নন্দিত কথা সাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের মা আয়েশা ফয়েজের সঙ্গে দেখা করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় তিনি বলেন, দেশে তো মানুষই নেই, একজন ছিল, সেও চলে গেল।’
হুমায়ূন পরিবারকে সান্ত¡না দিতে রবিবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে রাজধানীর পল্লবীতে হুমায়ূনের মায়ের বাসায় পৌঁছেন ড. ইউনূস। এরপর দীর্ঘক্ষণ তিনি সেখানে অবস্থান করেন এবং আয়েশা ফয়েজ ও হুমায়ূন আহমেদের সন্তান ও বোনদের সমবেদনা জানান। এ সময় ড. ইউনূস আক্ষেপ করে বলেন, দেশে তো মানুষই নেই. একজন ছিল, সেও চলে গেল। এই দেশে যে উনি কিভাবে জন্মেছিলেন, তা বোঝা খুবই কঠিন। ড. ইউনূস বলেন, “তার (হুমায়ূন) ভেতরে অসাধারণ জাদু ছিল। সেই জাদুতে তিনি মানুষকে উতলা করে রেখেছিলেন। হুমায়ূন মারা যাওয়ার পর আমার মেয়েও অনেক কান্নাকাটি করেছে।
ড. ইউনূস বলেন, হুমায়ূন আহমেদ কখন যে আমাদের ভেতরে ঢুকে গেছেন আমরা জানতে পারিনি। শিক্ষিত মানুষ তার বই পড়ে তাকে ভালবেসেছে আর সাধারণ মানুষ তার নাটক-সিনেমা দেখে তাঁকে ভালবেসেছে। হুমায়ূন প্রসঙ্গে কথা বলতে বলতে ড. ইউনূস নিজেও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁর চোখে পানি টলমল করতে দেখা যায়। কিছু সময় পর সেখানে উপস্থিত হন হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রীর ঘরের সন্তান নুহাশ। নুহাশকে দেখে ইউনূস তাকে বুকে জড়িয়ে ধরেন, সান্ত¡না দেন।
এ সময় ড. ইউনূসের সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী আফরোজি ইউনূস ও মেয়ে দিনা এবং ‘কম্পিউটার জগৎ’ পত্রিকার সম্পাদক ভুঁইয়া ইনাম লেনিন। আর হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ছোট ভাই কার্টুনিস্ট ও উন্মাদ পত্রিকার সম্পাদক আহসান হাবীব, তার স্ত্রী আফরোজা আমিন ও মেয়ে এষা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হুমায়ূনদের তিন বোন- সুফিয়া হায়দার শেফু, মমতাজ শহীদ শিখু ও রোকসানা আহমেদ মনি। প্রায় এক ঘণ্টা তিনি সেখানে অবস্থান করেন।
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

