ইমাম শাফেয়ী রহ. এর অমিয় বানী
১.ইমাম শাফয়ী রহ. এর বংশ ধারাবাহিকতা ।
আবু আবদিল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইদরীস ইবনুল আব্বাস ইবনে উসমান ইবনে শাফি’ ইবনুস সায়েব ইবনে উবাইদ ইবনে আবদ ইয়াজিদ ইবনে হাশেম ইবনুল মুত্তালিব ইবনে আব্দুল মানাফ ।
আবদে মানাফের সূত্র ধরে ইমাম শাফেয়ীী রহ. এর বংশধারা গিয়ে রসুল স. এর সাথে মিলিত হয় ।
ফায়দা : মুত্তালিব ও হাশেম এরা উভয় ছিলেন আবদে মানাফ এর সন্তান ।তাঁরা উভয়ে পরষ্পর আপন রক্তেরভাই ছিলেন । হাশেম মদীনার এক নারীকে বিবাহ করেন ।তার ঘর থেকে একটি সন্তান জন্ম নিল সেই বাচ্চার নাম রাখা হলো “শাইবাতুল হামদ”।এই বাচ্চাটিই অবশেষে আব্দুল মুত্তালিব নামে খ্যাতি লাভ করেছে এবং তিনিই ছিলেন রসুল স. এর দাদা আব্দুল মুত্তালিব ।
যার মূল ঘটানা হলো এ রূপ যে , হাশেম ব্যবসার উদ্যেশ্যে সিরিয়ায় যান এবং সেখানেই ইন্তিকাল করেন । হাশেমের ভাই মুত্তালিবের এই চিন্তা আসে যে, আমার ভাতিজা “শাইবাতুল হামদ” মদীনা মুনাওয়ারায় রয়েছে ।তাকে মক্কা মুকাররমায় নিয়ে আসব যাতে নিজ খান্দানে তার লালন পালন হয় । শাইবাতুল হামদ তখন সমঝদার বালক । তাই তার মা তাকে চাচার সাথে পাঠিয়ে দেন । এই মুত্তালিব যখন নিজ ভাতিজা “শাইবাতুল হামদ” কে নিজের সওয়ারির পেছনে বসিয়ে মক্কায় নিয়ে আসেন তখন কেও কেও বলে উঠল এটি আব্দুল মুত্তালিব অর্থাত মুত্তালিবের দাশ । এভাবেই তার এই নাম প্রসিদ্ধ হয়ে পড়ে আর কেও কেও বলেছে মুত্তালিব যেহেতু নিজের ভাতিজা “শাইবাতুল হামদ” কে লালন পালন করছেন তাই তার প্রতি তার অনুগ্রহের কারণে তাকে “আব্দুল মুত্তালিব” বলা হতো কারণ জাহেলিয়াত যুগে এধরনের লালন পালনের ক্ষেত্রে এই উপাধিই প্রসিদ্ধ ছিল ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১২:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




