
সতীনের ছেলেকে সবসময় মোটা দেখায়! বাঙালি জাতটাই এমন! নিজেকে রেখে অপরকে নিয়ে গর্ব করতে ভালোবাসে! ইরানের প্রেসিডেন্টের জায়নামাজের ছবি শেয়ার করতে করতে আংগুলে দাগ ফেলে দেয়, সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ আর তার বিচারকের গল্প পড়ে হাততালি দেয়, কিন্তু বাংলাদেশের বিচারপতি হাজারগুন ভালো কাজ করলেও তার কথা মুখে আনে না!
.
বলছিলাম বাঙালির গর্ব, মহামানব মহামান্য বিচারপতি এসকে সিনহার কথা! উনি সম্প্রতি এমন একটি মহৎ কর্ম করেছেন, যা পৃথিবীর আর কোন বিচারপতিই করতে পারেন নি, করেন নি। অথচ তাকে নিয়ে কোন প্রশংসা দেখলাম না। অবশ্য মহামান্য বিচারপতি প্রশংসার ধার ধারেন না, মানবতার জন্য জাতির জন্য কাজ করেই তার তৃপ্তি।
.
.সুরেন্দ্র কুমার সিনহা একটি নাম নয় একটি ইতিহাস। যিনি গ্রামে গেলে এখনও বাল্যকালের সেই বন্ধুরা(এখন কৃষক) তাকে "তুই" বলে সম্বোধন করে! আর তিনিও হাসিমুখে জবাব দেন! যিনি একের পর এক জামাত নেতার মৃত্যুদন্ড দিয়ে জাতিকে কলংকমুক্ত করে চলেছেন!
.....আমাদের এই মহামান্য বিচারপতি সম্প্রতি জোসেফ নামের এক সন্ত্রাসীর মৃত্যুদন্ড মাফ করে তাকে নতুন জীবন দিয়েছেন। চিন্তা করুন, আমরা সাধারন মানুষরা যেখানে সন্ত্রসীদের প্রতি ন্যুনতম সহানুভূতি দেখাই না, উল্টো ঘৃণা করি, সেখানে মহামান্য বিচারপতি জোসেফের প্রতি ভালোবাসা দেখিয়ে প্রমাণ করেছেন তিনি কতটা মহৎ! অপূর্ব ক্ষমার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেখিয়ে দিয়েছেন, "পাপকে ঘৃণা করো, পাপীকে নয়।"
.
এই শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফ আবার বিজিবি প্রধান আজিজ আহমেদের ছোট ভাই। মেজর জেনারেল আজিজ সাহেব জীবন বাজি রেখে ভারতীয় বিএসএফের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সীমান্ত পাহাড়া দিচ্ছেন। যদিও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে পারেন নি, কিন্তু ইতোমধ্যে সীমান্ত হত্যা বন্ধের ফর্মুলা আবিষ্কার করেছেন। দুদিন আগে বলেছেন, "বাংলাদেশীরা যদি রাতে সীমান্ত পাড়ি না দেয়, তাহলেই বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা শূন্যে নেমে আসবে!"
.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী মেজর জেনারেল আজিজ সাহেব। তার ছোট ভাইয়ের মৃত্যুদন্ড মওকুফ করে মহামান্য বিচারপতি প্রমাণ করেছেন, তিনি কতটা বিচক্ষন!
...থ্যাংক্স, মাই হিরো অনারেবল জার্জ এসকে সিনহা!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





