somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শের শায়রী
অমরত্বের লোভ কখনো আমাকে পায়না। মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়েই আমার সুখ। লিখি নিজের জানার আনন্দে, তাতে কেউ যদি পড়ে সেটা অনেক বড় পাওয়া। কৃতজ্ঞতা জানানো ছাড়া আর কিছুই নেই।

কয়েকজন মহান বাংলাদেশি বিজ্ঞানী---- যারা নোবেল পেতে পারতেন অথবা পাবেন

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৮:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আবিস্কারকদের অধিকাংশই পশ্চিমাদেশের ॥ এর একটি প্রধান কারন হল সেদেশের বিজ্ঞানীরা ভাল করে জানেন কী করে আবিস্কারকের থাতায় নাম প্রতিষ্ঠা করতে হয় ॥ কোন কোন ক্ষেত্রে কাগজ কলমে প্রমাণ থাকা সত্বেও বিশাল প্রচারের বদৌলতে বিদেশী বিজ্ঞানীরা তাদের নাম প্রতিষ্ঠা করতে সফল হয়েছেন ॥ আবার দু:থজনক হলেও ব্যবসায়িক স্বার্থে অনুন্নত দেশের আবিস্কারকদের কোনঠাসা করে রেখেছে ধনী দেশগুলো । একশ' বছরের বেশী সময় ধরে মার্কনী রেডিও আবিস্কারের কৃতিত্ব পাচ্ছিল । এখন ইন্টারনেটের বদৌলতে সত্য উন্মোচিত হচ্ছে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু রেডিও প্রকৃত আবিস্কর্তা । উইকিপিডিয়াতে রেডিও আবিস্কারকের প্রথম নামটি স্যার জগদীশ বসুর কিন্তু তাকে এমন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন রেডিও নিয়ে ব্যবসাবাণিজ্য না করাটা তার ব্যর্থতা ।

আসুন আমরাও আমাদের মহান মানূষ গুলোকে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসি

হেমেন্দ্র নাথ চ্যাটার্জী চিকিৎসাবিজ্ঞান:



কলেরা এবং ডায়রিয়ার খাবার স্যালাইন যেটি হাজার হাজার জীবন বাঁচায় প্রতি বছর তার আবিস্কারক একজন বাঙালী । নাম হেমেন্দ্র নাথ চ্যাটার্জী । কিন্তু বিশ্বজুড়ে আজকে সবা্ই জানেন খাবার স্যালাইনের আবিস্কারক দুজন বিজ্ঞানী , ডেভিড নেলিন এবং ক্যাশ ।

আজকে আমাদের কাছে খাবার স্যালাইন এতটাই পরিচিত যে শুনতে অবাক লাগতে পারে যে মাত্র ছয় দশক আগেও মুখে স্যালাইন নেয়ার কথা কার মাথায় আসেনি । ১৮৩১ সালে হারম্যান নামের আরেক বিজ্ঞানী প্রথম মানুষের শরীরে লবন জলের ঘাটতি পুরণের জন্য স্যালাইনের ধারণা দেন । ১৯১৩ সালে চিকিত্সা বিজ্ঞানী রজার কলেরার নিরাময়ে স্যালাইনের প্রচলন করেন ॥ কিন্তু এটি ছিল ইন্ট্রাভেনাস স্যালাইনের বা ইনজেকশনের মাধ্যমে নেয়া স্যালাইন । তারপর দীর্ঘদিন এটি ছিল একমাত্র ভরসা । কলকাতার বাঙালী বিজ্ঞানী হেমেন্দ্র নাথ চ্যাটার্জী ১৯৫৩ সালে ইন্ট্রাভেনাস স্যালাইনের পরিবর্তে মুখে খাবার স্যালাইন নিয়ে পরীক্ষা করে নিরীক্ষা শুরু করেন ॥ তিনি তার হাসপাতালের রোগীর উপর খাবার স্যালাইনের সফলতা দেখে ল্যানসেট জার্নালে তার ফলাফল প্রকাশ করেন ।

