somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আওয়ামী লীগ কেন তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে?

০৯ ই জুলাই, ২০২৩ দুপুর ১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিবাচনের জন্য ১৯৯৪ সালে থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আন্দোলন করেছিল আওয়ামী লীগ।



ত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবিতে তৎকালীন অর্থাৎ ১৯৯৬ সালের বিরোধী দল তথা আওয়ামী লীগ ভয়াবহ অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক ধ্বংসাত্মক আন্দোলন চালায় এবং ১৭৩ দিন মতো হরতাল পালন করে। বহু প্রাণ ঝরেছিল সে সময়। অগ্নিসন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের ধ্বংসাত্নক কর্মকান্ডে দিশেহারা হয়ে ১৯৯৬ সালে বিএনপি সরকার সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী প্রণয়ন করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন করেছিল।

ধামাধরা খায়রুল হক একজন সিনিয়রকে বিচারপতিকে টপকিয়ে শাসকগোষ্ঠীর আনুকূল্যে প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হয়েছিল। তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের বিপক্ষে আপিল দায়েরের ছয় বছর পরে এটি পুনরুজ্জীবিত করেছিল এবং তড়িঘড়ি করে ‘সংক্ষিপ্ত আদেশ’ ঘোষণা করেছিল, তাও আবার তাঁর অবসরে যাওয়ার মাত্র ৮ দিন আগে। মাত্র ১০ দিনের শুনানিতে এবং অ্যামিকাস কিউরির সুচিন্তিত পরামর্শ ও সুপারিশ উপেক্ষা করে রায় দেওয়া হয়েছিল।

যে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার জন্য ১৭৩ দিন হরতাল দিয়েছিল, দেশের কয়েক বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি করেছিল, ভয়াবহ অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে বহুপ্রাণ কেড়ে নিয়েছিল, কর্মস্থলগামী লোকজনকে দিগম্বর করেছিল, লগী-বৈঠা নিয়ে মাঠে নেমেছিল তারা কেন আজ তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে?

ওয়ামী লীগ বার বার বলছে যে, সুপ্রিম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করেছে ফলে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার আর কোন সুয়োগ নেই। যে রায়কে তারা অজুহাত হিসেবে তুলে ধরছে সেই রায়েই সুপ্রিম কোর্ট এটাও বলেছিল যে, পরবর্তী দুটি নির্বাচন হবে বিরাজমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। তবে বিচারপতিদের বাদ দিয়ে। আওয়ামী লীগ কি সেটা পালন করেছিল?

ভাবে আওয়ামী লীগ জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বিভ্রান্তিকর উপায়ে বাতিল করেছে।



রোববার, ০৯ জুলাই ২০২৩ : সমকাল অবলম্বনে লেখা।

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০২৩ দুপুর ১:৫৮
১১টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুপান্তর

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭


কাজী সালাউদ্দিন সাহেবের আসলেই রাজকপাল , এই কথা বললে বিন্দুমাত্র বাড়িয়ে বলা হয় না। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মসনদে টানা ষোলো বছর বসে থাকার এক বিরল কীর্তি তিনি গড়েছেন, যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×