এই না হলে ৯০% মুসলমানদের দেশের সুযোগ্য মুসলমান প্রধানমন্ত্রী।
খবরে প্রকাশঃ //ব্লগ, ফেসবুক, ইন্টারনেট, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তিকারীদেরকে শনাক্ত করতে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। //
কিন্তু জানেন তো সরকারী কর্মচারীদের অভ্যাস কেমন! দেখা গেলো এইসব কমিটি ঠিক মত কাজই করবে না। তাই আসেন আমরা সবাই সরকারকে হেল্প করে দেশে ইসলাম মানেই শান্তি বজায় রাখি। আমরা যারা "ব্লগ, ফেসবুক, ইন্টারনেট, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে" বিচরন করি এবং আমাদের মধ্যে যাদের অনুভূতির এন্টেনা সংবেদনশীল, তাদের এন্টেনায় খুব সহজেই এই অবমাননা আর কুটুক্তিগুলা ধরা পড়ে। এই আমরা যদি এইগুলা কমিটিকে এসব লিস্ট করে জানিয়ে দেই তাহলে অনেক উপকার হবে।
আর যারা অনেক আগে থেকেই এসব অবমাননা আর কুটুক্তির স্নাপশট নিয়ে রাখছি তাদের সামনে তো বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পাওয়ার হাতছানি।
তবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন অবমাননাকারী আর কটূক্তিকারীদের শনাক্ত করতে। কিন্তু কিভাবে তা বলেন নাই। "আমার দেশ" যেমন নাস্তিকদের কিছু লেখা তাদের পত্রিকায় ছেপে দেশবাসীকে জানিয়ে দিয়েছেন কিভাবে ইসলাম আর নবীরে অবমাননা করতে হয়, তেমনি প্রধানমন্ত্রীও যদি কী কী করিলে ইসলামের অবমাননা হয়, আর কী কী বলিলে আল্লা আর নবীরে কুটুক্তি করা হয়, তার একটা লিস্ট আমাদের দিতেন, তাহলে আমাদের কাজ অনেক সহজ হয়ে যেত।
সকালের পোস্টটা গায়েব। ফেসবুক থেকে ৫ টা স্ট্যাটাস তুলে দেয়া হয়েছিল। সামুর মনে হয় নতুন শর্ত- ফেসবুক থেকে কপি করা যাবে না।
তবে এই পোস্টের সাথে সম্পর্কযুক্ত মনে হওয়াতে আগের পোস্টের কিছু অংশ এখানে না দেয়ার লোভ সামলাতে পারছি না-
*****
৯০% মুসলমানদের দেশে আবার ইসলাম অবমাননা হয় কী করে! দু-চারজন নাস্তিকদের কিছু সমালোচনা আর কুটুক্তিতে ধর্ম আল্লা নবীর কিছুই হয় না, কোন অবমাননাই হয় না। অবমাননা করে তারা যারা বলে অবমাননা হইছে। অবমাননা হয় তখন যখন কেউ বলে অবমাননা হইছে। অবমাননা হয় তখন যখন কেউ ধর্মরে নিজের স্বার্থের জন্য যেমন খুশি তেমন সাজায়, তেমন ভাবে ব্যবহার করে।
*****
জাগো বাঙালি জাগো!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