তার সুদীর্ঘ ১৩ বছর পর ১৯৬৮ সালে আইসিডিডিআরবির চাঁদপুরে মতলবে নেলিন এবং ক্যাশ খাবার স্যালাইনের ফিল্ড ট্রায়াল দেন । আইসিডিডিআরবি প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান বিধায় রীতিমত পুকুরচুরির মত এই ট্রায়ালটিকেই সব জায়গায় খাবার স্যালাইনের যুগান্তকারী আবিস্কারের ঘটনা হিসেবে ব্যাপক প্রচার চালায়। দুর্ভাগ্যজনক হলেও কোথাও একটি লাইনের জন্যও হেমেন্দ্রের নাম উল্লেখ করা হয়নি । চিকিত্সা়বিজ্ঞানের ইতিহাসে এমন মহান আবিস্কারকের পরিচিত কেউ জানেনি । উইকিপিডিয়াতে খাবার খাবার স্যালাইনের ইতিহাসে হেমেন্দ্রর নাম বলা হয়নি একটি বারের জন্যও । শুধু মেডিক্যাল হিস্টরী জার্নাল, ১৯৯৪, ৩৮: ৩৬৩-৩৯৭ তে প্রথমবারের মত একটি লাইনে তাকে অর্ধস্বীকৃতি দেয়া হয়েছে । "It is generally agreed that racism or the lack of a "scientific" rationale prevented the widespread adoption of his (hemendra's) work"


এখানে হেমেন্দ্র নাথ চ্যাটার্জীর প্রকাশিত গবেষনা পত্রটির কিছু অংশ হুবুহু তুলে দেয়া হল যাতে এই বিষয়ে কারো সন্দেহ না থাকে।

Medical history: Magic bullet: The history oral rehydration therapy:

http://www.pubmedcentral.nih.gov/articlerender.fcgi?artid=1036912

Title: Control of vomiting in cholera and oral replacement of fluid.
Chatterjee HN
Source citation: Lancet, 1953 Nov 2;2(6795):1063.
Abstract: "Control of the vomiting symptom of cholera was attempted by treatment with avomine followed by rehydration. In back-to-back cholera epidemic years in India, 59 cases and 127 cases in 1952 and 1953, respectively, were treated with avomine (25 mg; 14 mg of promethazine base and 11 mg of 8-chlorotheophylline); vomiting was often checked with use of only 1 tablet, although up to 6 tablets were administered in 1 case. Because vomiting was easily controlled by avomine, oral rehydration was possible, and the fluid replacement solution used was 4 gm of sodium chloride, 25 gm of glucose and 1000 ml of water. To check diarrhea, which avomine does not do, these cases were given the leaf juice of an Indian plant, Coleus"(for info, Neem leaf)



হেমেন্দ্র নাথ চ্যাটার্জীরর কে যথাযথ স্বীকৃতি দিয়ে জাতি হিসেবে এই বিজ্ঞানীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত্‍ । এই বিজ্ঞানী আমাদের হাজারো মানুষের জীবন বাঁচাতে যে ভুমিকা রেখেছে তাকে প্রকাশ করার জন্য প্রচার মাধ্যম সহ আমাদের সবার এগিয়ে আসা উচিত্‍।

এই হেমেন্দ্রনাথের আবিস্কারের তথ্যটি দিয়েছেন সিঙ্গাপুরে অবস্হানরত বাংলাদেশ গবেষক সরওয়ার হোসেন যিনি দীর্ঘদিন আইসিডিডিআরবিতে কর্মরত ছিলেন ।

গনিত এবং পদার্থবিদ্যায় সত্যেন্দ্রনাথ বসুঃ


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বসু তত্ত্বীয় পদার্থ বিজ্ঞান ও এক্সরে ক্রিস্টোলোগ্রাফির ওপর কাজ শুরু করেন। এছাড়া তিনি শ্রেণী কক্ষে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা পড়াতেন। ক্লাসে একদিন আলোকতড়িৎ ক্রিয়া ও অতিবেগুনি বিপর্যয় পড়ানোর সময় তিনি শিক্ষার্থীদের বর্তমান তত্ত্বের দূর্বলতা বোঝাতে এই তত্ত্বের সঙ্গে পরীক্ষালব্দ ফলফলের ব্যতয় তুলে ধরেন। সে সময় তিনি ঐ তত্ত্ব প্রয়োগ করতে গিয়ে একটি ভুল করেন। পরে দেখা যায় তার ঐ ভুলের ফলে পরীক্ষার সঙ্গে তত্ত্বের অনুমান মিলে যাচ্ছে! (বসু পরে তার ঐদিনের লেকচারটি একটি ছোট নিবন্ধ আকারে Planck's Law and the Hypothesis of Light Quanta নামে প্রকাশ করেন।)

