
ইয়ে সর্বস্ব প্রাণীরা ইয়ে যন্ত্রণায় হিতাহিত জ্ঞান শূণ্য হয়ে বিয়ে ছাড়া ইয়ে করে মহা শোরগোল বাধায়। তাদের একজন বলল, আপনি সব গবেষণা বাদ দিয়ে আমাদের ইয়ে যন্ত্রণা নিবারনের উপায় বের করেন।আমরাতো জানে মানে মারা যাচ্ছি। অনেক গবেষণার পর আমি ইয়ে দ্বীপের ধারণা উদ্ভাবন করলাম। এক কথায় মহা আবিষ্কার! ইয়ে সর্বস্ব প্রাণীদের ধরে এমন ইয়ে দ্বীপে পাঠাতে হবে যেখান থেকে তারা আর ফিরতে পারবেনা। যার মধ্যে ইয়ের আলামত পরিদৃষ্ট হবে তাকেই ধরে সেখানে পাঠাতে হবে। তাহলে তাদের ইয়েতে কেউ আর ক্ষতিগ্রস্থ্য হতে পারবে না। আর তাদের যন্ত্রণা নিবারণের উপায় হলো উপোষ। বেশ ক্ষুদার জ্বালায় আর ইয়ের জ্বালা মালুম হবে না।
সারা বিশ্ব থেকে যখন ইয়ে দ্বীপে নির্বাসন শুরু হয়ে যাবে তখন যাদের সন্তানের মাঝে ইয়ে রোগ মালুম হবে তারা তখন তাদের সন্তানদেরকে নিজে থেকেই ক্ষুধা থেরাপি দেওয়া শুরু করবে। আর এসব ছেলে পিলের জন্য আমিষ নিসিদ্ধ থাকবে। এরা পাতালতা খেয়ে জীবন ধারণ করবে।
দেয়ালের যখন কান আছে তখন ইয়ে সর্বস্ব প্রাণী সনাক্ত করণে দেয়ালের এ কানের সক্ষমতা আরো বাড়াতে হবে। যেন কোথাও পুসুর-ফাসুর শুরু হতেই দেয়ালের কান সেটা শুনে ফেলে এবং ইয়ে নির্বাসন কমিটিতে সে খবর পৌঁছে দেয়।
অনেকেই বলে ইয়ে দের যেন প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়, আমি বলি তাদের দ্বারা কারো ক্ষতি হওয়ার পূর্বেই বরং তাদেরকে ইয়ে দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হোক। আ হা হা তারওতো কোন না কোন মায়ের সন্তান! আর এ মহা গবেষণার জন্য যদি আমাকে একটা নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় তাহলে আমি অন্তত বিনা চাকুরীতে চারটা ডাল ভাত খেয়ে বাঁচতে পারি।
ইয়েদের ইয়ের উৎপাত থেকে সবাই নিরাপদে থাকুক। এর জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





