somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওবায়দুল গণি চন্দন

১৬ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সময়: ১৫ অগাষ্ট, ২০১৪; রাত ২:০১। মোবাইলে ফোন আসলো।
- হ্যাঁ চন্দন দা বলেন।
- ধুর মিয়া, আমার এই নাম্বারও সেভ করে রাখছেন!
- হ্যাঁ চন্দন দা বলেন
- ঘুমান?
- নাহ ঘুম ভাঙ্গছে, বলেন
- কিছু না, এমনি।
- আরে ভাই বলেন, ফোনে ফোনে সল্ভ করতে পারবো?
- কিছু না অরুণ দা, আপনার কথা মনে পড়ছে, তাই ফোন দিলাম।
- এই রাত বিরাতে আমার কথা এত বেশী মনে পড়লো যে ফোন দিলেন?
- হ অরুণ দা, ঘুমান...
- ঠিক আছে চন্দন দা...
***
সময়: ২৫/৭/২০১২, রাত ১১:৩০
- হ্যাঁ চন্দন দা
- এই নাম্বার আপনে কেমনে জানেন?
- চন্দন দা আপনার পাঁচ টা নাম্বার আমার কাছে সেভ করা আছে।
- নাহ আইটি বিশেষজ্ঞদের সাথে তো মজা করাও টাফ।
- আমি বিশেষজ্ঞ না ভাই, গুগল বিশেষজ্ঞ।
- আপনকে কই?
- বাসায়
- আমি আপনার বাসার নীচে।
- বাসার নীচে আইসা জিজ্ঞাসা করতেছেন আমি কই?
- আচ্ছা আমি উপরে উঠতেছি।
- গেট তো বন্ধ হয়ে গেছে? কেমনে উঠবেন?

এর পর গেট খোলা হলো। দেখি চন্দন দা কম্পিউটারের সিপিইউ মাথায় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। ঠিক মাটি কাটার সময় যেভাবে মাথায় ভার নেয় সেভাবে। তারাহুড়া করে আমি সিপিইউটা নিতে চাইলাম। কিন্তু তিনি দিলেন না। এই ভাবেই আমার বাসায় ছয় তালায় সিড়ি বেয়ে উঠলেন। ওনার সিপিইউ নষ্ট, ঠিক করে দিতে হবে। আমি পড়লাম মহা বিপদে। বিয়ের পর বউ নিষ্ঠার সাথে যা করেছে তা হলো, আমার সব যন্ত্রপাতি, বই সব সের দরে বিক্রি করে দিয়েছে। বাসা এখন নিট এন্ড ক্লিন। একটা কী-বোর্ড পর্যন্ত নাই বাসায়। এখন কিভাবে কি করি? যাই হোক, অনেক ঝক্কিঝামেলা করে শেষ পর্যন্ত সিপিইউ ঠিক করা হলো। রাত দুইটার পর তিনি হাসতে হাসতে বের হয়ে গেলেন। যাবার সময় বল্লেন, অরুণ দা জীবন টা কী? শুধু স্মৃতি, এই যে একটা স্মৃতি রাইখা গেলাম।

***
সময়: বছর খানেক আগে, রাত ১১:৩০ প্রায়। অফিসের গাড়ীতে বাসায় যাচ্ছি। অফিসের নীচে চন্দন দার সাথে দেখা। বল্লাম, চন্দন দা চলেন এক সাথে যাই। তিনি রাজিও হয়ে গেলেন।
- অরুন দা আপনার জন্ম দিনটা জানি কবে?
- হঠাৎ জন্ম দিন কেন ভাই?