পদার্থবিজ্ঞানের বিশ্বখ্যাত জার্নাল Physics journals বসুর ঐ প্রবন্ধ প্রকাশে অস্বীকৃতি জানায়। তারা ধরে নেয় যে, ঐ ভুল, ভুলই; নতুন কোন কিছ নয়। হতাশ হয়ে বসু বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের কাছে তা লিখে পাঠান। আইনস্টাইন ব্যাপারটা বুঝতে পারেন এবং নিজেই একটি প্রবন্ধ লিখে ফেলেন এবং বসুর নিবন্ধটি জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেন। এরপর তার ও বসুর নিবন্ধ দুইটি জার্মানীর Zeitschrift für Physik সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। ঘটনাটি ঘটে ১৯২৪ সালে।

বোস‌-আইনস্টাইন সংখ্যাতত্ত্ব বহুল ভাবেই আজ বিশ্বব্যাপি ব্যবহৃত।আইনস্টাইন এই ধারণাটি গ্রহণ করে তা প্রয়োগ করলেন পরমাণুতে। এই থেকে পাওয়া গেল নতুন প্রপঞ্চ যা এখন বোস‌-আইনস্টাইন কনডেনসেট নামে পরিচিত। এটি আসলে বোসন কণার একটি ঘণীভূত স্যুপ। ১৯৯৫ সালে এক পরীক্ষায় এটির প্রমাণ পাওয়া যায়। আর বিশ্বজগতের যে কণাগুলোর স্পিন পূর্ণসংখ্যা বসুর নামে তার নামকরণ করা হয় বোসন কণা।
পেতে পারতেন নোবেল পুরষ্কার, কিন্তু জন্মেছেনতো তৃতীয় বিশ্বে!


পদার্থবিদ্যায় ও উদ্ভিদবিদ্যায় জগদীশ চন্দ্র বসুঃ



১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। বিক্রমপুরের রাড়িখাল গ্রামের কৃতী এ বাঙালি বিজ্ঞানী গাছের প্রাণ ও অতি ুদ্র তরঙ্গ সৃষ্টি এবং তা প্রেরণের েেত্র প্রভূত উন্নতি সাধন করে বিজ্ঞানকে অনেকদূর এগিয়ে দিয়েছেন। তার পিতা ভগবান চন্দ্র বসু ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে শিকতা করেছেন। পরে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ফরিদপুর, বর্ধমান ও অন্য অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করেন। তার পিতা তৎকালীন ব্রাহ্ম সমাজের একজন নেতা ছিলেন। তিনি ইংরেজি শিক্ষার বদলে ছেলেকে মাতৃভাষায় পড়াশোনার তাগিদ দিয়েছিলেন। ভাষার প্রতি বিশেষ মমত্ববোধ ছাড়াও ভগবান চন্দ্র চেয়েছিলেন তার পুত্র দেশের মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে মানুষ হোক এবং তার মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত হোক।

