somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেলী বিবি!!

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শান্ত বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে এল। একটু আগে হালকা বৃষ্টি হয়ে গেলো। দিনের বেলায় আর যাই লাগুক, সন্ধ্যা বেলার বৃষ্টিস্নাত এই কুমিল্লা শহরকে খুব মোহনীয় লাগছিল। সারাদিনের অনেক ব্যস্ততার পরে বৃষ্টিস্নাত এই শহরের গলিতে পা চালাতে ভালোই লাগছিল। সড়কবাতি আর মার্কেটের ঝলমলে আলো প্রতিফলিত হচ্ছিল পিচঢালা রাস্তার জমানো পানিতে। আমি আর আমার সহকর্মী-বন্ধু ইফতি হেঁটে চলছিলাম কুমিল্লা সদর সার্কেল এ এস পি অফিসের দিকে। সারাদিনের ক্লান্তি আর জিম বয় ইফতির জিমের ক্লান্তি নিমেষেই মিশে গেলো টলটলে জমানো পানিতে আর মৃদু ঠাণ্ডা হাওয়ায়। দু’জনের খুব ইচ্ছে হচ্ছিল ধর্মসাগর পাড়ে এই নীরব আবছা সন্ধ্যায় আড্ডা দিতে। বৃষ্টি শেষে কেমন রূপ ধারণ করে এই জায়গাটি তা দেখার ইচ্ছে হচ্ছিল। কিন্তু আগে অফিসের কাজ সারতে হবে...।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে আমরা স্যারের রুমে পৌঁছালাম। স্যার খুব ব্যস্ততার কারণে বাহিরে যাচ্ছিলেন। আমাদের কে বসতে বলে উনি বেড়িয়ে গেলেন। সন্ধ্যার পর অফিসে আসলে অনেক ভিন্নধর্মী কিছু চিত্র দেখা যায়। কত রকমের মানুষ কত রকমের সমস্যা নিয়ে আসেন!!

সন্ধ্যা পরবর্তী নীরবতা আর বৃষ্টি পরবর্তী শূন্যতা অনুভূত হচ্ছিল যেন। কখনো ফেইসবুক আর কখনো অফিস রুমের টিভির চ্যানেলগুলো পাল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখছিলাম। হঠাৎ আমার চোখ গেলো দরজার দিকে। দেখলাম একটা ষাট এর কাছাকাছি বয়সের মহিলা দরজা দিয়ে খুব দ্রুত প্রবেশ করছে। পরনে একটা পুরানো কাপড় আঁটসাঁট করে পরা। মাথার পাকা চুলগুলো উঁচু করে বাঁধা, অর্ধ ঘোমটা দেয়া। দৃষ্টিতে তাঁর এক অদ্ভুত তীক্ষ্ণতা। চোখের পাপড়ি আর ভ্রুগুলোও পাকা। দ্রুত পায়ে আমার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে এগিয়ে আসছিলেন তিনি। এর আকস্মিকতা দেখে আমি প্রথমে খুব ভয় পেয়ে যাই, গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠে। ওপাশে ইফতি ছিল আমি ভুলেই গিয়েছিলাম। একবার ইচ্ছে করল চিৎকার দেই। চিন্তা শেষ হতে হতেই তিনি আমার ঠিক সামনে এসে দাঁড়ালেন। মনে হল- এই বুঝি গলাটা চেপে ধরল!! আমি যেন কোন হরর ফিল্মের হরর দৃশ্যের চরিত্র। আমার একেবারে সামনে এসে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে গম্ভীর আর কিছুটা অদ্ভুত গলায় ওপাশের বড় চেয়ারের দিকে দেখিয়ে বললেন-

- ভাইয়ে, কই?!
- কি... কে... কাকে চান? কোন ভাই? (ভয় কাঁপা কাঁপা আর শুকনো গলায় জিজ্ঞাসা)
- ভাইয়ে...............!! (চোখ বড় আর বিরক্তি নিয়ে আবার জিজ্ঞাসা)
- উনি বাইরে।

