
মহানবির (সাঃ) ইন্তেকালের পর তাঁর খেলাফত বা স্থলাভিষিক্ত হওয়া প্রশ্নে আনসারিদের নেতা হজরত মায়াযের (রাঃ) মনোনয়োন বাতিল করে দেওয়া হয়,‘আল আইম্মাতু মিন কুরাইশিন – ইমাম কুরাইশ থেকে হবে’ হাদিস দ্বারা।কাজেই উপনেতা কুরাইশ না হলেও চলবে, যেমন হজরত মায়ায (রাঃ) আনসারিদের নেতা ছিলেন। কিন্তু প্রধান নেতা কুরাইশ হওয়া জরুরী।এ দিক থেকে বাংলাদেশে ইসলামী নেতৃত্বের সবচেয়ে যোগ্য সৈয়দ রেজাউল করিম। কারণ ইনি কুরাইশ।অন্য যারা কুরাইশ নয় তারা ও তাদের অনুসারীদের সৈয়দ রেজাউল করিমের হাতে বাইয়াত গ্রহণ করা জরুরী। যদি তারা আল্লাহ ও রাছুলের (সাঃ) অনুসারী হতে চায়। তবে যদি তারা তাদের নফসের অনুসারী থাকতে চায় তবে আর এটা প্রয়োজন নেই। সকল ইসলামী শক্তি যদি এক ছাতার নিচে আসতে চায় তবে এটাই সে এক ছাতা যার নাম ‘বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন’ আর সেই ছাতা যার হাতে তিনি সৈয়দ রেজাউল করিম। তার হাতে আবার হাত পাখাও আছে। গরম লাগলে বাতাস করে দিবেন।কাজেই আর বিলম্ব নয়। যারা চায় সব ইসলামী দল এক হোক তারা আর কাল বিলম্ব না করে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনে সামিল হয়ে যাক।
প্রসঙ্গত আমাদের মুক্তিযুদ্ধও হয়েছে একজন কুরাইশ সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে।
বিঃদ্রঃ বাস্তবতা হলো ইসলামের জন্য মুসলমানদের কোন নেতাই পছন্দ নয়। হজরত ওসমানের (রাঃ) মত নেতা তারা পাঁচ হাজার জনে মিলে হত্যা করেছে। হজরত আলীর (রাঃ) মতো নেতার বিরুদ্ধে তারা তিন দল যুদ্ধ করেছে। এরপর ইয়াজিদের মত নেতা তাদের কপালে ঝুটেছে। হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের মত নেতা তাদের কপালে ঝুটেছে। এরপর হালাকু খান তাদেরকে শেষ করেছে। এখন পর্যন্ত তাদের কোন বিশ্ব নেতা নেই। জানি না তাদের পছন্দের নেতা কোথায় রয়েছে?
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




