
আল্লাহর বিধান ভাল মনে নাহলেও মানতে হবে। নতুবা আল্লাহর শাস্তির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।কেউ যদি মনে করে আল্লাহ নেই, অথবা যা আল্লাহর বিধান বলা হচ্ছে তা’ আসলে আল্লাহর বিধান নয় তবে সে হয়ত খুশীমনে আল্লাহর বিধান অমান্য করবে, তবে অবকাশ শেষে যখন আল্লাহ তার বিচার করবেন তখন তার আর রক্ষে থাকবেনা।আল্লাহর বিধানের ভাল-মন্দ দেখা বিষয়ে মূলত কোন লজিক নেই।আল্লাহ আছে কি না, বা কোন বিধান আল্লাহর বিধান কি না সে বিষয়ে অনুসন্ধান চলতে পারে।
নবির (সা.) কাজের দায় আল্লাহর। কারণ আল্লাহ নবিকে (সা.) মানতে বলেছেন। নবির (সা.) কোন কাজে যদি আল্লাহ আপত্তি না তুলে থাকেন তাহলে বুঝতে হবে তাতে আল্লাহর অনুমোদন রয়েছে।কাজেই সে কাজের জন্য নবির (সা.)সমালোচনা করা অযোক্তিক।আর আল্লাহর কাজে প্রশ্ন তোলা হলে এর উত্তর নিশ্চয়ই আল্লাহ দিবেন।তবে এর জন্য শেষ বিচার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
আল্লাহ, নবি (সা.), কোরআন ও ইসলামের ভাল-মন্দ বিবেচনা কোন বিষয় নয়, বিষয় হলো এগুলো সঠিক না বেঠিক সেটা বিবেচনা করা।আল্লাহ, নবি (সা.), কোরআন ও ইসলাম যখন মানাই লাগবে তখন এর ভাল-মন্দ বিবেচনা করে হবে কি? তবে কেউ যদি এগুলো সঠিক নয় বলে নিশ্চিত করতে পারে তাহলে হয়ত লোকেরা খুশী মনে এগুলো অমান্য করতে পারে। তবে সমস্যা হলো আল্লাহ, নবি (সা.), কোরআন ও ইসলাম যে সঠিক এটা অকাট্যভাবে প্রমাণ করা যায়।কাজেই ভাল-মন্দ বিবেচনা বাদ দিয়ে এসব অকাট্য সঠিক বিষয় মেনে চলা বুদ্ধিমানের কাজ।
যারা জান্নাতে যেতে চায় এবং জাহান্নাম থেকে বাঁচতে চায় তারা আল্লাহ, নবি (সা.), কোরআন ও ইসলাম মেনে চলবেই।তাদের ভালবাসার বিষয়ে কেউ কূ-মন্তব্য করলে তারা সহ্য করতে না পেরে কিছু করে ফেললে তাদের হয়ত বিচার করা যাবে তবে তারা যাদের জান নিয়ে নিল তাদের সে জান কেউ ফিরাতে পারবেনা।কাজেই অহেতুক ঝামেলা পাকানো থেকে সবার বিরত থাকা উচিত।
বিঃদ্রঃ আল্লাহর বিধান মন্দ মনে করে অমান্য করলে তাঁর শাস্তি থেকে রেহাই মিলবেনা।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৯:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