উনি অদ্ভুতভাবে তাকিয়েই থাকলেন। আমি আরও ভীত হয়ে উঠি। তারপর এক মহা বিরক্তি নিয়ে ধুররর!! বলে দ্রুত রুম ত্যাগ করে চলে গেলেন। আমার যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল। পাশ থেকে একটু চাপা হাসি কিন্তু একদম স্বাভাবিকও না। তাকিয়ে দেখি ইফতি হাসছে, তবে তার মধ্যেও কিছুটা ভয় ভাব ছিল। বিষয়টা যে একদমই স্বাভাবিক ছিল না সেও স্বীকার করল। আমি ছাড়াও যে রুমে আরও একজন লোক ছিল ভুলেই গিয়েছিলাম। মহিলাটি চলে যাবার পর আমরা আলোচনা করছিলাম- কে হতে পারেন উনি!! আমাদের হিসেব-নিকাশ শেষ হতে না হতেই পনের-বিশ মিনিট পর তিনি আবার আসলেন এবং আবার ঠিক আগের মতই রুমে ঢুকতে লাগলেন। আমি এবার সাহস নিয়েই বড় গলায় জিজ্ঞাসা করলাম –

-আরে, আপনি কাকে চান? কি চান?
কোন উত্তর না দিয়ে তিনি আগের মতই অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। একবার আমার দিকে, একবার ইফতির দিকে। পাশ থেকেই এবার ইফতিও জোর গলায় বলে উঠল-
- কি আজব!! উনি কথা বলছেন না কেন?
এবার মহিলাটির কণ্ঠটাও যেন কিছুটা নরম হল এবং মিন মিন-অসহায় গলায় বলতে লাগলো-
- ভাইয়ের কাছ থেকে একশডা টেহা নিতাম! কখন আইবো?

আমরা ভাবছিলাম কিসের টাকা? এত অদ্ভুত আর ভৌতিক বেশভূষা আর আচরণ কেন?! এমন করে ভাই ভাই বলছিল, মনে হচ্ছিল - কত না জানি আপন! এরপর ভাবলাম সাহায্য চাইতেই আসছে হয়তো! কিন্তু............! হঠাৎ একটা নেমপ্লেট এর দিকে আমাদের দৃষ্টি গেলো। ওনার বুকের একপাশে ওখানে লেখা- বেলী বিবি, কুমিল্লা বাস স্ট্যান্ড। আমরা খুব আবাক হই। একে অন্যের দিকে তাকাই কিন্তু কিছুই বুঝতে পারিনা। আমরা ওনাকে অপেক্ষা করতে বললাম। উনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চেয়ারে গিয়ে বসলেন অনেকটাই নবাবী স্টাইলে। রুমের এটা সেটা নাড়াচাড়া করে দেখতে লাগলেন,ভাবখানা এমন যেন তাঁর নিজের ঘরের জিনিস। মাঝে মাঝে কিছু জিনিস মুছে দিচ্ছেন আর কি কি যেন বলছেন। যেন কতদিন পর ভাইয়ের কাছে আসলেন আর নিজের ঘরের অগোছালো এলোমেলো জিনিসগুলো পরম যত্নে মুছে দিচ্ছেন। আমারা অবাক হই আর মুচকি মুচকি হাসছি। এরপর টিভির একেবারে সামনে গিয়ে বসে এক নজরে সংবাদ দেখছিলেন আর মনে মনে হাসছিলেন। এদিকে ওনাকে নিয়ে যে আমরাও অদ্ভুত ভাব নিয়ে হালকা হাসাহাসি করছি সে দিকে তাঁর কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। মনে মনে আমাদের একটিই প্রশ্ন - কে এই বেলী বিবি?!! আবার ভাবলাম যেহেতু বাসস্ট্যান্ড লেখা তাহলে বোধ হয় ওখানে কাজ-টাজ করে।

কিছুক্ষণ পর অফিসের স্টাফ সোহাগ এসে ঢুকল। আমরা দুজনই সোহাগকে জিজ্ঞাসা করি-
আমিঃ এই মহিলা কে? কি কি যেন বলছে!!
ইফতিঃ বেলী বিবি কেন? বাসস্ট্যান্ড কেন? কে উনি?
সোহাগঃ - স্যার ওনাকে চিনেন না!! উনি অনেক ভালো একজন মানুষ- পুলিশ ফ্রেন্ড (হেসেই উত্তর দিচ্ছিল ও)
আমরাঃ ভাল মানুষ!!!!! (অদ্ভুত ও অনেকটাই প্রতিবাদী কণ্ঠের জিজ্ঞাসা দু’জনের)