জগদীশ চন্দ্র বসু চিকিৎসা বিজ্ঞান পড়তে ১৮৮০ সালে লন্ডনে পাড়ি জমান। কিন্তু কালাজ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞান ছেড়ে দিয়ে ক্যামব্রিজের ক্রাইস্ট কলেজে ভর্তি হয়ে ট্রাইপস পাস করেন। খুলে যায় তার সামনে সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্ত। এখানে তিনি বিশ্বখ্যাত সব অধ্যাপকের সংস্পর্শে আসেন। যার মধ্যে ছিলেন বিজ্ঞানী প্রফেসর লর্ড র্যাালি, মাইকেল ফস্টার, ফ্যান্সিস ডারউইন প্রমুখ।
একই সঙ্গে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পাস করে ১৮৮৫ সালে দেশে ফিরে আসেন। এসেই তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অস্থায়ী অধ্যাপক পদে যোগ দেন। কিন্তু ভারতীয় হওয়ায় তার বেতন নির্ধারিত হয় ইউরোপীয়দের তুলনায় অর্ধেক। এর প্রতিবাদস্বরূপ তিনি দীর্ঘকাল কলেজ থেকে কোন বেতন নেননি। কঠিন অধ্যবসায়ের মাধ্যমে গবেষণায় দক্ষতা প্রদর্শনে সক্ষম হলে কর্তৃপক্ষ তাকে তিন বছরের বকেয়া বেতনসহ পূর্ণ বেতনে নিয়োগ দিতে বাধ্য হয়। তার গবেষণার সূত্রপাত সেখান থেকেই। তার গবেষণাগুলোর সূতিকাগার হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় এ কলেজকে। সীমিত ব্যয়ে স্থানীয় মিস্ত্রিদের শিখিয়ে পড়িয়ে তিনি গবেষণার জন্য উপকরণ প্রস্তুত করতেন। সেখানে গবেষণা করে তিনি আবিষ্কার করেন উদ্ভিদের বৃদ্ধিমাপক যন্ত্র ক্রেস্কোগ্রাফ, উদ্ভিদের দেহের উত্তেজনার বেগ নিরূপক সমতল তরুলিপি যন্ত্র রিজোনান্ট রেকর্ডার। এছাড়া ১৮৯৫ সালে তারবিহীন বার্তা প্রেরণ ও গ্রহণ করার তত্ত্ব ও গ্যালেনা ক্রিস্টাল যন্ত্রের আবিষ্কারকও তিনি। মাত্র ১৮ মাসে বিদ্যুতের মতো অত্যন্ত দুরূহ বিভাগের ছয়টি উলেখযোগ্য গবেষণা শেষ করেছিলেন তিনি।

জগদীশ তার সৃষ্টিশীল কর্মের জন্য ১৯১৬ সালে নাইটহুড ও ১৯২০ সালে রয়েল সোসাইটি ফেলোতে ভূষিত হওয়ার পর থেকেই তার নাম-ডাক ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতায় ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির’ প্রতিষ্ঠার লক্ষে তিনি ধারাবাহিক বক্তৃতা দেয়া শুরু করেন। এ সময়ে তিনি বিক্রমপুর সম্মেলনসহ ঢাকায় বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। তার পিতা ঋণভারে জর্জরিত হয়ে এক জ্ঞাতি ভাইয়ের কাছে নিজ বাড়িসহ সমুদয় সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। জগদীশের পৈতৃক বাড়ির স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার জন্য গ্রামে তার শুভানুধ্যায়ীরা তার নামে ১৯২১ সালে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু ইন্সটিটিউটশন প্রতিষ্ঠা করেন। আজ এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি স্কুল-কাম কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। জগদীশের পৈতৃক ভবনটি স্মৃতি সংরণাগার হিসেবে ব্যবহƒত হচ্ছে। একমাত্র স্মৃতিচিহ্ন জগদীশের বসত ঘরটির দৈন্য দশা সবাইকে ব্যথিত করে। স্যার জেসি বোস ইন্সটিটিউশনের পরিচালনা পর্ষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান স্থানীয় সাংসদ বাবু সুকুমার রঞ্জন ঘোষ ওই বসত ঘরটি সংস্কার ও পুনঃনির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।
স্যার জগদীশ ওপর যে অন্যায় করা হয় তা রেডিও আবিস্কারক মাক’নির এক সাক্ষাৎকার থেকে বুজা যায়
এক সাক্ষাৎকারে মার্কনিকে প্রশ্ন করা হয়:” আপনার এই আবিষ্কারে অবদান রাখার জন্য জগদীশ চন্দ্র বসুর নাম ও শোনা যায়। এ ব্যাপারে যদি কিছু বলতেন ?
মার্কনি উত্তরে বলেন ,“আমি বাবা মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। তার মানে হচ্ছে জন্ম থেকেই ভাগাভাগির ব্যাপারটা আমার মধ্যে ছিল। এই যে ১৯০৯ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল প্রাইজ পেলাম, সেটাও পল ফার্ডিন্যান্ড এর সাথে যৌথভাবে পেয়েছি। তাই আবিষ্কারের ব্যাপারটাও ধর জগদীশ চন্দ্র বসুর সাথেই না হয় ভাগ করলাম। তবে সেটা আমি সবার সামনে স্বীকার করতে চাই না।”
মার্কনিকে আবার প্রশ্ন করা হয় ,“আপনি স্বীকার না করলেও এই পেটেন্টের ব্যাপারটাতো আদালত পর্যন্ত গিয়েছিল।”
উত্তরে মার্কনি বলেন ,“ জগদীশ বসু খুবই ভাল মানুষ ছিলেন। তাই তিনি এই মামলায় জড়াননি। অন্য যারা রেডিও আবিষ্কারের দাবিদার ছিল তাদের আমি খুব সহজেই মামলায় হারিয়েছি। কারণ তারা সবাই ছিলেন বিজ্ঞানী। বিজ্ঞানের পাশাপাশি তারা আমার মত রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না। সেই কারণে মামলা মোকদ্দমার বিষয়গুলিও ভাল বুঝতেন না।”


