কংক্রিটের সড়ক দীর্ঘস্থায়ী। আলাদা স্থানে ছোট ছোট কংক্রিটের ব্লক তৈরি করতে হবে। এরপর ব্লকগুলো সড়কে বসিয়ে দিতে হবে। বিটুমিনের (পিচ) রাস্তা সামান্য বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যায়। বর্ষা-বাদলে বিটুমিনের রাস্তা নষ্ট হয়ে যায়, কিন্তু কংক্রিটের রাস্তা অনেক ভালো। বিদ্যমান রাস্তাঘাট নির্মাণ পদ্ধতি স্থায়িত্ব কম। তাই রাস্তাঘাটের কাঠামো পরিবর্তন করতে হবে। একই সঙ্গে রাস্তাঘাট কংক্রিট দিয়ে নির্মাণ করতে হবে। ইট-শুড়কির ওপরে বিটুমিন ও পিচের ঢালাইয়ে রাস্তাঘাট নির্মাণ হওয়ার কারণে পাঁচ বছর না যেতেই তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় কংক্রিটের রাস্তাঘাট নির্মাণ করা হলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে। এতে জনভোগান্তিও কমবে।একটু বর্ষা হলেই বিটুমিনের সড়কের বেহালদশা হয়ে যায়। ফলে বিটুমিনের কারণে প্রতি বছরেই বেড়ে চলেছে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত ব্যয়। সরকারের রাজস্ব ও উন্নয়ন খাতের আয় থেকে সড়কগুলোর উন্নয়ন ও মেরামত করা হচ্ছে প্রতি বছর। এ খাতে সওজের মোট চাহিদা প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। যথাযথভাবে আর্থিক সংস্থান না হওয়ার কারণে এক থেকে দেড় হাজার কোটি টাকা খরচ করে ২১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার সড়ক কোনোমতে মেরামত করা হচ্ছে। ফলে জোড়াতালি দিয়ে যানবাহন কোনোমতে চলাচল করতে পারে। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আবারও আগের অবস্থায় ফিরে আসছে সড়কগুলো। দেশে বর্তমানে ৬১টিরও বেশি সিমেন্ট কারখানা রয়েছে। এ কারখানাগুলোতে দেশের সিমেন্টের মোট চাহিদার দ্বিগুণ উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। কংক্রিটের ব্লক দিয়ে রাস্থা করার নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে সিমেন্ট কারখানাগুলো পুরো মাত্রায় উৎপাদনে যেতে পারবে। আর জনদূর্ভোগ কমার পাশাপাশি সরকারী অর্থের সাশ্র্য় হবে।

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




