
সংঘাতের একটি কারণ ধর্ম, একমাত্র কারণ নয়। ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, জমি, সম্পত্তি, সম্পদ, প্রেম ও ভুলবুঝাবুঝিও সংঘাতের কারণ। কাজেই ধর্মকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করলেই সংঘাত থেমে যাবে ঘটনা এমন নয়। পৃথিবীতে ধর্ম ও মত রয়েছে সাড়ে চার হাজার। এগুলোর সবগুলোর বিলুপ্তি সাধন করে ধর্মহীন পৃথিবী প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব কি? যদি না হয় তবে এ ক্ষেত্রে একমাত্র সমাধান শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান।কিন্তু কিছু সংখ্যক ধর্মহীন আল্লাহ ও নবি (সা.) সম্পর্কে কূ-কথা বলে উত্তেজনা সৃষ্টির জঘণ্য প্রচেষ্টা চালায়; আর কিছু সংখ্যক অতি ধার্মীক অহেতুক ধর্মহীন ও ভিন্ন ধর্মের উপর হামলা চালায়; এসব চলতে দেওয়া যায়না।বিবেকবানদের উত্তেজনা সৃষ্টি না করা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে কাজ করতে হবে।অপরাপর সংঘাত নিরসনে সবচেয়ে বেশী বিবেকের চর্চা করতে হবে। আর কারো উপর কিছু চাপিয়ে দেওয়ার মানসিকতা ত্যাগ করতে হবে।জাতিগত নির্মূলের মানসিকতা একটি জঘণ্য মানসিকতা। এ ধরণের মানসিকতার বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন ও সোচ্চার থাকতে হবে।
যে যার মত প্রচার করুক তবে অপরের মতকে অসম্মান করে নয়। প্রত্যেকে নিজের মতকে সঠিক বলবে এটা সাধারণ ঘটনা। কিন্তু অপরের মত বেঠিক বলতে হলে উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতেই হবে। নিজমতের বিরুদ্ধে অপরের মত যদি অন্য পক্ষ খন্ডন করতে পারে তবে তাকে সে সুযোগ অবশ্যই দিতে হবে।মত উপস্থাপন, মতখন্ডন এগুলো স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু সংঘাতে জড়ানো কোন ভাবেই সঠিক নয় বরং সংঘাত অবশ্যই এড়িয়ে যেতে হবে।কোন প্রকার সংঘাত উসকে দেওয়া যাবেনা বরং সব রকম সংঘাত এড়িয়ে যেতে হবে এবং থামিয়ে দিতে হবে।মরারপর যে যেথায় যায় যাক, বেঁচে থেকে সবাই শান্তিতে থাকুক। জয় হোক বিশ্বমানবতার।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