- ওমম...জুলাই এর শেষের দিকে।
তার পর তিনি আশে পাশে দুই একটা স্মৃতি জোড়া দিয়ে বলে দিলেন, আপনার জন্ম দিন জুলাই'র পচিশ তারিখ। জন্ম দিন বলতে পেরেছেন এই জন্য আমি অতটা অবাক হইনি। কিন্তু আশেপাশের এত তুচ্ছ স্মৃতিগুলো তারিখ, সময় মেপে এমন ভাবে বল্লেন যে আমি থ হয়ে উনার দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমার অবস্থা বুঝতে পেরে তিনি বল্লেন, স্মৃতি শক্তি আমার ভালো। তবে এই দিক দিয়ে আব্দুন নূর তুষার ভাই হইলেন প্রথম, আমি হইলাম দ্বিতীয়।
গাড়ী এয়ারপোর্ট ক্রস করার পর উনি বল্লেন
- অরুণ দা, আমার তো সিগারেট কিনতে হবে। পকেটে তো ভাংতি টাকা নাই।
- আমার কাছে ভাংতি টাকা আছে, নেন।
- ঐ মিয়া আপনার কাছ থেকে আমি টাকা নিবো কেন?
- ধার নেন
- ধার নিবো কেন?
- তো সমাধান কী?
- আপনে সিগারেট কিনে আমারে দেন।
- ঠিক আছে গাড়ী থামাই।
- নাহ গাড়ী থামানোর দরকার নাই
- তো সমাধান কী?
- এক কাজ করেন, গাড়ী ছেড়ে দেন।
সৃষ্টিশীল মানুষ একটু খেয়ালী হয়। ভাবলাম দেখি খেয়ালী মানুষের সাথে মিশে নিজেও একটু সৃষ্টিশীল হতে পারি কি না। রাজলক্ষীতে এসে গাড়ী ছেড়ে দিলাম। বল্লাম
- চন্দন দা, রিক্সা নেই?
- না, চলেন হাটি।
হাটা শুরু করলাম। মাঝে সিগারেট কিনে উনারে দিলাম। উনার বাসা চোদ্দ নাম্বারে। পুরাটা পথ হেটে হেটে উনার বাসার কাছাকাছি গেলাম। বাসার কাছে গিয়ে বল্লেন
- অরুণ দা আমার কাছে ভাঙ্গতি ছিলো না সত্যি। কিন্তু ভাঙ্গানো তো কোন বিষয় ছিলো না।
এই কথা বলে তিনি উনার বিখ্যাত সেই দুষ্ট দুষ্ট হাসিটা হাসতে লাগলেন। পরে বল্লেন-
- এমনি আপনার সাথে একটু আড্ডা দিতে ইচ্ছা করলো। অরুণ দা জীবন টা কী? শুধু স্মৃতি।
***
চন্দন দা, আমি আপনার একজন কলিগ মাত্র। এর বাইরে পরিচয় দেওয়ার মত আমি কিছু না। এই সত্যিকার অর্থে তুচ্ছ আমাকেও আপনি এতটা গুরুত্ব দিয়ে স্মৃতিতে বেঁধেছেন! কে বলছে জীবনটা শুধু স্মৃতি! কে বলছে শুনি? এই কথা আপনি কোথায় পেলেন? জীবনটাতো আড্ডা, মজা করা, কথা বলা, যুদ্ধ করা, বেতন না পেলে একটু হা পিত্যেস করা এই সবও। চন্দন দা আপনার কাছে ভাংতি না থাকুক। এই বাহানায় হলেও আমি মাঝে সুযোগ পেলে আপনার সাথে রাজলক্ষী থেকে চোদ্দ নাম্বার পর্যন্ত আড্ডা দিতে দিতে হাটতে চাই। চন্দন দা, মাত্র গত দিন রাত দুই টা এক মিনিটে আপনি আমাকে ফোন দিয়ে বলছেন, কিছু না অরুণ দা, আপনার কথা মনে পড়ছে, তাই ফোন দিলাম। আর আজ আপনি পারেন না শুধু স্মৃতিতে বেঁধে রেখে চলে যেতে। এইটা কোন নিয়মের মধ্যেই পড়ে না চন্দন দা, কোন নিয়মের মধ্যেই না।
সময়: ১৫ অগাষ্ট, ২০১৪; রাত ২:০১। মোবাইলে ফোন আসলো।
- হ্যাঁ চন্দন দা বলেন।
- ধুর মিয়া, আমার এই নাম্বারও সেভ করে রাখছেন!
