
মহানবির (সা.) উম্মতের যে বাহাত্তর কাতার জাহান্নামী তার মধ্যে হানাফী শাফেঈ হাম্বলী মালেকী আহলে হাদিস শীয়া ও ইবাদী এর কোন দল সামিল আছে কি? এদের কোন দল জাহান্নামী বাহাত্তর কাতারভুক্ত হতে হলে এদের মধ্যে মোনাফেকী, শিরিকী ও কুফুরী থাকা জরুরী।কারণ মহানবি (সা.) বলেছেন, “মান কালা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ফাদাখালাল জান্নাতা-যে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলল সে যেন জান্নাতে প্রবেশ করল”।কাজেই কালেমা পাঠকারী মোনাফেকী, শিরিকী ও কুফুরী ছাড়া জাহান্নামী হবেনা।আমলগত ত্রুটির কারণে যদি কারো পাপের পাল্লা ভারি হয়ে পড়ে তবে সাজা ভোগের পর তারা জান্নাতে যাবে।যেহেতু বর্তমানে মুসলমানেরা হানাফী শাফেঈ হাম্বলী মালেকী আহলে হাদিস শীয়া ও ইবাদী নামে বিদ্যমান সেহেতু মোনাফেকী, শিরিকী ও কুফুরী ছাড়া এদের কেউ দায়েমী জাহান্নামী হবেনা বলেই আমার মত।কাজেই জাহান্নামী বাহাত্তর কাতারে তারা থাকতে পারে যাদের মধ্যে মোনাফেকী, শিরিকী ও কুফুরী বিদ্যমান। আমি বলতে চাই, শুধুমাত্র হানাফী শাফেঈ হাম্বলী মালেকী আহলে হাদিস শীয়া ও ইবাদী হওয়ার কারণে কেউ দায়েমী জাহান্নামী বা জাহান্নামী বাহাত্তর কাতারভুক্ত হবেনা। সে রকম কিছু হতে হলে মোনাফেকী, শিরিকী ও কুফুরী থাকতে হবে। আর মোনাফেকী, শিরিকী ও কুফুরী বিষয়ে শিউর না হয়ে কোন মুসলমান দাবীদারের পিছনে ইকতেদা করা থেকে আমি বিরত থাকবনা।এটাও আমার মত।কেউ হয়ত বলবে অন্য ধর্মের বিষয়ে আপনার মত কি? এ ক্ষেত্রে আমার জবাব হলো তারা যেহেতু আমাদের কথা বিশ্বাস করেনা কাজেই তাদের বিষয়ে মত প্রদান বেদরকারী এবং এ বিষয়ে আমি মত প্রদান করা থেকে বিরত থাকব।আর যেহেতু তারা আমাদের নামাজে ইমামতি করতে আসবেনা সেহেতু তাদের পিছনে ইকতেদা করারও কোন প্রশ্ন নেই।
সুরা বাকারা, আয়াত নং-৬২, ‘নিঃসন্দেহে যারা ঈমান এনেছে এবং যারা ইহুদী, নাসারা ও সাবেঈন, (তাদের মধ্য থেকে) যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি এবং সৎকাজ করেছে, তাদের জন্য রয়েছে তার পুরস্কার তাদের পালনকর্তার কাছে। আর তাদের কোনই ভয়-ভীতি নেই, তারা দুঃখিতও হবে না’।অনুযায়ী ব্লগার এ আর ১৫ এর মত হলো আল্লাহ ও পরকাল বিশ্বাসী সৎকর্মশীল সবাই জান্নাতে যাবে। তবে আল্লাহ ও পরকাল বিশ্বাস যারা করেনা তাদের জন্য কোন অপশন নেই, কারো মতেই নেই।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



