
৩৬ জুলাই মানবতার জননী ও তাহাজ্জুতি হাসিনার নির্মম আত্নহত্যা ভারত কোনভাবেই মানতে পারছিলোনা। ভারত এতোটাই হতবিহব্বল হয়ে পড়েছিল যে যাকে বলে একেবারে আক্কেলগুড়ুম অর্থাৎ হাসিনার হঠাৎ কল্পনাতীত পতনের আকস্মিকতায় ভারতের বুদ্ধি-বিবেচনা বা কাণ্ডজ্ঞান সাময়িকভাবে লোপ পায় বা হারিয়ে যাওয়ার কারণে হতবুদ্ধি হয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে ভারত বাংলাদেশেকে প্রথম যে আঘাত হানে তা হলো ভিসা বন্ধ করা। ভারত ভেবেছিল বাংলাদেশীদের ভিসা বন্ধ করলে বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে। বাণিজ্য কমিয়ে দেয় বা কড়াকড়ি করে ভারত ভেবেছিল বাংলাদেশীরা না খেয়ে মারা যাবে। এই ব্লগেও কয়েকটি গোবৎস্য আমাদের হুমকি দিতো আমাদেরকে বিনা খাবারে বিনা চিকৎিসায় মারবে অথবা মরতে হবে।
ভারতের যেই চিন্তা সেই কাজ বাণিজ্য ও ভিসা কড়াকড়ি করলো কিন্তু তা হয়ে গেলো বুমেরাং উল্টো তাদের অবস্থা এখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি। এখন ভিসাও বাড়াতে চায় এবং হাসিনাকে নিয়েও আলোচনা করতে প্রতিক্ষায় বলে জানিয়েছে ভারত।
একটি সংবাদপত্র লিখেছে ভিসা ইস্যুতে বাংলাদেশিদের সুখবর দিল ভারত প্রকৃতপক্ষে এটা বাংলাদেশের সুসংবাদ নয় এটা তাদের সুসংবাদ কেননা বাংলাদেশ ছাড়া তাদের তাদের সীমান্ত রাজ্যগুলো এখন পথে বসার সামিল। বলতে গেলে বলা যায় এটা বাংলাদেশের দুঃসংবাদ; কারণ ভারত ছাড়া যে বাংলাদেশ চলতে পারে আমরা সেই জায়গা থেকে আবারো ছিটকে পড়তে যাচ্ছি।
অবশেষে ড. ইউনূসের কারণে ভারত বুঝতে পেরেছে বাংলাদেশে দূর্বল নয়; ভারতকে ছাড়া বাংলাদেশ চলতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৫ বিকাল ৩:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



