সরকার আর বিরোধী আমাদের নিয়ে বহুতদিন ধরে কাবাডি খেলছে। নাগরিক হিসেবে ব্যাপারটা আর সহ্য হচ্ছে না। হিসাব করলে দেখা যাবে ১৫ বছরে একেক টা নেতা বিল গেটস এর কাছাকাছি চলে গেছেন, কিন্তু দেশ এখন আজম খানের রেললাইনের বস্তির চিপায় পরে আছে। বাংলাদেশ নাকি গরিব দেশ, এই চাপাবাজি শুনছি আজ ২০ বছর হল, যখন চোখের সামনে দিয়ে নেতারা মার্সিডিজ, বি এম ডব্লিউ চালাইতে দেখি তখন সৃষ্টিকর্তার কসম দিয়ে বলছি মন চায় মাঝরাস্তায় গাড়ী থামায় জিজ্ঞেস করি ‘বেটা এত টেকা পাইলি কই!’ হায়রে আমাদের দেশের নেতারা তাদের কিছু বলাও যায় না, আমাদের ই সন্তান। কিছু বললে আবার তেনাদের ভারাটে বাহিনি ধরে ছেচবার জন্য রেডি হয়ে থাকে! আমাদের কপালটাই খারাপ, দুই ডেসপারেট হাউসওয়াইফ(দুই নেত্রী) এর মাঝখানে পরসে ১৬ কোটী জনতা। এই দুই মহিলা মিলে সারাটা দিন একে অপর কে দোষারোপ করে, ভুল ঠিক ক্যামনে করে এই বুদ্ধি কারো মদ্ধেই নাই। দেশটা কে ১৫ বছর ধরে এক সেন্টিমিটার ও আগাইতে পারে নাই। দেশ একধাপ আগায় তো জনগন দুই ধাপ পিছায়। আমরাও জনগন, জনগন মানে যে পাবলিক এটা বুঝিয়ে ছেড়েছি, তাও আবার এমন তেমন পাবলিক না, আমাদের চায়ের আড্ডার দোকানের মামার ভাষায় ‘জনগন হইল গিরিঙ্গি লাগা পাবলিক!’ এখানে সেখানে ময়লা ফেলা, বিদেশিদের ইট মারা ইত্যাদি কাজে আমরা সিদ্ধহস্ত। এই ‘গিরিঙ্গি লাগা পাবলিক’ ট্যাকেল দেয়ার জন্য আমাদের আবার আছে ‘গিরিঙ্গি লাগাইন্না পুলিশ বাহিনী’; এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল সবসময় সিনেমার লাস্ট সিন এ এন্ট্রি মারা। এরা সারাজিবন আমাদের একই পারফরমেন্স দেখিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেখাবে।
রাজাকারদের বিচার তো একটা বহুল আলোচিত টপিক! আমরা শুনলেই ৯০ ডিগ্রি এঙ্গেলে লাফ দিয়া উঠি! রাজাকারদের বিচার হয়নাই! কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন ছিল; রাজাকার রা যা করেছে সব যুদ্ধের আগে। আর যুদ্ধের পরে যে আমাদের দেশকে কুরে কুরে খাচ্ছে নেতারা তাদের কি হবে? রাজাকাররা শাস্তি পাবে, আর এই মডার্ণ রাজাকাররা কি সারাজীবন মজা লুটবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



