
ধর্মের সঠিকতা কারো নিকট সুস্পষ্ট না হলে সে আইনেষ্টাইনের মত কথা বলতেই পারে। তবে ইসলামের ক্ষেত্রে আমরা আইনেষ্টাইনের কথা ভুল প্রমাণ করতে পারি।
আইনেষ্টাইন মস্তবড় বিজ্ঞানী হলেও ধর্মজ্ঞানে দুগ্ধপোষ্য শিশু।সেজন্য তার ধর্ম সংক্রান্ত মন্তব্য বালখিল্য টাইপ হয়েছে। একজন ডাক্তার একজন মুচির চেয়ে অনেক বেশী জ্ঞানী হলেও জুতাসেলাই বিদ্যায় ডাক্তার মুচির কাছে কিছুইনা। আপনি তাকে জুতা সেলাই করতে দিলে সে দক্ষতার পরিচয় দিতে পারবেনা। তবে যদি ডাক্তারের আলাদা ভাবে মুচি বিদ্যাও জানা থাকে তবে ডাক্তার জুতা সেলাই করতে পারবে। তেমনি মস্তবড় বিজ্ঞানী হয়েও ধর্মের ব্যপারে অজ্ঞ হওয়ায় আইনেষ্টাইন সে বিষয়ে নেহায়েত মূর্খের মত কথা বলেছেন। যা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারেনা।

অনেকেই সৃষ্টি কর্তাকে খুঁজে পাচ্ছেন না। কারণ তাদের সৃষ্টিকর্তাকে খোঁজায় পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে। খুঁজে না পাওয়া এবং নেই এককথা নয়। বেচারা চাঁন্দের দেশে সৃষ্টিকর্তাকে খুঁজতে গেল আর না পেয়ে দারুণভাবে হতাশ হলো।

অবশেষে তারা ধর্মকে মিথ্যা মনে করে। যদিও তাদের নিকট এর কোন প্রমাণ নেই। অজ্ঞতা জনিত কারণে কেউ ইসলামকে মিথ্যা মনে করতে পারে। তবে ইসলামের সঠিকতার যথাযথ প্রমাণ রয়েছে।

ধর্মের প্রমাণ সে পায়। যে এর যথাযথ অনুসন্ধান করে। সঠিকভাবে অনুসন্ধান করলে ইসলামের সঠিকতা অবশ্যই পাওয়া যাবে।

আমি ইসলাম মানি কারণ আমার নিকট ইসলামের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ রয়েছে।
সংগত কারণে যারা ভুল পথে আটকা পড়েছে তারা ধর্মহীন হয়ে পড়ে। যারা সুপথের ঠিকানা পেয়ে যায় তারা ইসলাম মানে। ধর্মহীণতার পরিনতি মহামন্দ আর ইসলাম পালনের পুরস্কার মহা লাভ জনক। কিভাবে জানতে চান? আপনি বলুন আপনি কি জানতে চান? আমি সময় করে জবাব প্রদান করব ইনশাআল্লাহ।
পরিপ্রেক্ষিত কথন-
ধর্মহীনের বিবেক তাকে সমকাম থেকে বিরত রাখেনা। যে কোন লোকের সাথে দৈহিক সম্পর্কস্থাপনেও ধর্মহীনের বিবেক তাকে বাধা দেয়না।তারা এসব কাজকে মন্দকাজ মনেকরেনা। আবার ধর্ম বাল্য বিবাহ ও বহু বিবাহ নিষিদ্ধ করেনি। স্বভাবগত ভাবেই অনেকে বহু বিবাহ ও বাল্য বিবাহ থেকে বিরত থাকে। আবর স্বভাবগত ভাবে অনেকে সমকাম থেকে বিরত থাকে। কিন্তু সমকাম মন্দকাজ নয় এমন ধারনার বিস্তার ঘটলে সমকামের বিস্তার ঘটবে। আর সমকাম পশু-পাখিদেরও অপছন্দ। ধর্মের লোক সমকাম করে অপরাধ হিসেবে আর ধর্মহীন সমকাম করে বৈধকাজ হিসেবে। অপরাধ মানুষ ছেড়ে দেয় কিন্তু বৈধকাজ ছেড়ে দেয়না।অনেকে বলে ধর্মহীনরা শান্তিতে রয়েছে কিন্তু তাদের সেই শান্তি ধার্মিকের পছন্দ নয়।কাজেই পছন্দ ও অপছন্দের পার্থক্যের কারণে সবাই ধর্মহীন হবেনা আবার সবাই ধার্মিক হবেনা। কাজেই ধর্মহীন ও ধার্মিকের দ্বন্দ্ব থামবেনা।
ইসলাম মানে এমন দাবীদারদের রাষ্ট্রে অশান্তির কারণ ইসলাম মানা নয় বরং ইসলাম অমান্য করা।পক্ষান্তরে ধর্মহীনের রাষ্ট্রে শান্তির কারণ তারা তাদের ধর্মহীনতার বিধি মানে। তবে ইসলামের বিধি মানলে ইসলাম যারা মান্য করে তাদের রাষ্ট্রে ধর্মহীনদের রাষ্ট্রের চেয়ে বেশী শান্তি বিরাজ করতো অতীতে এমন দেখাগেছে।
ধর্মহীনের পরকাল নেই কিন্তু ইসলামে পরকাল আছে। ইসলামের বিশ্বাসের সঠিকতা প্রমাণ করা যায় কিন্তু ধর্মহীনের অবিশ্বাসের সঠিকতা প্রমাণ করা যায়না। ধর্মহীনের জন্য রয়েছে শুধু ইহকাল। কিন্তু ইসলাম যারা মান্য করে তাদের জন্য ইহকাল ও পরকাল উভয়কাল রয়েছে।সুতরাং ধর্মহীনতা নয় বরং ইসলাম সংগত।
আল্লাহ, ইসলাম, কোরআন ও মহানবির (সা.) যেসব দোষ ধরা হয় তা’ আল্লাহ, ইসলাম, কোরআন ও মহানবির (সা.)বেঠিকতার প্রমাণ নয়।
বিঃদ্রঃ সময় করে পোষ্টে আরো কথা যোগ করব ইনশাআল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



