somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সনেট কবি
সনেট কবি রচিত সনেট সংখ্যা এখন ১০০৪ (৫ জানুয়ারী ’১৯ পর্যন্ত) যা সনেটের নতুন বিশ্ব রেকর্ড, পূর্ব রেকোর্ড ছিল ইটালিয়ান কবি জিয়েকমো দ্যা ল্যান্টিনির, তাঁর সনেট সংখ্যা ছিল ২৫০।

স্ত্রী কেন গলায় দড়ি দেয়?

২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



স্ত্রী অতিশয় উপকারী প্রাণী। অন্তত কুড়ি বছর যাবৎ এটাই আমার খুব করে মনে হচ্ছে।কারণ এ বিষয়ে আমি পাক্কা কুড়ি বছরের অভিজ্ঞ।
কেউ যদি কোন প্রাণী পোষ মানাতে চায় তবে তারা যেন সর্বাগ্রে স্ত্রীকে পোষ মানায়। কারণ এ প্রাণীকে পোষ মানালে আদর যত্নের পাশা-পাশি অতীব সুস্বাধু খাবার কপালে ঝুটে।
স্ত্রীর সাথে সংঘর্ষে জড়ালে কপালে দুঃখ থাকে।সে সময় বিভিন্ন রকম বিপত্তিতে জড়িয়ে পড়ে দিশেহারা হতে হয়। অনেকেই নাকি নারীর মন বুঝেন না। অথচ তারা এমন একটা বিষয় বুঝে না, যেটা বুঝা সবচেয়ে দরকারী।
স্ত্রীর মনে পরকীয়া থাকলে সেটাকে ভালোবাসার রাবার দিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলতে হয়, সেটাকে কোন রকেমেই ডাল-পালা মেলার সুযোগ দেওয়া যাবে না।
স্ত্রীকে নিজের মনের মত করে গড়ে তোলা খুবই দক্ষতার বিষয়। তথাপি এ দক্ষতা সবাইকে অর্জন করতেই হবে। ইহা যেন কোন রকমেই ফোঁস-ফাঁস করতে না পারে সে দিকে অবশ্যই তীব্র নজর থাকতে হবে।
স্ত্রীর সমালোচনা, গায়ে হাত দেওয়া জীবন বিনষ্টকারী বদভ্যাস হিসেবে পরিগণিত। এর কারণে অনেক আত্ম-হত্যার ঘটনা ঘটে জীবন বিপাকে পড়ে। কাজেই জীবন বিপাকে পাক খাওয়ার পূর্বেই ইত্যকার বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান হাসিল করতে হবে।
কবুতর পর্যন্ত নিজ স্ত্রীর মন রক্ষা করে চলতে পারে, অথচ মানুষ হয়েও কতিপয় স্ত্রীর মন রক্ষা করে চলতে পারে না। তাদের জন্য সত্যি অনেক লজ্জা হয়।অনেক দক্ষ স্ত্রীরা আবার স্বামীকে বশিভুত করে ফেলে। তাদেরকে লোকে আবার স্ত্রৈন বলে লজ্জা দিয়ে থাকে। তাদেরকে আমি বলতে চাই আমার সাজেশন হলো আপনারা স্ত্রী বশিভুত করবেন। আর আপনারা তার বশিভুত নন সেটা যেন তারা গুনাক্ষরেও টের না পায়। আর পাবলিক যেন আপনাকে স্ত্রৈন বলতে না পারে সেদিকেও অবশ্যই খেয়াল থাকতে হবে। এটা আসলেই এক মহা যোগ্যতার বিষয়।
স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা সন্তানরা পছন্দ করে। কারণ স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াতে তারা খুব অসহায় বোধ করে। স্ত্রী কেমন ভালোবাসার সেটা বুঝার ভালো আদর্শ সম্রাট শাহজাহান।তার বানানো তাজমহল এ বিষয়ে কালের সাক্ষি।
স্ত্রী রেগেগেলে যে কোন মূল্যে তাকে হাসাতে হবে তাহলে তার রাগ জল হয়ে যাবে।স্ত্রী কেন গলায় দড়ি দেয় এ এক বিরাট প্রশ্ন। এ সব স্বামীর পক্ষে যতই সাফাই গাওয়া হোক না কেন আমি তাদেরকে অযোগ্য মনে করি। কারণ তারা তাদের স্ত্রীর গলায় দড়ি দেওয়া ঠেঁকাতে পারেনি, এটাই তাদের বড় অযোগ্যতা। স্ত্রী গলায় দড়ি দিবে কেন? বরং স্ত্রী গুন গুন করে গান গাইবে, ‘তোমায় নিয়ে হাজার বছর বাঁচতে বড় ইচ্ছে হয়’। তারমানে মূল কথা এটাই দাঁড়ালো যে যাদের স্ত্রী গলায় দড়ি দেয় তারা আসলে ভালোবাসতে জানে না। এ জন্য তাদের স্ত্রীর এক দন্ড বাঁচতে ইচ্ছে হয় না বিধায় গলায় দড়ি দিয়ে মরে যায়। এ সব স্বামীদের জন্য ভালোবাসার বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা যেতে পারে। সরকার পুরগী পালনের ট্রেনিং দেয়, অথচ বউ পালনের ট্রেনিং দেয় না। কাজেই স্ত্রীর গলায় দড়ি দেওয়ার ঘটনায় সরকার দায় এড়াতে পারে না। এ বিষয়ে আমি অনতি বিলম্বে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
আমার স্ত্রী বললেন, সোজা কথা স্ত্রীর সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। বাসের গায়ে অনেক সময় লেখা থাকে ব্যবহার বংশের পরিচয়। তো সুবংশীয় স্বামী হলে স্ত্রীরা খানিকটা মান ইজ্জত করে বৈকি!
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৪৮
১১টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিয়োগের রূপকথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩



মা বরাবরই পাতে ভাত কম নিতো , বলতো- ভাতে না-কি  বাত বাড়ে।
বিশেষ বিশেষ দিনে বাড়ি পোষা মোরগের ঝোল কিংবা রুই মাছের তরকারীর সবটুকু  আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কঠিনতম সব চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপির ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১০



বিএনপির সামনে অনেক কঠিন সব চ্যালেঞ্জ...

তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে দ্বিমুখী বিরোধী-দলীয় রাজনীতি বা কর্মকাণ্ড (যেটা কিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগে কখনো দেখা যায়নি)।

জামাত-এনসিপি যতই লীগের ফিরে আসার বিরুদ্ধে বিএনপির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার নানা মরহুম শাহাবুদদীন মাহমুদ জায়গীরদার

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:২৫



আমার আম্মার সেঝ চাচা’র লেখা ‘My life is not mine’ বইটি পড়ছি। বইটিতে ‘মাইজম ভাই’ নামের একটি অধ্যায় আছে। এতে সেঝ নানা আমার নানার বিভিন্ন সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×