
আজ শিশু আদুরী নির্যাতন মামলায় গৃহকর্ত্রী নদীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কিছু পোস্ট শিশু আদুরী ঘটনা পাল্টে দিয়েছিল। আদুরীর প্রথম ছবি তোলেন এক বড় ভাই। ভাই তার পত্রিকায় ছবিটি না ছাপাতে ব্যর্থ হন। আমাকে ছবিটি দিয়েলেন যদি ফেবু এবং সামুতে প্রকাশ করলে যদি কিছু হয়। আমি তার কথা মত ছবিটি ফেবুতে পোস্ট দেই ।
ফেইসবুকের সেই পোস্ট আদুরী
যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সংবাদটি কতটা গুরুত্ব পাবে তার কোন ধারণা ছিল না।
সামুর পোস্ট আদুরীকে ভদ্রলোকদের শহরের ডাস্টবিনে পাওয়া গেছে। জানোয়ারদের খুজে বের করতে আমাদের সাথে যোগ দিন।
সামুর পোস্ট আদুরী আজ বাংলাদেশ। আদুরীকে নির্যাতনকারীদের গ্রেফতার চাই।
ব্লগের তথ্য ব্যবহার করে ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের সংবাদ বেঁচে আছে আদুরি, গৃহকর্ত্রী গ্রেপ্তার
তারপর এক সময় বিভিন্ন মানুষ যোগাযোগ করেন। আদুরীকে সহযোগিতার জন্য এগিযে আসেন। প্রথম দিকে আমিও ভেবেছিলাম এই ছবিটি প্রকাশ যৌক্তিক হবে কিনা? চেহারাটা মুছে দেওয়া দরকার কিনা? শিশুটা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পরবে কিনা?
যাই হোক কিছুটা অপরাধবোধ নিয়ে শিশুটির ছবিটি দিয়েছিলাম। যুক্তি ছিল একটাই যদি শিশুটির মা বাবা খোঁজ পায় কিংবা মানুষ ভয়াবহতা জেনে এগিয়ে আসে। আদুরী এখন কেমন আছে জানি না। আদুরী এবং নদীকে দেখার ভাগ্য হয়েছিল আমার।
আমি এক টেলিভিশনের আলোচনা অনুষ্ঠানে পুলিশের বড় কর্তাদের সাথে আদুরী নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছিলাম। আগ্রহ প্রকাশ করেছিলাম সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে দেখার যে আদুরীকে ঢামেকে পৌছে দিয়েছিল। না সে সৌভাগ্য আমার হয়নি। আদুরী নিয়ে হাজার আলোচনার মাঝে পুলিশের লোকটি কোথায় যেন হারিয়ে গেল।
হাজার নেতিবাচক ভূমিকার মাঝে একজন আদুরীর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর্শিবাদ হয়ে এসেছিল ২০১৩ সালের সেই সেপ্টেম্বর মাসে।
প্রিয় আদুরী আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বন্ধুরা আপনাদের জন্য ভালবাসা রইল।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


