
মতিউর কাস্টমসে যোগদান করার পরই বেপরোয়া হয়ে উঠে। মতিউরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নতুন ছিলনা। মতিউরের আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্নে উঠেছিল বহুবার একবার, দু’বার নয়, চার চারবার তাকে দায়মুক্তির সনদ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক। ‘ক্লিন সার্টিফিকেট’ পেয়ে নিজেকে না শুধরে আরও বেপরোয়াভাবে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন তিনি।
মতিউর রহমান কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের সভাপতি। পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের পরিচালক। ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিন বছরের জন্য তাঁকে সোনালী ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। তখন অর্থসচিব আবদুর রউফ তালুকদার (বর্তমানে গভর্ণর) এর তদবিরে মতিউর সোনালী ব্যাংকের পরিচালক বনে যান।
বেনজীর 'জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার' পেয়েছে, মতিউর দুদকের ‘ক্লিন সার্টিফিকেট’ পেয়েছে চারবার। এভাবেই বেনজীর আজিজ ও মতিউররা সরকারের সান্নিধ্যে থেকে দানবে পরিনত হয়েছে। তথচ ওবা কাদের "দূর্নীতির ক্ষেত্রে আমাদের সরকার জিরো টলারেন্স" বলে মুখে ফেনা তুলছেন। তাহলে কী করে এরা দানবে পরিনত হলো?
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০২৪ বিকাল ৩:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