ড. মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা



খ্যাতিমান বিজ্ঞানী ও লেখক ড. মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদার জন্ম পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে ১৯০০ সালের ১ ডিসেম্বর। কলকাতার উডবার্ন এমই স্কুল থেকে স্কলারশিপ নিয়ে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন। কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে রসায়নশাস্ত্রে এমএসসিতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বৃত্তি এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। একই বছর লন্ডন ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে ডিআইসি ডিগ্রি লাভ করেন। কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে রসায়ন বিভাগে অধ্যাপনায় যোগ দেন। ১৯৩৬ সালে বিভাগীয় প্রধান এবং ১৯৪৬ সালে প্রিন্সিপাল হন। কিছুকাল ইসলামিয়া কলেজেও অধ্যক্ষ পদে ছিলেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য নিযুক্ত হন। ১৯৪৭-১৯৪৯ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের জনশিক্ষা পরিচালক এবং পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞান উপদেষ্টা নিযুক্ত হন। ১৯৫২-১৯৫৫ পর্যন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ১৯৫৫-১৯৬৬ পাকিস্তান বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব নেন। অবসর নেয়ার পর কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান হন। ১৯৭৪ থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর ছিলেন। তার রচিত ১০২টি মৌলিক প্রবন্ধ পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তিনি বিজ্ঞানচর্চায় মাতৃভাষাকে সবচেয়ে উপযোগী বলে বিবেচনা করতেন। রবীন্দ্রনাথের উদ্যোগে বিশ্বভারতী থেকে ‘লোক-শিল্প’ পর্যায়ে যে গ্রন্থমালা সিরিজ প্রকাশিত হতে শুরু করে, তাতে তার রচিত যুদ্ধোত্তর বাংলার কৃষিশিল্প গ্রন্থটি ১৩৫০ সালে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া মাধ্যমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বহু পাঠ্যপুস্তকও রচনা করেন।পবিত্র কোরানের পূত কথা ও অঙ্গারী জওয়ারা নামে একটি ধর্মীয় পুস্তকও রচনা করেন। বিজ্ঞানী হিসেবে ড. খুদা ও তার সহকর্মীদের ১৮টি আবিষ্কারের প্যাটেন্ট রয়েছে। ১৯৭৭ সালের ৩ নভেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন।
ডঃ আতাউল করিম

