জাতির মেয়ে হাসিনা যখন জাতির নাতনী পুতুলকে নিয়ে বাইডেনের সংগে ফটোসেশন করলো তখন মিডিয়ায় সেকি তুলকালাম, তারা বলতে শুরু করলো বাইডেন হাসিনার সংগে সেলফী তুলেছে এখানে একটা কথা পরিস্কার করা দরকার সেটা হলো হাসিনা কিন্তু বাইডেনের সংগে সেলফী তোলেনি বাইডেনই তুলেছে হাসিনার সংগে অর্থাৎ হাসিনা হলো বিশ্বনেত্রী অপর দিকে বাইডেন যদুমদু।

তারপর সুনাকের সংগে হাসিনার ছবিনিয়েও মারমার কাটকাট রব পড়ে গেলে সুনাক হাসিনার পায়ের কাছে পরে আকুতি মিনতি করছে। পেপার পত্রিক কাউয়া উচ্ছিষ্টভোগীরা দেশে তোলপাড় শুরু করে দিল।

একই ভাবে ট্রুডোর সংগে হাসিনার ছবি নিয়েও সেকি এক অবস্থা! বিশ্ব নেত্রী বলে কথা। পেপার পত্রিকা কাউয়া উচ্ছিষ্টভোগীদের দেশজুড়ে তোলপাড় এমন নেত্রী এই পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই এবং ভবিষ্যতেও জন্মাবেনা!

সেই সময় লক্ষনীয় একটা বিষয় ছিল তাহলো তৎকালীন সময়ে যে যতবেশি শেখ পরিবারের বন্দনা গেয়েছি সে তত বেশি ডাকাতী করেছে; অর্থাৎ বন্দনা ছিল অন্যায়কে আড়াল করার হাতিয়া।
তারা অর্থাৎ আম্লিগ ভেবেছিল ট্রাম্প ক্ষতায় আসলেই ইউনূসকে তুড়িমেড়ে উড়ে দেবে কিন্তু এখন পর্যন্ত্ ইউনূসকে উড়ে দেওয়া কোন লক্ষণ আপাতত দেখছিনা।


সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ বিকাল ৩:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



