রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আমি কিছু লেখলেও যা, না লেখলেও তা।
কারন, আকাশকে তো আর টেনে কেউ বড় বা ছোট করতে পারে না।
রবীন্দ্রনাথ অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের আকাশ। শুধু আকাশ না, একেবারে সাত আসমান।
তিতুমীর কলেজে যখন পড়ি ৯৭-৯৯ সালে তখন আমাকে সবাই গুরু'র চ্যালা ডাকতো। রবীন্দ্রনাথকে কোট কর কথা বলতাম তাই। এই ডাকটা মোটেও সুখের ডাক ছিলো না। গুরুর চ্যালি ছিলো আতেলীয় ভেবে আমাকে দেওয়া নাম। অথচ এই নামটাই কি না আমার জন্য প্রেরণা হয়ে গেলো! আমি ধীরে ধীরে রবীন্দ্রনাথ পড়তে পড়তে ফিল করলাম, তিনি রবীন্দ্রনাথ।
একবার এক রসিক বন্ধু আমাকে আমার বড়বেলায় মজা করে জিজ্ঞাসা করলেন, রবীন্দ্রনাথ হুয়িস্কি ফুয়িস্কি নিয়া কিছু লেখে নাই ভাইজনা?
আমি বল্লাম-
"অভয় দাও তো বলি আমার
wish কী–
একটি ছটাক সোডার জলে
পাকী তিন পোয়া হুইস্কি ।। "
তিনি বিশ্বাস করলেন না। হাসতে হাসতে বল্লেন, রবীন্দ্রনাথ পড়তে পড়তে নিমিষেই রবীন্দ্রনাথের মত করে লেখাও শিখে গেছেন!
আমি মনে মনে বল্লাম, "কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।" এর মত একটা লাইন নিজ থেকে লেখার পর যদি আমার মৃত্যু হয় তবে সেই মৃত্যুকেও বাঙ্গালী অমর করে রাখবে আমি জানি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



