কারন নাম্বার 1 : কী লিখব?
কারন নাম্বার 2 : লিখাই বা যদি ঠিক করে ফেলি, তখন প্রশ্ন জাগে, কেমন করে লিখব?
কারন নাম্বার 3 : অর্ধেক লিখলাম, বাবা ডেকে উঠলেন, "মা-এদিকে একটু আয়ত"। ফিরে এসে আর উৎসাহ থাকে না লেখার, মানে উৎসাহের অভাব।
কারন নাম্বার 4 : প্রাপ্তির ব্যাপারটা নেড়ে গেছে। এরকম আর কত হাজার প্রাপ্তি শুধুমাত্র প্রচারের অভাবে বিনা চিকিৎসায় ঝরে যাচ্ছে। মানে মন খারাপ একটা রোগ!
কারন নাম্বার 5 : নিজের ব্যাক্তিগত ব্যস্ততা
কারন নাম্বার 6 : যে যেরকম খুশী পোস্ট করে যাচ্ছে একের পর এক। কেউ বলছে ফ্লাডিং, প্রতিকার ও করছেন ফ্লাড করেই। রক্তের বদলা রক্ত আরকি! আমি কোন পক্ষের সাথে আছি বুঝতে পারছি না। মানে, কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
কারন নাম্বার 7 : পোস্ট করলেই কেউ না আবার কোদাল হাতে চলে আসেন, "কে কে কে, পুরাণ পাগলের ভাত নাই, নতুন পাগলের আমদানী"। মানে ভীতু আমি।
এইহল নিজের অপারগতা ঢাকার আপাতত কয়েকটা কারণ। এই সাইট টা, সাইটের মানুষ গুল কেমন জানি আপন আপন। প্রথমেই শাওন, সেইত আমাকে হাত খুলতে বল্লো (আমি ভয় ই পেয়ে গিয়েছিলাম যদিও)। হাসান, খুব উৎসাহ দিতে পারেণ বলে মনে হল, একটু গার্জিয়ান ভাব আছে মনে হয়
। শোহেইল ভাই, অনেক ভারি ভারি কথা বলেন ঠাট্টার মতো। হিমু সাহেব, খুব মজা করতে পারেণ মনে হয়, সুমন চৌধুরী, কঠিন ভাষা বুঝি না, আস্তমেয়ে-কঠিন তরলের একটা সংমিশ্রন, আর বাকিদের সাথে এখনো ওরকম করে পরিচয় হয়নি। ভালো পরিচয় না হলে কিছু বলাও ঠিক না। পরে আমার মাথা কাটা যেতে পারে
সবাই ভাল থাকবেন
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



