
মাছ ও মানুষ, খাদ্য ও খাদক, উভয়ের প্রাপ্তি সমান নয়। মানুষের প্রতি সৃষ্টিকর্তা সুবিচার করলে মাছের প্রতি কি করেছেন? তিনিতো উভয়ের সৃষ্টিকর্তা! সে হিসেবে উভয়ের প্রাপ্তি সমান হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু তা’হয়নি।অনেকে বলেন সৃষ্টিকর্তা বাধ্য হয়ে এমন করেছেন। তবে কি তিনি বাধ্য হয়ে অবিচার করেছেন? কে মাছ আর কে মানুষ হবে এটা কি তিনি লটারীরর মাধ্যমে নির্ধারন করেছেন? লটারি কি সুবিচার?সুবিচার শুধুই কর্মফল। তাহলে মাছ ও মানুষ হওয়ার পূর্বে তাদের প্রাণ কোন কর্ম করেছে যার ফল হিসেবে একটি প্রাণ মাছের দেহ পেয়েছে আর অন্য প্রাণ মানুষের দেহ পেয়েছে, এমনটা হওয়া সম্ভব কি?
কর্মের ক্ষেত্রে উভয় প্রাণের যোগ্যতা কি সমান ছিল? তা’না হলে সৃষ্টিকর্তার সুবিচার নিশ্চিত করা যায়না।তাদের প্রাণ তবে একলা ছিলনা। তাদের প্রাণ ছিল প্রাণ পুঞ্জ।যে প্রাণের একটা ছিল বিবেক একটা ছিল রিপু আর মূল প্রাণ ছিল নির্বাহী। নির্বাহী রিপুর সাথে যুক্ত হলে রিপু পক্ষ দ্বিগুণ শক্তিশালী হয় আর নির্বাহী বিবেকের সাথে যুক্ত হলে বিবেক পক্ষ দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়। বিবেক দেখায় কঠিন পথ অধিক লাভ আর রিপু দেখায় সহজ পথে অধিক লাভের চক্কর। নির্বাহী আরামের দিকে ছুটলে আরামসে ক্ষতি গ্রস্থ্য হবে।অতপর এ কাজে মাছ আরামসে কম কর্মফল পেয়ে গেল আর মানুষ কষ্টকরে অধিক কর্মফল পেয়েগেল। বেশতো মাছের প্রাণ বরাদ্ধ পেল মাছের দেহ আর মানুষের দেহ বরাদ্ধ পেল মানুষের দেহ। ঘটনা এমন ঘটেছে কি?পরের পর্বে আমরা আরো অনুসন্ধান করব, মাছ কেন মাছ আর মানুষ কেন মানুষ হলো? আর সৃষ্টিকর্তা কিভাবে সুবিচারী?
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