সোহাগঃ হ্যাঁ, স্যার। পুরো কুমিল্লা জেলায় যে কোন থানায় উনি গেলে সবাই ওনাকে খুব আদর-সমাদর করে। উনিও এই বৃদ্ধ বয়সে যতটুকু সম্ভব বিভিন্ন কাজে হেল্প করেন। সবাই ওনাকে খুব ভালো ভাবে চিনেন। সবগুলো থানায় ওনার ঘরের মানুষের মতই বিচরণ।
আমিঃ ওনার ওখানে বেলী বিবি আর বাসস্ট্যান্ড লেখা কেন?
সোহাগঃ স্যার!! বেশ কয়েক বছর আগে একদিন দায়িত্বরত অবস্থায় পুলিশের রাত্রিকালীন টহল গাড়িতে ওনার একমাত্র ছেলে এক্সিডেন্ট করে মারা যায়। তারপর ওনাকে সরকার এবং পুলিশের কাছ থেকে সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে এবং পরবর্তীতে ওনাকে সাহায্য করতে গেলে উনি সাহায্য নিতে রাজি হন নি। খুব সহজ-সরল স্বীকারোক্তি দিয়ে বললেন- আল্লা, এভাবেই হয়তো ওর মরন লেইখা রাখছে। জরিমানা নিয়া কি করুম! আমার পোলারে তো আর পামুনা। আমি পুলিশের কাছ থেকেই দরকারে সাহায্য নিমু। অনেকে ওনাকে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করার পরামর্শ দেন। কিন্তু উনি তা না করে পুলিশ করে বন্ধুতেই পরিনত করে নিলেন।

শুনে আমরা ভীষন অবাক হই আর এতক্ষণ মনের ভেতরে দানাবাঁধা বিভিন্ন সন্দেহ আর ভয় যেন নিমিষেই কর্পূরের মত উবে গেলো। মনে মনে একটা মায়া আর সম্মান কাজ করতে লাগলো বেলী বিবির উপর। এতগুলো কথা হচ্ছিল ওনাকে নিয়ে, এদিকে ওনার যেন কোন খবরই নেই। যেন এই মেকি দুনিয়ার মেকি হিসাব মেলানোর সময় আর ইচ্ছা কোনটাই নেই ওনার, যেন প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কালের অমোঘ ও অবধারিত পর্বটির জন্য- শেষ পরিনতির জন্য। সোহাগ বলে যেতে লাগলো-

- স্যার। এই যে নেমপ্লেট টা দেখতেছেন, এইটা পুলিশের পক্ষ থেকে দেয়া। কুমিল্লার কোন বাসে উঠলে তাঁর কাছ থেকে ভাড়া নেয়া হয় না। যেখানে, যে থানায় খুশি বিনা ভাড়ায় যেতে পারেন। পরিবহন লাইনের সবাইও মোটামুটি জানেন বিষয়টা। ওরাও খুব ভালো জানেন ওনাকে। ওনার যখন যা দরকার- একশ, দুইশ বা পাঁচশ টাকা উনি এসে চেয়ে নিয়ে যান। পুলিশের বিপদে এই বৃদ্ধ বয়সেও এগিয়ে আসেন!

