
ছেলেটার মা নেই যে আঁচলে জড়ায়ে
স্নেহের পরশে তার অশ্রু মুছে দিবে
পরম আদরে তাকে কোলে টেনে নিবে
একা একা থেকে তার রাত দিন কাটে।
যায় না মনেতে তার আনন্দ ছড়ায়ে
পরিবার নেই তার সে কোথায় যাবে?
কোথাও কেউ নেই যে সে আশ্রয় পাবে
তথাপি ক্ষুদা নিবৃতে সে অনেক খাটে।
ছেলেটি যেথায় যায় সেথায় সে থাকে
সে পায় জীবনে এক স্রোতের প্রবাল
জীবনে যে তার মত প্রতি বাঁকে বাঁকে
দু’জন দু’জনে পেয়ে পায় সুখ কাল।
দাম্পত্যে থাকছে তারা একটি নিড়েতে
তারাও হয়েছে বড় লোকের ভিঁড়েতে।
# সনেট গল্প
আখেনাটেনের ক্যাচ-২২ এ মন্তব্য-
ঝর ঝরে ঝরে যেন ঝরণার জল
সে রকম ঝরে পড়ে কথা অবিরল
নুয়ে পড়ে শুয়ে যেন জলের প্রপাত
কথাদের আসে নিয়ে নতুন প্রভাত
পড়ে পড়ে মন ভরে অনুভবে সুখ
মনে হয় ভুলে যাই যত আছে দুঃখ
কবিতার কথা যেন মহা মধুময়
কবিতায় ফুটে উঠে কবি পরিচয়।
কি করার আছে আর মন দিয়ে পড়ি
নেড়েচেঁড়ে দেখে নেই কথাদের ছড়ি
মেঘ কাটে হৃদয়ের ফুটে উঠে রোদ
সুখের জলেতে ভরে এমনের হ্রদ
কবির বীনয় আহা ফুলের মতন
যারে কবি করেছেন অনেক যতন।
মসনবী
মসনবী প্রাসাদের সদর ফটক
খুলেগেলে দেখা যাবে অজস্র রত্নের
ছড়াছড়ি জড়াজড়ি, যেথায় যত্নের
কোথাও কমতি নেই, এ এক বিস্ময়!
এ গ্রন্থে কোথাও নেই অযথা চটক
হেথা পরতে পরতে লুকানো জ্ঞানের
আলোকেরা খেলা করে পাঠক প্রাণের
অনুভুতি পুষ্ট করে নিরন্ত সময়।
জালাল উদ্দীন রুমী আত্মীক কথন
সাজালেন নৈপূণ্যের হস্তে পরিপাটি
অজ্ঞতা বিতাড়নের অমূল্য করন
দীপ্তিময় জোছনায় নিখাঁদ সে খাঁটি।
প্রতিভা বিচরে সেথা জগতে বিরল
অভিযাত্রা থেমে নেই যাত্রা অবিরল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৫:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




