নিজের জায়গা থেকে একটু প্রতিবাদ করুন।
কতদিন আর দেখেও না দেখার ভান করবেন। ঢাকা শহরে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল গন পরিবহন সমস্যা ।
সিটিং সার্ভিসতো তার নীতি মেনে চলে এখানে প্রশাসন এর বেধে দেয়া নিয়ম নীতির তোয়াক্কা নাই।
এবার আসি লোকাল সার্ভিসে, এরা আছে বলে হয়তো এখনো ঢাকাতে চলাচল করতে পারি।
আমি মুল যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইছি তা হল এদের যাত্রী ঠকানো বা বেশি ভাড়া আদায়।
আমি অনেক সময় লক্ষ করেছি,নতুন গন্তব্যের যাত্রিদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া আদায়।যাত্রী কন্টেক্টরের কাছে জানতে চায় ভাড়ার পরিমাণ। কন্টেক্টর তার সুবিধা মত ভাড়া আদায় করে নেয়। আমরা দেখেও না দেখার ভান করি।কেন ভাই এই নীরব দর্শক, একটা বার মুখ ফুটে বলুন না এই মামা আপনি ওনার কাছ থেকে বেশি ভাড়া নিলেন কেন।আমরা দেখি আর মনে মনে হাসি, হয় ঢাকাই নতুন অথবা এই রোডে নতুন। ক্যান ভাই মনে মনে না হেসে একটা বার বলুন না বেশি ভাড়া রাখলেন কেনও। সত্যি কথা আপনার একটা প্রতিবাদ দেখে আর কিছু না হলেও পাশের যাত্রীটি অনুপ্রাণিত হবে পরে সেও প্রতিবাদ করবে, তারও ঘুমন্ত বিবেক জাগবে।

কিছু দিন আগের কথা খামার বাড়ি থেকে মিরপুর শেওড়া পাড়া আসছিলাম।খামার বাড়ি থেকে শেওড়া পাড়া, কাজীপাড়া এমন কি মিরপুর ১০, ১১, ১২ পর্যন্ত ভাড়ার পরিমাণ ১০(দশ) টাকা।যথা রীতি আমার সামনের একজন যাত্রী ৫০ টাকার একটা নোট দিয়ে বলল ২ জন ১০ নাম্বার যাবে। সে ৫০ টাকার নোট টা নিয়ে একটু দেরি করে সামনে এগিয়ে আমার কাছে এসে ভাড়া চাইলো, আমি বললাম সামনের লোকটার কাছ থেকে কত টাকা রাখলা, একটু থমকে গিয়ে টাকা উপরে নিচে করে বলে অহ ৫০ টাকা দিয়েছে আমি খেয়াল করি নাই। আমার পাশের যাত্রী টাও তখন বলছে ওই তুমিতো ইচ্ছে করে বেশি টাকা রাখলা আমিও দেখলাম।তখন কন্টেক্ট তারা হুড়া করে ওই যাত্রিকে ৩০ টাকা ফেরত দিল। নিজের ভুলটা স্বীকারও করে নিলো।আরও অনেকবার এই ঘটনার মুখ মুখি হয়েছি।
অপরাধ ছোট কিংবা বড় অপরাধ অপরাধই।তাই আসুন নিজের জায়গা থেকে যতদূর পারি ছোট বড় অপরাধের প্রতিবাদ করি। কিছু না পারলেও অপরাধীদের ঘৃণা করি।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



