কয়েক দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি পরীার পড়া পড়তে গিয়ে ইন্টারমিডিয়েটের পেীরনীতি বই উল্টাতে হয়েছিল। আমার মেট্রিক-ইন্টার সাইন্সে, কাজেই পেীরনীতি, ইতিহাস এসব বইগুলো আগে দেখা হয়নি। পেীরনীতি বইটাতে চোখ বুলিয়ে দেখলাম, বইটা সাংঘাতিকভাবে পক্ষপাত দুষ্ট। এসব বিষয় সম্পর্কে লেখার আগে সাবধানতার সাথে নিরপেভাবে লেখা উচিৎ, কারন এগুলোর সাথে নিজেস্ব দৃষ্টিভঙ্গি জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশী।
বইটাতে বিভিন্ন ধরনের সরকার ব্যবস্থা আলোচনা করতে গিয়ে গনতন্ত্রের পরই সমাজতন্ত্রের কথা তোলা হয়েছে। কি অদ্ভুত! অথচ বর্তমান বিশ্বে এক চীন বাদে উল্লেখযোগ্য কোন সমাজতন্ত্র নেই, তাও চীনকে আবার পুজিবাদী ও সমাজতন্ত্রী দু দলই নিজেদের বলে দাবী করে। বইটিতে কোথাও ইসলামী রাষ্ট্র বা ইসলামী সরকারের কোন চিহ্নই নেই, অথচ বর্তমান বিশ্বে ইসলামী রাষ্ট্রের সংখ্যা একাধিক, আর ইসলামি বিচার ও শাসন পদ্ধতি আছে এমন রাষ্ট্রও আছে কয়েকটি। বিশ্বের প্রতিটি দেশে ইসলামি আন্দোলন আছে, অনেকগুলো দেশে (যেমন মিশর, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, বাংলাদেশ, তুরস্ক) ইসলামপন্থিরা দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি। ইসলামি রাজনীতি আজ অনিবার্য বাস্তবতা এবং বলা যায়, ট্যক অব দ্যা ওয়ার্ল্ড। রাজনীতির পথ হিসেবে আলোচনা করতে হলে অবশ্যই গনতন্ত্রের পরই ইসলাম আসা উচিৎ।
এছাড়া আমাদের সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বইয়েও ইসলামী সমাজ ও ইসলামী অর্থনীতি সম্মন্ধে প্রয়োজনীয় ডিটেইলস আলোচনা করা হয় না। আর ইসলামের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচারের কারনে নানা ভুল ধারনা বাসা বাধে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