- হ্যাঁ চন্দন দা বলেন
- ঘুমান?
- নাহ ঘুম ভাঙ্গছে, বলেন
- কিছু না, এমনি।
- আরে ভাই বলেন, ফোনে ফোনে সল্ভ করতে পারবো?
- কিছু না অরুণ দা, আপনার কথা মনে পড়ছে, তাই ফোন দিলাম।
- এই রাত বিরাতে আমার কথা এত বেশী মনে পড়লো যে ফোন দিলেন?
- হ অরুণ দা, ঘুমান...
- ঠিক আছে চন্দন দা...
***
সময়: ২৫/৭/২০১২, রাত ১১:৩০
- হ্যাঁ চন্দন দা
- এই নাম্বার আপনে কেমনে জানেন?
- চন্দন দা আপনার পাঁচ টা নাম্বার আমার কাছে সেভ করা আছে।
- নাহ আইটি বিশেষজ্ঞদের সাথে তো মজা করাও টাফ।
- আমি বিশেষজ্ঞ না ভাই, গুগল বিশেষজ্ঞ।
- আপনকে কই?
- বাসায়
- আমি আপনার বাসার নীচে।
- বাসার নীচে আইসা জিজ্ঞাসা করতেছেন আমি কই?
- আচ্ছা আমি উপরে উঠতেছি।
- গেট তো বন্ধ হয়ে গেছে? কেমনে উঠবেন?

এর পর গেট খোলা হলো। দেখি চন্দন দা কম্পিউটারের সিপিইউ মাথায় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। ঠিক মাটি কাটার সময় যেভাবে মাথায় ভার নেয় সেভাবে। তারাহুড়া করে আমি সিপিইউটা নিতে চাইলাম। কিন্তু তিনি দিলেন না। এই ভাবেই আমার বাসায় ছয় তালায় সিড়ি বেয়ে উঠলেন। ওনার সিপিইউ নষ্ট, ঠিক করে দিতে হবে। আমি পড়লাম মহা বিপদে। বিয়ের পর বউ নিষ্ঠার সাথে যা করেছে তা হলো, আমার সব যন্ত্রপাতি, বই সব সের দরে বিক্রি করে দিয়েছে। বাসা এখন নিট এন্ড ক্লিন। একটা কী-বোর্ড পর্যন্ত নাই বাসায়। এখন কিভাবে কি করি? যাই হোক, অনেক ঝক্কিঝামেলা করে শেষ পর্যন্ত সিপিইউ ঠিক করা হলো। রাত দুইটার পর তিনি হাসতে হাসতে বের হয়ে গেলেন। যাবার সময় বল্লেন, অরুণ দা জীবন টা কী? শুধু স্মৃতি, এই যে একটা স্মৃতি রাইখা গেলাম।

***
সময়: বছর খানেক আগে, রাত ১১:৩০ প্রায়। অফিসের গাড়ীতে বাসায় যাচ্ছি। অফিসের নীচে চন্দন দার সাথে দেখা। বল্লাম, চন্দন দা চলেন এক সাথে যাই। তিনি রাজিও হয়ে গেলেন।
- অরুন দা আপনার জন্ম দিনটা জানি কবে?
- হঠাৎ জন্ম দিন কেন ভাই?
