somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার ক্ষুদ্রবুদ্ধির একটু দুঃশ্চিন্তা আর কিছু মনের কথা।।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রতিটি দিনক্ষন মিলে আবার ফিরে এলো ২১শে ফেব্রুয়ারি।। মাতৃভাষা তথা তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সন্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর দিনটি।।আশা করবো নির্বিশেষে সবাই যেন এইক্ষনটিতে তাদের শ্রদ্ধার্ঘ অর্পন করতে পারেন।।সুদুর থেকে রইলো আমারও শ্রদ্ধার্ঘ,যাদের জন্য আজ ‘মা’ডাকতে পারি।। মনের ভাব প্রকাশ করতে পারি নিজেরই ভাষায়।।
আজ বুকে জ্বালা ধরে যখনই দেশের খবর জানতে খবর বা টিভির স্বরনাপর্ন হই।।সবাই শান্তির,গনতন্ত্র আর সমাজবদলের কথা বলছে।। যেন ছেলের হাতের মোয়া চাইলেই,বা দু’চারটা ‘টকশো’বা জ্বালাময়ী বক্তব্যেই পাওয়া যাবে।।ইতিহাস বলে ভিন্ন কথা।।
হাজার হাজার তরুন-যুবা, এমনকি বয়ষ্করাও বুকের রক্তে আল্পনা একেঁও যা আজ পর্যন্ত আনতে পারে নি,তা এমনিতেই হয়ে যাবে!!ছোটবেলায় পড়েছিলাম “অসীর চেয়ে মসী”বড়।। কিন্তু আজো দেখতে হচ্ছে ঠিক তার উল্টোটি মানে মসীর চেয়ে অসীই বড়।। যার প্রমান প্রতিদিনের বাংলাদেশ।।আজ আবাল-বৃদ্ধ-জনতা সবাই(আমি নিজেও বাদ নই)উটপাখির মত ঝড় দেখে মাথা লুকিয়ে বসে আছি আসন্ন মোকাবেলায়!!যাও হাতেগোনা কিছু আছে,সমাজে তাদের মূল্যই নেই।।আছে শুধু বিভিন্ন ধরনের ট্যাগ।।কিন্তু সবাই যে অন্ধ তাও নয়।।বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে সবাই সঠিক।।বিশেষ করে করে তরুন-যুবাদের।।তাদের দেশপ্রেমে নেই ঘাটতি,প্রানও হাতে নিয়ে বসে আছে তারা এজন্য।।তবে পার্থক্য হলো পথ ও মতের।। যদি তাদের বিপথে চালনা না করা হয়।।
ভাবছি সকাল হলেই সন্তানদের যেতে হবে স্কুল,কলেজ আর ভার্সিতে।।মেয়েটার এই সেমিষ্টারের অর্ধেক চলে গেল হরতালের অতলে।। বাকিটারও ভবিষ্যত দেখছি না।।শুনলাম ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিতে পারে সপ্তাহের প্রতিদিনই খোলা রাখার।। সেমিষ্টার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটিতে ৬টির বেশী ক্লাস মিস দিলে অবধারিত ফেল।।মানে আবার ৪মাস পিছনে পড়ে যাওয়া।।এখন আমার প্রশ্ন টাকা নয় এবং পিছনে পড়াও নয়, জীবন।। যেটা আমার সন্তানের।।তাকে তো ক্লাসে যেতেই যদি হয় সে না ফেরা পর্যন্ত প্রতিটি পিতা-মাতাকে থাকতে হবে দুঃশ্চিন্তায় অর্ধমৃত।।আল্লাহর রহমতে সুস্থ ফিরলে হাসি আবার পরদিনও একই পরিনতি।।আমরা কি এমনি করেই প্রতিদিন বাচঁবো আর মরবো??
শুধু সন্তান কেন, ৬০জনের পরিবরের এক তৃতীয়াংশকে প্রতিদিন করতে হচ্ছে স্কুল,কলেজ,ভার্সিটি আর অফিস-আদালত।।তাদের ব্যাপারেও তো একই অবস্থা।।গতবছর এমনই এক দূর্ঘটনার কথা লিখেছিলাম।।খোদা না করুন আবারও যদি তার পূনরাবৃত্তি ঘটে তবে কা কে দায়ী করবো??সরকার,বিরোধীদল না স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি কর্তৃপক্ষকে?? সরকার বলবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের শিকার আর বিরোধীদল বলবে গনতন্ত্র আদায়ের অর্ঘ!!বাকীরা বলবে আমরা শুধু সরকারী হুকুম মান্য করতে বাধ্য হয়েছি।। আমি জানি এটা।। কথা হলো এতকিছুর পরও যদি সত্যিকারের গনতন্ত্র আসতো,তাহলে আমি নিেই সবার আগে এগিয়ে যেতাম।।কিন্তু এই খেলাতো দেখে আসছি ’৭৩ থেকেই।।আজ ২০১৫ পর্যন্ত অনেক সরকারইতো এলো-গেলো।। কিন্তু আম-জনতার পরিবর্তন কই??আমরা আছি একই স্থানে জিম্মি আর শুধু ক্ষেত্রবশেষে ৫বছর পর একটি ভোট দিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে!!এগোতে পারি নি (রাজনৈতিক দিক দিয়ে)এক’পাও।।পারবোও না বলে প্রতিভাত হচ্ছে।। তাহলে সারাটা পৃথিবী যেখানে এগিয়ে যাচ্ছে,সেখানে সার্টের বুতাম পিঠের দিকে এটেঁ আমরা পিছনেই হেটে চলবো??!!
কিন্তু পিছে হঠারও তো একটা শেষ আছে,তাই না??সবশেষে বঙ্গোপসাগর।। আমার মনে হচ্ছে শুধু সরকার এবং বিরোধীদলকে রেখে নিরপেক্ষ আম-জনতাকে ধরে-বেঁধে বঙ্গোপসাগরে একসাথে ডুবিয়ে দিয়ে চলুক “গনতন্ত্রের”খেলা।।
ভাবছি দেশ তথা মানুষের জন্য গনতন্ত্র না গনতন্ত্রের জন্য দেশ ও মানুষ??বর্তমান পৃথিবীর দিকে তাকালে দেখবো সেসব দেশের রাজনীতিবিদরা যেখানে তাদের পরবর্তি জেনারেশনের নিরাপদ ও শান্তির আবাস নিঃশ্চিত করার চেষ্টায় মগ্ন,সেখানে আমরা কি রেখে যাচ্ছি আমাদের পরবর্তিদের জন্য??
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৫ ফুলদল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:২৭