ট্রেন চলবে কিন্তু ট্রেনের চাকা লাইন বা ট্রাক স্পর্শ করবে না। চুম্বকের সাহায্যে এটি এগিয়ে চলবে এবং গন্তব্যে পৌঁছবে চোখের পলকে। বিশ্বের পরিবহন সেক্টরে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এবং বাস্তব এটি। আর এর পুরো কৃতিত্ব একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী। তিনি হলেন ডঃ আতাউল করিম। বিশ্বের সেরা ১০০জন বিজ্ঞানীর একজন। আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়ার নরফোকে অবস্থিত ওল্ড ডোমিনিয়ন ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট (গবেষণা) ডঃ আতাউল করিমের এ সাফল্যের কাহিনি মার্কিন মিডিয়াতেও ফলাও করে প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষকেরা বিগত৭ বছর ধরে এ ধরনের একটি ট্রেন তৈরীর গবেষণায় ফেডারেল প্রশাসনের বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। কিন্তু তা সাফল্যের আশপাশেও যেতে পারেনি। অবশেষে ২০০৪ সালে এই গবেষণা প্রকল্পের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন ডঃ আতাউল করিম এবং গত দেড় বছরে ট্রেনটি নির্মাণে সক্ষম হন। পরীক্ষা সফল হয়েছে। এখন শুধু বানিজ্যিকভিত্তিতে চালু করার কাজটি বাকি।
জার্মানী, চীন ও জাপানে ১৫০ মাইলের বেশী বেগে চলমান ট্রেন আবিস্কৃত হলেও তাতে প্রতি মাইল ট্রাক বা লাইনের জন্য গড়ে খরচ ১১০ মিলিয়ন ডলার, কিন্তু ডঃ করিমের এ ট্রেনে খরচ হবে মাত্র ১২/১৩ মিলিয়ন ডলার। দেখতেও আকর্ষণীয় এ ট্রেনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তা স্টার্ট নেয়ার পর লাইনকে স্পর্শ করবে না।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে ৩৩ বছর আগে আমেরিকায় এসেছেন ডঃ করিম। এরপর পদার্থ বিজ্ঞানে এম.এস, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এম.এস এবং ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পি.এইচ.ডি করেন আলাবামা ইউনিভার্সিটি থেকে যথাক্রমে ১৯৭৮, ১৯৭৯ এবং ১৯৮১ সালে। প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি নেয়ার পর শুরু পেশাগত জীবন এবং মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে তিনি বর্তমানেযুক্তরাষ্ট্র তথা বিশ্বের মেধাসম্পন্ন ৫০০০ গবেষক-ছাত্রেরনেতৃত্ব দিচ্ছেন অন্ততঃ ৬০০ ফ্যাকাল্টিতে। ডঃ করিমের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে ৬টি কলেজ, কমপক্ষে ২০টি গবেষণাকেন্দ্র, ৬শত শিক্ষক এবং ৫হাজারের উপরে গ্রাজুয়েট ও আন্ডার-গ্রাজুয়েট ছাত্র-ছাত্রী।


অধ্যাপক ওসমান গণি তালুকদার এবং অধ্যাপক মুশফিক আহমেদ

কিছুদিন পর বিভিন্ন পত্রিকাতে যে খবরটি বেশি আলোড়িত হয় তা হলো বাংলাদেশ এর দুই বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এর আপেক্ষিকতাকে পরিপূর্ণ রুপ দিবার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন ।ওই বিজ্ঞানীদ্বয় হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এর ফলিত পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ওসমান গণি তালুকদার এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অপর অধ্যাপক মুশফিক আহমেদ।২০ বছর ধরে গবেষণা করে তাঁরা এ সাফল্য পেয়েছেন।এ থেকেই বুঝা যায় যে তাঁরা এই আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর অনেক গবেষণা করেছেন ।বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের মতবাদ অনুসারে কোন বস্তুর গতি আলোর চেয়ে বেশি হতে পারে না।এ বিষয়ে আইনস্টাইন দিয়ে গেছেন পাঁচটি সমীকরণ এবং একটি মৌলিক ধ্রুবসংখ্যা।আইনস্টাইনের এ মতবাদ ছিল অসম্পূর্ণ। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে তাঁরা নানাভাবে প্রমাণ পেয়েছেন যে, বস্তুর গতি আলোর গতির চেয়ে বেশি হতে পারে। বস্তুর গতি যে আলোর গতির চেয়ে বেশি হতে পারে এ বিষয়ে যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ ও
সহকারে ২০০১ সালে ওসমান গণি তালুকদার An Alternative Approach to the Relativity নামে একটি বইও প্রকাশ করেন।বইটি প্রকাশ করার আগে তাঁরা উভয়েই এ বিষয়ের ওপর লেখা কিছু গবেষণা প্রবন্ধ দেশ-বিদেশের বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশের জন্য পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু দৃশ্যত আইনস্টাইনের তত্ত্বের বাইরে যাওয়া যাবে না ভেবেই বিদেশের কোনো জার্নাল তাঁদের প্রবন্ধ প্রকাশ করেনি। অধ্যাপকেরা উল্লেখ করেন, বইটি প্রকাশ করার আগে ২০০১ সালের ২০ মে সংবাদ সম্মেলন করে ঘোষণা দেওয়া হয়, নিউট্রিনো নামের বস্তুকণিকা আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্বের মতবাদ লঙ্ঘন করে, অর্থাৎ নিউট্রিনো আলোর চেয়ে বেশি বেগে চলে। তাঁরা বলেন, এ বিষয়ে তাঁদের নির্ণীত তিনটি সমীকরণের মধ্যে দুটি সমীকরণ সংবলিত একটি প্রবন্ধ কানাডার একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশের জন্য পাঠিয়েছেন, যা প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।
প্রধানত সার্নের বিজ্ঞানীদলের ফলাফল বাংলাদেশ এর দুই বিজ্ঞানীকে সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে সেই মতবাদকে সম্পূর্ণতাদান বা সম্প্রসারিত করার।তা না হলে কখনই সুযোগ আসতো না বাংলাদেশ এর এই দুই বিজ্ঞানীর। সার্নের ওই গবেষক দল এখন পর্যন্ত কোন সমীকরণ দাঁড় করাতে পারেনি কিংবা এ সংক্রান্ত কোন মৌলিক ধ্রুব সংখ্যাও নির্ণিত করতে পারেনি। সার্নের গবেষকদের এ ঘটনাটি বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হয় চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর।
এর আগে থেকেই তাঁরা (অধ্যাপক ওসমান গণি তালুকদার ও অধ্যাপক মুশফিক আহমেদ) সংবাদ সম্মেলন করে, বই প্রকাশ করে এবং প্রবন্ধ লেখাসহ নানাভাবে ঘোষণা দিয়ে আসছেন যে, বস্তুর বেগ আলোর বেগের চেয়ে বেশি হতে পারে এবং এ সংক্রান্ত নতুন সমীকরণ দাঁড় করানোসহ কিছু মৌলিক ধ্রুব সংখ্যাও আবিস্কার করেছেন ।
আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ভুল নয়, অসম্পূর্ণ- এটি প্রমাণ করতে ও নতুন সমীকরণের মাধ্যমে আপেক্ষিকতা তত্ত্বকে সম্পূর্ণ করার স্বপ্ন নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন আগে শুরু হয়েছিল দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সেমিনার। এই স্বপ্নের দুই মূল চরিত্র হলেন রাবির শিক্ষক অধ্যাপক ওসমান গনি ও অধ্যাপক মুসফিক আহমেদ।

