কিন্তু নতুন সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে হামাসের নির্বাচন বিজয়। হামাস ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করে না। সুতরাং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ সংগঠন অগ্রহণযোগ্য। তারা একে চিহ্নিত করে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে। কিন্তু যে গণতন্ত্রের ধুয়া ধরেছিল যুক্তরাষ্ট্র হামাস যে সে পরীক্ষায় পাশ করেছে। আসলে এক্ষেত্রেও সিআইএ সঠিক আগাম তথ্য দিতে ভুল করেছে। নতুবা যুক্তরাষ্ট্র বিকল্প কোনো পন্থা গ্রহণ করতো। সে যাক হামাস এখন ক্ষমতায়। সুতরাং গণতন্ত্রের অজুহাত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আর পার পাচ্ছে না।
এবং যেমন আশা করা গিয়েছিলো পুতিন তেমন একটি বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে হামাস নির্বাচিত দল এবং তাদের সাথেই ইসরাইল সরকারের আলোচনায় বসা উচিত। পুতিন তার দেশে হামাসের নেতাদের আমন্ত্রণ ও জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রকে আবার ভাবতে হবে। যদিও ইসরাইল বলেছে, তাদেরকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়া পর্যন্ত হামাসের সাথে কোনো কথা নেই। কিন্তু পুতিনের বক্তব্য আরো গভীর কিছু বিষয়ের ইঙ্গিত করে। যুক্তরাষ্ট্রের একক নেতৃত্ব মনে হয় প্রাক্তন কমিউনিস্ট বিশ্ব মেনে নিতে পারছে না। তারা তাদের খোলস থেকে বের হয়ে আসছে। এ বিষয়ে আলোচনা আলাদা শিরোনামের দাবী করে। সুতরাং তা তোলা থাক।
হামাসের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিজেদের গণতন্ত্রনামক বড়ি নিয়ে যে সমস্যায় আছে তা নিজেরা গিলে ফেলতে কী ধরনের তরল পদার্থ ব্যবহার করে তাই এখন চেয়ে দেখবার বিষয়।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৪:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