আমাদের চোখ চলে গেলো বেলী বিবির দিকে। তিনি তখনো একমনে টিভিই দেখছিলেন। সম্ভবত কানে একটু কম শোনেন। মনের অজান্তেই আমাদের দুজনের হাতই চলে যায় মানি ব্যাগের দিকে। মাথায় আসে ওনার একশ টাকার কথা। দুজনই পঞ্চাশ টাকার দুইটা নোট দিয়ে যখন একশ টাকা সোহাগের হাতে দিয়ে ওনাকে দিতে বলি। সোহাগ যে ওনাকে ডাকছে সেদিকে অনেক পরে খেয়াল হল তাঁর। তিনি যেন একমনে তাঁর ভাইয়ের জন্যই অপেক্ষা করতে লাগলেন। পরে যখন তাঁর হাতে টাকাটা দিয়ে আমরা দিয়েছি বলা হল, উনি আমাদের দিকে তাকিয়ে অত্যন্ত খুশি মনে এবং একরাশ পরিতৃপ্তির হাসি হেসে টাকাটা হাতে নিলেন। এই এতটুকুন চাহিদার মানুষ তাঁর চাওয়া পূরণ হতে দেখে কি মহাখুশি না হলেন!! উনি খুব বেশি বেশি আসেন এমনও নয়। দরকার বা বিপদে পড়লেই নাকি আসেন। শুধু নিজের সমস্যায়ই নয়, পুলিশের বিপদের দিনেও তিনি ছুটে আসেন। যে পুলিশের গাড়িতে তাঁর একমাত্র ছেলের মৃত্যু হয় সে পুলিশেকে শত্রু না ভেবে করে ফেললেন পরম বন্ধু। যেন ঘরেরই মানুষ! এই সল্প চাহিদার মানুষগুলোই যেন বারবার বিধাতার কাছ থেকেও ঠকে! পরে ওনাকে আরও সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে আমরা বেড়িয়ে আসি। একটু সাহায্যের আশ্বাস আর আগামী ঈদে সাহায্যের কথা শুনে তাঁর চোখের কোনে যেন ছলছল করে উঠল আর ক্ষণিক তৃপ্তিতে চোখেমুখে এক অদ্ভুত কিন্তু স্বর্গীয় আভা ফুটে উঠল। বারবার মনে পড়ছে একশ টাকা হাতে তাঁর সেই নির্মল, নিখাদ হাসিটা। যার দাম হয়তো টাকায় কেনার মত নয়! অদ্ভুত এক মায়া ঝরে পড়ছিল যেন তাঁর চোখেমুখে!

এটা কোন গল্প নয়! কুমিল্লায় আসলে বা যারা আছেন হয়তো কখনো এই বেলী বিবি কে আপনাদেরও চোখে পড়বে!! ভালো থাকুক এই বেলী বিবিরা। অতি স্বল্প চাহিদার এই নিঃস্বার্থ মানুষগুলো খুশিই থাকুক সবসময় আর ছড়িয়ে দিক তাদের সাহায্যের হাত সবার দিকে, ভালোবাসার সুধা! বিনিময়ে পাক সবার একটু ভালবাসা, এটাই প্রত্যাশা। বেলী বিবিরা এমনই! ওদের ভালবাসায়, আন্তরিকতায় কোন ছল থাকেনা, স্বার্থ থাকেনা। ভালোবাসার একটু মূল্য পেলে নিজের জীবন বাজি রাখতেও পিছপা হন না!!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৪
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মনের ঘোর গেলো না (উৎসর্গঃ প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়ের)

লিখেছেন চারাগাছ, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩১




আমার মনের ঘোর গেলো না


উৎসর্গ

প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরের স্মৃতির প্রতি।

তিনি নেই। অনেক বছর হলো।

তবু তাঁর ব্লগে ঢুকলে মনে হয়, কোথাও যেন কিছুই থেমে নেই। লেখাগুলো আছে, শব্দগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

জঙ্গল পরিষ্কার করে সাপ তাড়ানাে...

লিখেছেন অপলক , ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪১

নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে: পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে বসবাসকারী স্থায়ী হিন্দু অধিবাসীরা চাইলে খুব সহজে তাদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। যদি এই খবরটা সত্য হয়, তবে বাংলাদেশের জন্য সেটা মারাত্মক ভয়ঙ্কর ঘটনা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি’কে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল বলার কোনো কারণ নাই!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৩



জাতীয় সন্মাননা কি কোনো গোপন বিষয় । একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা’কে গার্ড অফ অনার দিতে এত অনীহা কেনো বর্তমান সরকারের ‼️

আজ বারবার আমার গোআ’র কুপুত্রের একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাড়ে হাজার বিজ্ঞানী এবং একটি স্ক্যামের গল্প

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২৮


জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সেই সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের অংশ হিসেবে পাকিস্তান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘নলেজ করিডোর’-এর আওতায় আল্লামা ইকবাল বৃত্তি চালু করে। ২০২৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮


হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

জাপানের এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের একটি পোস্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হাসাহাসি চলছে। আমার মনে হয়, হাসির আড়ালে আসল প্রশ্নটা চাপা পড়ে যাচ্ছে।

ঘটনাটা কী
প্রধানমন্ত্রী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×