প্রকৃতি যখন যন্ত্রণার ভারে নুয়ে পড়ে, সূর্য ক্লান্ত অভিমানে আড়াল করে তার দীপ্ত মুখ। তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। শীতের নিঃশব্দ আগ্রাসনে নিস্তব্ধ চারপাশ। জীবনের স্পন্দন নেই।... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলতে চলতে পথে ৬

লিখেছেন কবিতা ক্থ্য, ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৪৭

প্রকৃতির নিষর্গ:



ওবেরন যাওয়ার পথে জুলাই মাসে নিউ সাউথ ওয়েলসের (NSW) মেফিল্ড গার্ডেনে ধারণ করা এই ছবিটি একটি শান্ত পুকুরের বুকে প্রকৃতির প্রতিবিম্বি - প্রাণবন্ত ঋতুভিত্তিক রঙের মাধ্যমে শীতকালের... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘Why you come here?’ সুবিধামতো পরিচয়ের প্রবাসী

লিখেছেন মুনতাসির, ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৬

কারো সঙ্গে রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে। প্রতিবাদ করার অধিকারও আছে। কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা দিয়েই বোঝা যায় প্রতিবাদকারী কে। “Why you come here?” বা “I fuck your country system” কোনো রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রপ্রেমী ও রবীন্দ্রবিরোধী - কারা ভালো লেখে-মন্তব্য করে ব্লগে

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫


আখতারুজ্জামান আজাদ নামে এক লেখকের একটা লেখা দৃষ্টিগোচর হলো কাল। লেখাটা দিয়েই আমার পোস্ট শুরু করব।

স্বল্প-বাংলা-জানা এক জাপানি ভদ্রলোক কোলকাতার এক দাদাকে জিজ্ঞেস করলেন— ‘এই যে আপনারা নামের শেষে দা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জানের বদলে জান: ব্যাপারটায় প্রতিহিংসার ফ্লেভার মেশানো

লিখেছেন অপলক , ১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৩৬

ইসলামে কি বলা আছে সেটা নিয়ে আলোচনা করতে চাই না। দেশের আইনে কি আছে সেটাও না। ইংরেজীতে দুটো শব্দ আছে: Equality (Sameness: সমতা) এবং Equity (Fairness: নায্যতা)।




একটা অপ্রাপ্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×