তার ব্লগে আমি এই মন্তব্য করেছিলাম যে, আপনি যদি অবৈধভাবে অন্য একটি দেশে গিয়ে টাকা রোজগারের পথ অবলম্বন করতে পারেন, তবে আপনার আরেক দেশিভাই দু-নম্বরি করা থেকে নিজেরে থামায় কি করে। আপনি তো এই পাসপোর্ট পেয়ে 40,000 ইউরো কামানোর সুযোগ করে ফেলবেন। ও নাহয় 40 ইউরো নিল। দুর্নীতি তো আর একপক্ষে হয় না।
আমার মন্তব্যের জবাবে ইলিয়াছ আখন্দ নতুন একটি ব্লগ খুললেন। যার শিরোনাম ছিলে হিরক ভাইকে...(ভুল বানান যদিও)। সেখানে আমি আবার মন্তব্য করি যে, আপনি কেন বুঝতে পারছেন না, যে আপনি নিজের দোষ দেখতে পাচ্ছেন না। অন্যের দোষ নিয়ে আকাশ-পাতাল করতে চাইছেন।
পরে দেখতে পেলাম ইলিয়াছ সাহেব আমার মন্তব্য ও নতুন ব্লগ সবই মুছে দিয়েছেন। সম্ভবত: তিনি লজ্জা পেয়েছেন। কিন্তু এই লজ্জা ঢাকা দেয়ার কিছু নেই। তিনি সত্যকে সহজে স্বীকার করলেই পারেন। তাতে কোনো অসুবিধা নেই। তিনি বলতেই পারতেন আমরা ভাগ্য অন্বেষণে অবৈধ পথের আশ্রয় নিয়েছি। কিন্তুবৈধ হতে গিয়ে দেখি সেখানেও নানা দুর্নীতি। যদি জানতাম অবৈধতার কলংক সহজে মোছা যায় না তাহলে কখনও এ পথে পা বাড়াতাম না। সারা পৃথিবীতে যারা এরকম অবৈধ পথের বা দুর্নীতির পথ ধরেছেন তারা আসুন শুদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করি।
তাহলে আমার বলার কিছুই থাকতো না। আমি আবেগে আপ্লুত হতাম। কিন্তু চোরের মার বড় গলা তো সহ্য করা যায় না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




