somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এ কেমন ভাল লাগা...কেন ভয়....?

২১ শে জুলাই, ২০১১ দুপুর ২:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লেখালেখির তেমন কোনো অভ্যাস নেই।তেমন না, কোনো অভ্যাস-ই নেই। তবুও চেষ্টা করছি কিছু অনুভূতি কে তুলে ধরার।

একটা সময় ছিল ভাল লাগার বস্তু বা ব্যক্তিকে না দেখলে অস্থির হয়ে যেতাম আর ভাবতাম কখন দেখব। তবে সেটা ছিল ছোটবেলা।বলা যায় Infatuation অথবা অনেকখানি পাগলামী। সারাক্ষন অদ্ভুত ভাল লাগায় ডুবে থাকা।প্রথম প্রথম সব কিছুই থাকে রঙিন।আর সাথে থাকে উত্তেজনা।

এখন তো বয়স অনেক হল।খুব বেশি ভেবে বসবেন না।ভাল লাগার বয়স আছে এখনো :)
তবে অদ্ভুত ব্যাপার হল এখন আর সেই পাগলামীটা নেই।যা আছে তা হল অনেক ভয়। এ এক অদ্ভুত ভাল লাগা।ভাবতে ভাল লাগে ,তবে তার সামনে যেতে অসম্ভব ভয় লাগে।ঘটনাক্রমে সামনে পড়েও গেলে মনে হয় এই বুঝি ভেতর থেকে নাড়ি ভূড়ি সব বের হয়ে আসবে এমন একটা মোঁচড় অনুভূত হয়।


তার যে হাসি, দেখলে মনে হয় এই হাসিটার জন্য তো সব কিছু করা যায়। নাক তো অসাধারন সুন্দর, আর খাড়া। চুল সুন্দর না হলেও ,খারাপ লাগে নি,যদিও সুন্দর চুলের প্রতি আমার অনেক দুর্বলতা।
চোখ দুটি খুব গভীর না হলেও, চোখে তাকাতে ভাল লাগে। দৃষ্টি তীঘ্ন না হলেও, চাহনী তে একটা সৌন্দর্য্য আছে।



দেখেছিলাম ৩/৪ মাস আগে।তারপর প্রায়ই দেখতাম।তবে কখনো Consciously অনুভব করিনি যে ভাল লাগে, ভাল লাগবে।তার কিছুদিন পর,সে চোখের আড়াল হয়ে গেল।আমিও, বলতে গেলে ভুলেই গেলাম তাকে।
কিছুদিন পর বন্ধু বলল, তাকে তো দেখলাম গুলশান এর দিকে যেতে রিক্সায়।তাও খুব ১টা কানে তুললাম না।সেমিস্টার শেষে Subject Registration এর দিন আবারও দেখা।বন্ধুর শত জোড়াজোড়িতে আর ভেতরে অনেক ভয় নিয়ে গেলাম কথা বলতে।সেদিন এর মত ভ্য়কে জয় করলাম, আর ভাবলাম আমাকে দিয়েই বুঝি হবে।

তার পর যখনই সামনে পড়ত,মনে হত পা দুটি মনে হয় ভেঙগে গুড়োঁ হয়ে যাবে,দু পা এর কম্পন আর সামলাতে পারি না।

এত ভয় কি আর সহ্য হয়?? তাই মনে মনে ভাবতাম,নিজের অজান্তে, আজ যেন সামনে না পড়ে। আর যদি পড়ে যেত, এড়িয়ে যেতাম।
এটা কেমন ভাল লাগা?


আবার একদিন সাহস করে কথা বলে বুঝলাম মানুষটাও অনেক Sweet.তবে কথা Continue করাই ছিল সবচেয়ে কঠিন কাজ।


প্রতিদিন বাসায় এসে ভাবতাম আবার যেদিন সামনে পড়বে, অবশ্যই কথা বলব। কথা তো দূরে থাক, দেখলে আমি নিজেই কেঁটে পরি ভয়ে।


আজ আবারো বন্ধুর জোড়াজোড়িতে সাহস করলাম কথা বলার।খুব কাছে গিয়েও ডাক দেয়ার সাহস হচ্ছিল না।শেষমেষহ,কথা বললাম।খুব হাসি মুখেই আমার সাথে কথা বলা হল।
বললাম কোন Floor এ যাচ্ছ?প্রথমে বলতে একটু দিধ্বা থাকলে পরে বলল 7th Floor। বললাম, যদিও আমার ক্লাশ নেই,তোমার সাথে যাব।

হেসে বলল- না থাক,আমি একাই যাই।কিছুটা নাছোড়বান্দা হয়ে গেলাম নিজের অজান্তে।
বললাম, একদিন ই তো, তোমাকে Company দিই ,চলো। দুই গাল ভরে হাসলো।


যখন নিচে নেমে আসলাম, কি যে খুশি লাগছিল কথা বলতে পেরেছি ভেবে।আবারো সাহস পেলাম।আর এখন চিন্তা করছি, আমাকেই দিয়েই হবে B-) হতেই, হবে :)

তবে,এত কেন ভয় সামনে যেতে?এত কেন ভয় কথা বলতে?কেন পারি না???












সুখ বিলাস, একজন সচেতন যুবক
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৫
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫



সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

ফরাসি ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- Cherchez la femme। অর্থাৎ, ‘সেই মেয়েটিকে খোঁজ’।

ফরাসি লেখক আলেকজান্ডার ডুমা (Alexandre Dumas) ১৮৫৪ সালে তাঁর উপন্যাস Les Mohicans de Paris-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩



তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে-

বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন রহস্যের আরেক নাম। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়াংসান থেকে জুলাইয়ের নতুন বন্দোবস্ত

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৯



Youngsan সিউলের ভিতরে আমেরিকান একটি মিলিটারি বেইস। মিলিটারি বেইসের ভিতরে বার্গার কিং, KFC, Macdonald সব আছে। কোরিয়ান ভিতরে সামরিক ঘাঁটি হলে ও মিলিটারি বেইসের ভিতরে প্রধান কারেন্সি ইউএস ডলার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

DNA — ঈশ্বর এবং প্রশ্ন ?

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১২



১. ক্ষুধা
পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছিল, বাড়ছিল মানুষের খাদ্যচাহিদা; কিন্তু সীমিত জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে উঠছিল।
মানুষ নির্বাচিত প্রজনন ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এমন ব্রয়লার মুরগির জাত তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×