somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেই একই ভবন, একই ট্রাইব্যুনাল-শেখ হাসিনার করা আদালত যা এখন ক্যাঙ্গারু কোর্ট⁉️

১৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


২০১০ সালের ২৫ মার্চ। সেদিন মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত হাসিনার সিদ্ধান্তে যাত্রা শুরু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের। হাসিনার করা আদালত। হাসিনার করা আইন। সেখানে চলে প্রহসনের বিচার যেখানে আত্নপক্ষ সমর্থনের জন্য কাউকে দেওয়া হয়নি কোন সুযোগ। সাক্ষ্যিদের গুম করা হয়েছে অথবা ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফাঁসি দেওয়া হয় মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আবদুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড পরে আপিলে আমৃত্যু কারাদণ্ডে পর্যবসিত হয় এবং গোলাম আযমকে ৯০ বছরের সাজা দেওয়া হয় তিনি কারাগারেই মারা যান এছাড়া বিএনপি মন্ত্রী আবদুল আলীম কারাগারেই মৃত্যুবরণ করেন।

হাসিনার সেই আদালত ১০০% সহীহ তরিকায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছে সেই আদালতের উপরে আপনাদের বিশ্বাস নাই? হাসিনার আমলের কোন বিচারক কোন পক্ষপাতিত্ব করে নাই, কারো কথা শোনে নাই, কারো দিকে তাকায় নাই তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে গেছে। তারা ১০০% সহীহ বিচার করে ফাঁসি দিয়েছে, এখন যদি আপনারা সেই আদালতের উপরে সন্দেহ করেন তাহলে ভাবতে হবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সহীহ হয় নাই। শুধুমাত্র বিরোধী মতকে দমন করার জন্যই তখন সেই বিচার হয়েছিল। তখনকার বিচার ১০০% সহীহ হলে এখনকার বিচারও ১০০% সহীহ, তখনকার বিচার ১০০% সহীহ নাহলে এখনকার বিচারও ১০০% সহীহ না---এখন আপনারাই বলেন কোনটা মানবেন⁉️

সেই একই ভবন, একই ট্রাইব্যুনাল-কেবল দৃশ্যপট বদলে গেছে। একসময় যে ট্রাইব্যুনাল থেকে হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে যুদ্ধাপরাধের রায় দেওয়া হয়েছিল, আজ সেই ট্রাইব্যুনালই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচারিক রায় দিয়েছে। তাহলে সেই আদালতকে ক্যাঙ্গারু কোর্টের ফরমায়শি রায় যার ৫ পয়সাও মূল্য নেই বা এই রায় আপনারা ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছে কেন? এর উত্তর আপনাদেরকেই দিতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০৩
১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩


ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;

১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘র’-এর কৌশল, প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি , পর্ব ০১

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭

'র'-এর গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ও তৎপরবর্তী পরিচালিত কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজি ও বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার বিবরণ দেয়া প্রয়োজন । ১৯৬৮ সালে 'র' গঠিত হয়েছিল মূলত বৈদেশিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×