somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ছন্নছাড়া বেনজামিন আবির
আমি খুব সহজে মানুষকে ভালোবেসে ফেলি এবং তাদের খুব কাছে চলে আসি। যখন দেখি তারা আমার ভালোবাসার মর্ম বুঝেনা তখন ভাবি তারা আমার ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য না।n.nআবার যখন দেখি কেউ আমাকে ভালোবাসে এবং আমি মনের অগোচরে তাদের কষ্ট দিয়ে ফেলি তখন ভাবি আমি কারো ভালোবাসা প

অতৃপ্ত অনূভুতি

২১ শে জুলাই, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

. . . .অতৃপ্ত অনূভুতি . . . .
.
(১)আজ অভ্র অনেক খুশি ।
খুশি হবেই না কেন
আজ
দুই বছর পর ট্রেনে
করে বাড়ি যাচ্ছে ।
অনেক দিন হয়ে গেছে
বাড়িতে যাওয়া হয় না ।
রাগ কিনা অভিমান অভ্র
নিজেই জানে না ।
কারন কয়েক বছরের ব্যবধানে অভ্র পুরোপুরি চেঞ্জ হয়ে গেছে ।
চুলগুলো আগের মতই বড় বড় । শুধু যোগ হয়েছে চিকন ফ্রেম এর একটি চশমা ।
.
.
আজ অভ্রকে চেনে না
ঢাকা কেন সারা দেশে এমন কেউ নেই ।
কারন অভ্রের মত দ্বিতীয়
কেউ পেন্টিং করতে পারেনা ।
বিশেষ করে মানুষের
ছবিগুলো এতো সুন্দর করে ...
আঁকে মনে হয় যেন জীবন্ত ।
টাকা পয়সা বাড়ি গাড়ির
কোন কিছুর অভাব নেই ।
তারপর অভ্র আগে
যে ফ্লাট টাতে থাকতো সেটাতেই আছে ।
.
অভ্র কত ভালোবাসতো মেয়েটাকে ।
জীবনের চাইতেও বেশি ।
কিন্তু মেয়েটা একটা স্বার্থপর ।
অভ্রের মনে আজও
একটাই প্রশ্ন দোলা দেয় ।
আবন্তিকা কেন তার সাথে
এমন করলো । অভ্রতো কোন অপরাধ করেনি ।
যদি কোন অপরাধ করেই
থাকে তাহলে একটাই করেছে আবন্তিকা কে ভালোবেসে ।
.
.
পরিবার থেকে অভ্রকে
অনেক জোরাজুরি করার
পর ও আজও বিয়ে করেনি ।
কারন আবন্তিকাকে যে
আজও পাগলের মতো ভালোবাসে অভ্র ।
অভ্রর হৃদয়ের স্মৃতির পাতায়
পাতায় জুরে আছে যে
তার ই নাম ।
.
অভ্রের ঠিক মনে আছে ..
কলেজ এর ফাইনাল
পরীক্ষা দেওয়ার পর স্বাধীনভাবে একটু ঘোরাঘুরি করতে ছিল ।
একদিন অভ্র স্কুলমাঠে
বসে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিল ।
.
হঠাৎ একটি মেয়েকে দেখে অবাক হয়েছিল !!!
মেয়েটি তেমন সুন্দরী না বা কোন স্মার্টনেস নেই যে অভ্র মেয়েটিকে দেখে অবাক হবে ।
কিন্তু একটি কারনে মেয়েটিকে অভ্রর ভাল লেগে ছিল ।
তা ছিল মেয়েটির হাসি ।
মেয়েটির সেই হাসির
কাছে এ পৃথিবীর সব কিছু
তুচ্ছ । অভ্রের ইচ্ছে করতে ছিল
মেয়েটির হাসির ভিতর
হারিয়ে যেতে ।
সেই হৃদয় কারা হাসি
অভ্রের আজও মনে পড়ে ।
সেই হাসিটা যে অভ্রের হাসি চিরদিনের জন্য কেড়ে নিবে কে
জানতো ?
.
(২)অভ্র সব মেয়েদের কাছে
প্লেবয় নামে পরিচিত পেলেও
কখনো প্লেবয়দের মতো
কোন মেয়ের হৃদয় নিয়ে
খেলতো না ।
কারন হৃদয় ভাঙ্গার কষ্ট
অভ্রের চাইতে আর কেউ
ভালো বুঝে না ।
মেয়েরা অভ্রের পিছু নিলেও
অভ্র কখনো মেয়েদের
পিছু নেই নি ।
এর জন্যই মেয়েরা অভ্রকে
আরো বেশি লাইক করতো ।
.
মেয়েটি সেদিন চলে যাওয়ার পর অভ্র জানতে পারে মেয়েটির নাম আবন্তিকা ।
এর পর অভ্র মেয়েটাকে যত দেখে ততই ভালো লাগতে থাকে ।
অভ্র প্রতিদিন একবার
নতুন করে যেন মেয়েটির
প্রেমে পড়ে ।
অভ্র জানে না আবন্তিকা
মেয়েটার মাঝে এমন কি
আছে যা অভ্রকে মন্ত্রমুগ্ধ করে ।
অনেক অপেক্ষার পর অভ্র
আবন্তিকাকে একদিন বলে ফেলে ...
.
আবন্তিকা আমি তোমাকে অনেক অনেক অনেক ভালবাসি । তুমি কি আমাকে ভালোবাসো । আবন্তিকাও সে দিন সারা দিয়েছিল ।
.
.
সে দিন আবন্তিকার সারা দেওয়ার পর অভ্র অবাক
হয়ে গিয়েছিল ।
এমন কি অভ্রর সব ফেন্ডরাও ।
এর পর প্রতিদিন কথা বলা , ফোন আলাপন , এস এম এস চ্যাট সব একসাথে চলছিল ।
অভ্র জীবনের এই প্রথম
বুঝতে পেরেছিল ভালোবাসার অনূভুতিটা ।
কিন্তু আবন্তিকা কেন যেন
হঠাৎ করে সমস্ত
যোগাযোগ বন্ধ করে দিল ।
.
(3)ট্রেনটা জেলা স্টেশন এ
দাড়াতেই অভ্র পুরনো
স্মৃতির বেড়াজাল থেকে
বেরিয়ে এল । কেন যেন অভ্রর দুচোখ দিয়ে পানি চলে এলো ।
অভ্রের পাশে থাকা স্কুল লাইফের বন্ধু বলল ..
.
সুমনঃ কিরে অভ্র কাঁদছিস কেন ?
.
অভ্রঃ চোখে মনে হয় কিছু পড়েছে হুমায়ুন কবির ।
.
সুমনঃ অভ্র কথাটা বলতেই কিছুটা অবাক হলো ।
.
কথাটার অর্থ বুজতে পারলো । কারন আজ পযর্ন্ত তাকে কেউ তার পুরো নামটা বলেনি ।
চুপ হয়ে গেল সুমন । চুপ হওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না সুমনের । অভ্রর কষ্টগুলো বাস্তবতা সুমন নিজেই যে দেখেছে ।
.
.
ট্রেনটা ছাড়তেই অভ্র
চোখের সামনে দেখতে
পেল স্মৃতির পাতা গুলো ।
আবন্তিকা কে যে কতবার
ফেরাতে চেষ্টা করেছে অভ্র ।
পাগলের মত ছুটে গিয়েছিল আবন্তিকার কাছে ।
কিন্তু প্রতিটা সময় অভ্রকে
ফিরিয়ে দিয়েছে ।
অভ্র শুধু জানতে চেয়েছে
তার ভূলটা কোথাই ?