- ওমম...জুলাই এর শেষের দিকে।
তার পর তিনি আশে পাশে দুই একটা স্মৃতি জোড়া দিয়ে বলে দিলেন, আপনার জন্ম দিন জুলাই'র পচিশ তারিখ। জন্ম দিন বলতে পেরেছেন এই জন্য আমি অতটা অবাক হইনি। কিন্তু আশেপাশের এত তুচ্ছ স্মৃতিগুলো তারিখ, সময় মেপে এমন ভাবে বল্লেন যে আমি থ হয়ে উনার দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমার অবস্থা বুঝতে পেরে তিনি বল্লেন, স্মৃতি শক্তি আমার ভালো। তবে এই দিক দিয়ে আব্দুন নূর তুষার ভাই হইলেন প্রথম, আমি হইলাম দ্বিতীয়।
গাড়ী এয়ারপোর্ট ক্রস করার পর উনি বল্লেন
- অরুণ দা, আমার তো সিগারেট কিনতে হবে। পকেটে তো ভাংতি টাকা নাই।
- আমার কাছে ভাংতি টাকা আছে, নেন।
- ঐ মিয়া আপনার কাছ থেকে আমি টাকা নিবো কেন?
- ধার নেন
- ধার নিবো কেন?
- তো সমাধান কী?
- আপনে সিগারেট কিনে আমারে দেন।
- ঠিক আছে গাড়ী থামাই।
- নাহ গাড়ী থামানোর দরকার নাই
- তো সমাধান কী?
- এক কাজ করেন, গাড়ী ছেড়ে দেন।
সৃষ্টিশীল মানুষ একটু খেয়ালী হয়। ভাবলাম দেখি খেয়ালী মানুষের সাথে মিশে নিজেও একটু সৃষ্টিশীল হতে পারি কি না। রাজলক্ষীতে এসে গাড়ী ছেড়ে দিলাম। বল্লাম
- চন্দন দা, রিক্সা নেই?
- না, চলেন হাটি।
হাটা শুরু করলাম। মাঝে সিগারেট কিনে উনারে দিলাম। উনার বাসা চোদ্দ নাম্বারে। পুরাটা পথ হেটে হেটে উনার বাসার কাছাকাছি গেলাম। বাসার কাছে গিয়ে বল্লেন
- অরুণ দা আমার কাছে ভাঙ্গতি ছিলো না সত্যি। কিন্তু ভাঙ্গানো তো কোন বিষয় ছিলো না।
এই কথা বলে তিনি উনার বিখ্যাত সেই দুষ্ট দুষ্ট হাসিটা হাসতে লাগলেন। পরে বল্লেন-
- এমনি আপনার সাথে একটু আড্ডা দিতে ইচ্ছা করলো। অরুণ দা জীবন টা কী? শুধু স্মৃতি।
***
চন্দন দা, আমি আপনার একজন কলিগ মাত্র। এর বাইরে পরিচয় দেওয়ার মত আমি কিছু না। এই সত্যিকার অর্থে তুচ্ছ আমাকেও আপনি এতটা গুরুত্ব দিয়ে স্মৃতিতে বেঁধেছেন! কে বলছে জীবনটা শুধু স্মৃতি! কে বলছে শুনি? এই কথা আপনি কোথায় পেলেন? জীবনটাতো আড্ডা, মজা করা, কথা বলা, যুদ্ধ করা, বেতন না পেলে একটু হা পিত্যেস করা এই সবও। চন্দন দা আপনার কাছে ভাংতি না থাকুক। এই বাহানায় হলেও আমি মাঝে সুযোগ পেলে আপনার সাথে রাজলক্ষী থেকে চোদ্দ নাম্বার পর্যন্ত আড্ডা দিতে দিতে হাটতে চাই। চন্দন দা, মাত্র গত দিন রাত দুই টা এক মিনিটে আপনি আমাকে ফোন দিয়ে বলছেন, কিছু না অরুণ দা, আপনার কথা মনে পড়ছে, তাই ফোন দিলাম। আর আজ আপনি পারেন না শুধু স্মৃতিতে বেঁধে রেখে চলে যেতে। এইটা কোন নিয়মের মধ্যেই পড়ে না চন্দন দা, কোন নিয়মের মধ্যেই না।
১৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×