সেমিনারে এই দুই গবেষক বলেন, বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের মতবাদ থেকে স্থান-সংকোচন, সময়ের বিস্তার, বস্তুর পরিবর্তন ইত্যাদি সংক্রান্ত কিছু সমীকরণ পাওয়া যায়। তাঁরা বলেন, আপেক্ষিকতা সূত্রে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন গাণিতিক সূত্র প্রয়োগ করে শুধু একটি অবস্থাকেই দেখিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে দুটি অবস্থানে দুটি সূত্র দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁরা বলেন, বিজ্ঞানী আইনস্টাইন ও বিজ্ঞানী লরেন্স শুধু বেগের ক্ষেত্রে যোগসূত্রটি দেখিয়েছেন। কিন্তু সময়, দৈর্ঘ্য, স্থান, ভর, ভরবেগ, শক্তি- এগুলোরও যে যোগসূত্র হয়, তা তাঁরা (ওসমান গণি তালুকদার ও মুসফিক আহমেদ) আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এসবের একটিরও গুণসূত্র দেননি। কিন্তু এগুলোরও যে গুণসূত্র হয়, তাও তাঁরা দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। এ ছাড়া এসবের যে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মান রয়েছে, তা বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলে যাননি। কিন্তু তাঁরা গবেষণা করে আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন যে এগুলোরও সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মান রয়েছে।
গবেষকরা বলেন, দীর্ঘ দুই দশক ধরে গবেষণা করে এ-সংক্রান্ত যে তিনটি সমীকরণ তাঁরা আবিষ্কার করেছেন, তা আপেক্ষিকতা বিষয়ে আইনস্টাইনের মতবাদের বিরোধিতা করে না, বরং আইনস্টাইনের মতবাদকে পূর্ণতা দেবে। তাঁদের আবিষ্কৃত এই সমীকরণগুলো কোয়ান্টাম মেকানিকসের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।

