
অল্প কথায় কবিরা কবিতা লেখেন
মনের গভীর ভাব জমিয়ে নিজের,
গল্পে সে অনেক কথা আগের পিছের
ছুটোছুটি করে শুধু ধরতে ঝামেলা।
প্রবন্ধে নিবন্ধে ঢের কথারা দেখেন
মাথাটা চিবিয়ে খায় উপর নীচের,
কথার গোড়ায় নাম, খোঁজতা বীজের;
এরপর কথামালা, সাহিত্যের মেলা।
কবিতার কথা আসে গুঁটি গুঁটি পায়
খপকরে ধরে তারে গেঁথে ফেলে কবি
কথারা আটকে পড়ে কাব্যিক মালায়
দেখা যায় অনবদ্য সুন্দরের ছবি।
মাঝে মাঝে কবিতাও ঢের হয় বড়
কবির মাথায় বেশী কথা হলে জড়।
কবিতার তটে
কবি মনে ভাব জমে অস্থির চঞ্চল
যখন কবিকে করে, তখন কবির
কবিতার খাতা খোলে।কাব্যিক ছবির
সহসা উম্মেষ ঘটে কাব্যের খাতায়।
মন জগতের যেথা দূরন্ত অঞ্চল
সেথা কাব্য সুর লয়ে ছড়ায় আবির
তালে তালে উপস্থাপে কাব্যিক দাবির
কবিকে যেথায় বেঁধে আবেগে জড়ায়।
নিজেকে হারায়ে কবি অনিবার খোঁজে
পায়না কোথাও তারে আবদ্ধ বন্ধনে
কবিতো আটকা পড়ে কবিতার ভাঁজে
কবিতা প্রসব শেষে কবি মুক্ত মনে।
কবিতো বসত করে কবিতার তটে
জানেনা মনেতে তাঁর কখন কী ঘটে!
সুন্দরের ছবি
ভাবনায় এনে ভাব দেখবে খোয়াব
অথবা বাস্তব চিত্র লিখ দেখে দেখে
কি ভাবে ধরবে কথা আগে ফেল শিখে
ছুটোছুটি কর কিছু কথাদের বনে।
বিস্তার কথার মাঝে নিজের প্রভাব
চলবে না একা পথ কথাদের রেখে
অকথায় কূ-কথায় ফেলবে না মেখে
কথাদের আঁটসাঁট বেঁধে ফেল মনে।
প্রস্তুতির শেষ হলে বস গা এলিয়ে
ধীরলয়ে কবিতার ছন্দ চিত্র আঁক
ক্রমাগত এভাবেই চলবে এগিয়ে
ঠিকঠাক পথে সদা অবিচল থাক।
দেখবে একদা তুমি হয়ে গেছ কবি
তোমার কলমে ফুটে সুন্দরের ছবি।
কি করির জন্মে শুভেচ্ছা-
কি করির শুভ জন্মে আপ্লুত আমরা
তবে প্রামানিকে স্মরি কি করির সাথে
ছড়াকাব্যে তারা দুই দিকপাল হয়
সুকুমার রায় সাথে দু’জনার মিল।
সত্যেন্দ্র নাথ ছিলেন একদা এ রাজ্যে
সে রাজ্যের এরা যোগ্য উত্তরসুরির
আসনে আসিন হয়ে বিস্তারে আনন্দ
এদের ছড়া ছড়ায়, ছড়ায় ছড়ায়।
আঙ্গুরের ছড়া আর খেজুরের ছড়া
রত্নের ছড়ায় যেন মনটা জুড়ায়
পড়ে প্রীত অনুভবে আত্মার প্রশান্তি
ভৃগু যথার্থ বলেন, কি করির প্রাপ্য
সম্মান সবাই দিয়ে ঋণমুক্ত করে
আমাদের তারা ধন্য করেছেন খুব।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




