
হাজার বছর ধরে বাঁচিতে ইচ্ছা জাগে এই বাংলায়
সবুজ প্রান্তর আর ধূলিমাখা গালিচায়
তাহার নামটি লিখা আছে অন্তরায়
ঐ নীল আকাশে ছড়াইয়ে দিয়াছি স্বপন
এই বাংলার অলিন্দে আমার অবাধ বিচরণ ।
চিকচিক পদ্মার বালি চর-আহা কী অপরুপ !
দূর হতে দেখিয়াছি শালিক
পালক ঝাড়িয়া ,
করিছে গোছল বালি মাখিয়া
আমার ইচ্ছে জাগে যাই মিশিয়া শালিকের দলে ,
দেখিয়াছি সেথায় দিগন্ত মিলে আছে উত্তাল জলে !
আমার মনের ডানা মেলিয়াছি দিগন্তে
আমি দিগভ্রান্ত ,পথ খুঁজিয়া পাই তোমার চরণ তলে
সাগরের নীলে ঊর্মি মালা দোলে ,
ঢেউয়ে ঢেউয়ে যাই ভাসিয়া শঙ্খচিলের পালে
বসন্তে গাছের পাতায় কী মায়া ছড়ানো
দেখিয়াছি আপনচোখে ;
সবুজ রঙা মায়া মাখিয়াছি হৃদয়ে
কোকিল মধু স্বরে গাহিছে গান আপনালয়ে
কৃষ্ণচূড়ার ডালে চিড়ল পাতা নাচিছে দোলে দোলে
বাউল মেঠো পথে গান তুলিয়া হাঁটিয়া যায় আনমনে
এমন রূপ কেউ পাবে না অন্যকোথা অন্যকোনখানে।
বর্ষার কদম লয়ে গায় গান রূপসী কাহার তরে ?
হয় অধীর চপলা স্বর্ণচাঁপার ঘ্রানে
গুঁজিয়া কর্ণলয়ে চাঁপা দুল অপেক্ষার প্রহর গুণে ।
শরতে সাজে রুপালী রুপসী শুভ্র স্নিগ্ধ কাশফুল
কাহার তরে সে এমন উদাস হইয়াছে এমন আকুল ?
হেমন্ত ভোরে হাঁটিয়া যায় বহু দুরে
সরিষার রঙ মাখিয়া ফেরে আপনমনে
কচুরিপানার ফুল আনিয়া বিলায় শিশুগণে
ধানের শিষের শিশিরে ছুঁইয়ে যায় আলতো ভরে
শাপলার ফুল তুলিয়া ঝিলের জলে গোধূলি বেলায়
গাঁথে মালা তাহার প্রিয়'র তরে ।

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