সেমিনার শেষে গবেষকরা বলেন, অধ্যাপক ওসমান গণি ও অধ্যাপক মুসফিক আহমেদ যদি তাঁদের দাবি প্রমাণ করতে পারেন, তবে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এই বিষয়ে আরো প্রচারের দরকার আছে বলে তাঁরা মনে করেন। তাঁরা আরো বলেন, এই বিষয়ে আরো সেমিনার করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ যাঁরা এই বিষয়ে উচ্চতর গবেষণা করেন, তাঁদের অংশগ্রহণ এখানে কম। যাঁরা এসেছেন, তাঁরা সবাই এই বিষয়ের গবেষক নন বলে অংশ নেওয়া গবেষকরা মন্তব্য করেন।

আব্দুস সাত্তার খান



১৯৪১ - ৩১শে জানুয়ারি, ২০০৮ বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত মহাকাশ গবেষক। কর্মজীবনে তিনি নাসা, ইউনাইটেড টেকনোলজিসের প্র্যাট এন্ড হুইটনি এবং অ্যালস্টমে (সুইজারল্যান্ড) কাজ করেছেন।
আব্দুস সাত্তারের গবেষণা এবং মহাকাশে তার প্রয়োগের জন্য তিনি নাসা, আমেরিকান বিমানবাহিনী, ইউনাইটেড টেকনোলজি এবং অ্যালস্টম থেকে অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ব্রিটেনের রয়েল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রির একজন পেশাদার রসায়নবিদ এবং নির্বাচিত ফেলো

আরও জানতে ক্লিক করুনঃ Click This Link

সূত্রঃ http://biggani.com/content/view/1082/108/
http://www.prothom-alo.com/detail/news/192101
http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=b08e734da5530d49252eb39eab2f2ba2&nttl=88043
http://bn.wikipedia.org/wiki/জগদীশ_চন্দ্র_বসু
http://www.bigganbangla.com/আমাদের-স্যার-জগদীশ-চন্দ্/#.UNPMLxgXKKo

http://biggani.org/category/বিজ্ঞানী-org-এর-খবর/page/2/

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-07-05/news/271449

http://bn.wikipedia.org/wiki/সত্যেন্দ্রনাথ_বসু
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৭
৫০টি মন্তব্য ৫০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই তো আছি বেশ

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১২:২১




বেশ হয়েছে বেশ করেছি
কানে দিয়েছি তুলো
জগত সংসার গোল্লায় যাক
আমি বেড়াল হুলো

আরাম করে হাই তুলে
রোজই দেখি পেপার
দেশ ভর্তি অরাজকতা
আচ্ছা!! এই ব্যাপার

কার ঘরেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাবনিক~২য় পর্ব (তৃতীয় খন্ড)

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৩৯


আগের পর্বের জন্যঃ Click This Link
ভোরের শুরু থেকে রাতের দ্বি-প্রহর পুরোটা সময় আমার এলিনার কাছে পিঠে থাকতে হয়। অল্প বয়সীরা যা হোক আকার ইঙ্গিত আর অতি ভাঙ্গা ইংরেজি বুঝে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্বিষ্ট

লিখেছেন শিখা রহমান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৪:৫৮


আজকাল কোন কিছুই আর অবাক করে না।
রাজপথে ফুটপাতে হেঁটে যাওয়া অগণিত মানুষের গল্প
খুব সাদামাটা মনে হয়;
কোন কবিতাই অবাক করে না আর,
উপমা-উৎপ্রেক্ষা শব্দের ব্যাঞ্জনা আশ্চর্য করে না আজকাল।

মহামারীতে উজাড় হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কথায় কথায় ধর্মকে গালি ও উপহাস করবেন না.........

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৫:১২

কথায় কথায় ধর্মকে গালি ও উপহাস করবেন না.........

ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সংখ্যালঘুদের উপর অনাকাংখিত হামলার জন্য যে কোন ধর্মকে গালাগালি করা বা ধর্মকে দোষারোপ করা বন্ধ করুন।

১। মুসলমানদের মধ্যে একদল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মীয়গ্রন্হ কে কিনতে পারবে, বহন করতে পারবে, কোথায় রাখতে পারবে?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২১



কে ধর্মীয় বই কিনতে পারবেন, পড়তে পারবেন, কোথায় রাখতে পারবেন, কোথায় ফেলে দিতে পারবেন, এই নিয়ে কোন নিয়ম কানুন আছে?

আমি বাংলাদেশের কথা জানি না, নিউইয়র্কের কথা বলি;... ...বাকিটুকু পড়ুন

×