
জিনিসটার প্রতি নজর পড়ছিলো অনেক আগে থেকেই। বস্তুটা হইলো প্রিয়'র জনসনের একটা তেলের বোতল।
ঘটনা হইলো, যারা আমার ল্যাপটপের ব্যাগটা দেখছেন তারা জানেন। সুই থেকে শুরু করে হেন দরকারী জিনিস নাই, যা এই ব্যাগে নাই। ছোট্ট করে কয়েকটা আইটেম বলি - আইপড, স্ক্রু ড্রাইভার, মাল্টিমিটার, মোবাইল চার্জার, পাওয়ার ব্যাংক, পোর্টেবল স্পিকার, ষ্টেপলার, কমন কিছু ঔষধ ...।
ব্যাগের মধ্যে সেপনিলের একটা হ্যান্ড সেনিটাইজারও ছিলো। ছিলো না শুধু একটা লিকুইড সোপ। প্রিয়'র ছোট্ট এই তেলের বোতলটার প্রতি তাই আমার একটা নজর আগে থেকেই ছিলো। কিন্তু প্রিয়'র মা'র কথা হইলো, তেল শেষ না হইলে এই বোতল তোমারে দেওয়া যাইবো না। আর কোন এক অদ্ভুৎ কারনে, ঘরের সব কিছুই শেষ হয়; শুধু প্রিয়'র এই তেলের বোতল কিছুতেই শেষ হয় না।
গতদিন আবারো মনে করায়ে দিলাম, বড় বোতল থেকে তেল না দিয়ে ছোট্টটা থেকে দাও, বোতলটা শেষ হউক! যথারীতি তিনি শুনেও না শোনার ভাণ করলেন। প্রিয়'র নানি'র দয়ার শরীর। তিনি ভাবলেন, জামাই এমন করে বলতেছে, দেই বোতলটা খালি করে দিয়ে দেই। তিনি এই বোতলের তেলটা বড় একটা বোতলে ঢাললেন। এবং ছোট্ট বোতলটা আমাকে দিয়ে দিলেন।
সমস্যা হইলো, বড় যে বোতলে তিনি তেলটা ঢাললেন, এই বোতলটা তেলের ছিলো না। এই বোতলটা ছিলো কলিগনি নামের একটা বেবি-পারফিউমের। তার মানে তেলও গেলো, পারফিউমও গেলো।
আমার সাথে প্রিয়'র মা কেমন ব্যবহার করেন, তার একটা সেম্পল প্রিয়'র নানু পাইলেন। আম্মু বুদ্ধিমতী, তিনিও আমার মত চুপ করেই রইলেন। মুখে টু শব্দটাও করলেন না। এই ফাঁকে চুপি চুপি আমি বোতলটা ক্লিন করে তাতে লিকুইড সোপ ভরে ব্যাগে রেখে দিলাম।
আহা শান্তি
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