অভ্র সেদিন ও জানতে
পারে নি ?
অভ্র আজও জানে না তার
ভূলটা কোথায় ?
অভ্র হয়তো আর
কোন দিনও জানতে
পারবে না .....

[অভ্রর মতো ছেলেরা বা মেয়েরা কখনো জানতেও পারবে না তাদের ভুল কোথায়]

লিখাঃ ছন্নছাড়া বেনজামিন আবির ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিয়োগের রূপকথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩



মা বরাবরই পাতে ভাত কম নিতো , বলতো- ভাতে না-কি  বাত বাড়ে।
বিশেষ বিশেষ দিনে বাড়ি পোষা মোরগের ঝোল কিংবা রুই মাছের তরকারীর সবটুকু  আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কঠিনতম সব চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপির ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১০



বিএনপির সামনে অনেক কঠিন সব চ্যালেঞ্জ...

তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে দ্বিমুখী বিরোধী-দলীয় রাজনীতি বা কর্মকাণ্ড (যেটা কিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগে কখনো দেখা যায়নি)।

জামাত-এনসিপি যতই লীগের ফিরে আসার বিরুদ্ধে বিএনপির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার নানা মরহুম শাহাবুদদীন মাহমুদ জায়গীরদার

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:২৫



আমার আম্মার সেঝ চাচা’র লেখা ‘My life is not mine’ বইটি পড়ছি। বইটিতে ‘মাইজম ভাই’ নামের একটি অধ্যায় আছে। এতে সেঝ নানা আমার নানার বিভিন্ন সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×