
করোনাকালে ভ্রমন ব্লগ অনেক কমে গেছে স্বাভাবিক কারনে। এ ছাড়াও অনেকে ভ্রমন করেন তবে সময়ের অভাবে কিংবা অন্য কোন কারনে তা লিখতে পারেন না। এক সময় ভ্রমনের অনেক লিখা ব্লগে থাকত। এক বছরের লিখা গুলো একটা ব্লগের পাতায় দেয়া হত যা অনেকের প্রিয়তে আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমন নিয়ে অনেক ভ্রমন ব্লগ আছে যা এক করে আনলে বে মূল্যবান সংগ্রহ হতে পারে আমাদের এই দেশ সম্পর্কে। স্টেশন থেকে স্টেশনে যাওয়ার একটা সুন্দর সিরিয়াল ছিল। এভাবে নদীপথে ভ্রমনের কথা ও থাকতে পারে। নদী মাতৃক এই দেশে অনেকে নদীপথে ভ্রমন করেন, তারা তাঁদের কথা লিখতে পারেন। তাছাড়া ট্রেনে ভ্রমন, বাসে ভ্রমন যা নিত্যদিনের কাজের জন্য হচ্ছে তা ও কিন্তু ফেলে দেয়ার মত না, অনেক অভিজ্ঞতা এতে হয়। সাধারণ মনে হলেও তা অসাধারন। এখানে লিখার অভ্যাসটাই বড় কথা।
আমরা অতীত সম্বন্ধে অনেক কথা জানি কারন কেউ না কেউ তা লিখে গেছেন, তেমনি অনেক দেশ সম্পর্কে জানি পর্যটকদের লিখা থেকে। লিখার সাহিত্য মান একটু কম হলেও সেগুলো থেকে অনেক নতুন আইডিয়া পাওয়া যায় নতুন তথ্য জানা যায়।সারা বিশ্বের নানা দেশ নিয়ে কত লিখা রয়েছে, কত বই আছে এবং এগুলো থেকে আমরা সেসব দেশের কথা মানুষের কথা, জীবনের কথা তাঁদের পথঘাট সম্পর্কে জানতে পারি।
বাংলাতে ভ্রমন সাহিত্য সগৌরবে উপস্থিত, তবে দক্ষিণ আমেরিকা ভ্রমনের বাংলা বই প্রায় নাই। প্রবাসী বাংলাদেশীরা সেসব দেশ ভ্রমন করে এখন ও তেমন কিছু লিখেন নি বা বই আকারে প্রকাশ করেন নাই। বিশাল দেশ রাশিয়ার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ট্রেনে যাওয়া যায়। সেন্ট পিটার্স বার্গ থেকে ভ্লাদিভস্তক পর্যন্ত ট্রেনে ভ্রমন করা যায়। এটা ইউরোপ থেকে এশিয়া ভ্রমন। মস্কো, একতেরিনবার্গ, বৈকাল, কাজান হয়ে এই ট্রেন চলে। এই ট্রেনে হেলসিঙ্কি, মঙ্গোলিয়া, বেইজিং ও যাওয়া যায়। আমেরিকার ইস্ট কোস্ট থেকে ওয়েস্ট কোস্ট বাসে বা ট্রেনে যাওয়া যায়। নিউ ইয়র্কের পেন স্টেশন থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার সাক্রামান্ত পর্যন্ত এই ট্রেন চলে। আমেরিকান হাইওয়ে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বুক চিরে চলে গেছে, সেসব পথের ভ্রমন কথা বাংলায় পাইনি।
ভ্রমন নিয়ে এই লিখা ভ্রমন ব্লগ লেখকদের আরও উৎসাহিত করবে এবং ভ্রমন কারী সব ব্লগার তদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন এই আশা নিয়ে.........
ছবি নেট থেকে
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




