের সুখে !
বুনোহাঁস দল বেঁধে নামে নদীর বাঁকে
ধান শালিকেরা খাদ্য খুঁজে বেড়ায় ;
কখনও বিরান কখনও সবুজ বন পথে
সারস পাখিরা হাঁটুজলে ধ্যানমগ্ন মাছের আশায় ,
সাঁইসাঁই ,ফাঁক ফাঁক শব্দের কোলাহলে
নীরব বনভূমে নীরবতা কেটে যায় ।
ধইঞ্চা সারি সারি- দোলায় কে শাখায় শাখায় ?
কোন সে কিশোরী নূপুর পরা পায় ?
নৈশব্দে শিশির পড়ে ঘাসের পাতায়
সোনা রোদ তায় ঝলমলায় ,
কতশত অচেনা জলছাপ পথের ধারে
মিশে আছে মাটির ভাঁজে ।
হেমন্ত ভোরে শিউলী ছড়ানো বেলায়
ফুল কুঁড়িরা ফুল কুড়িয়ে নেয়
সুখ বুনে তারা,রাখে তুলে মনের আলমিরায়
কোনো স্মৃতি ঝরা দিনে চোখ বুলাবে তায় ,
ঝিলের ধারে বুনো হাঁসের নীল ডিম
প্রত্যুষে কুড়িয়ে আনে বালিকায় !
আম কুড়ানোর থাকে তাড়া
ব্যস্ত তারা ,
এভাবে কাটে অবুঝ বেলা
পাখিদের নীড়ে,
নদীর কূলে ,পথের বাঁকে
সুখ কুড়াবার তাড়া ,
ছড়িয়ে ছিটিয়ে যত আছে বুনো হাঁসের পালক
আঁচলে বেঁধে নেয় তারা ।

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ৮:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



