somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাজশাহীর ভাষাসৈনিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হোক

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মহান ভাষা আন্দোলনের মাস উপলক্ষে ামার পত্রিকার এ্যাসাইনমেন্ট অনুযায়ী আমি ভাষা আন্দোলনে রাজশাহীর ভুমিকা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছি। এটা করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে। কারণ রাজশাহীর ভাষা আন্দোলনে তখন অগ্রনী ভুমিকা পালন কারীদের সাথে কথা বলে অনেক অজানা বিষয় জানতে পেরেছি।রাজশাহীতে এখন মাত্র কয়েকজন ভাষাসৈনিক বেঁচে আছেন। এঁরা হলেন, ভাষাসৈনিক গোলাম আরিফ টিপু, সাঈদউদ্দিন আহমেদ, অঅবুল হোসেন, মোশাররফ হোসেন আখুঞ্জি, প্রয়াত জননেতা আতাউর রহমানের স্ত্রী মনোয়ারা রহমান এবং আব্দুর রাজ্জাক। এঁদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি ভাষা াান্দোলনের জন্য সর্বপ্রথম রক্ত ঝরে রাজশাহীতেই। সেটা ছিল 1948 সালের মার্চ মাসে। সে সময় আন্দোলনকারীরা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে রাজশাহী মহানগরীর ফায়ার ব্রিগেটের মোড়ে পেঁৗছলে আন্দোলনে বিরোধীতাকরীরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়।1952 সালের 21 শে ফেব্রুয়ারী ঢাকায় ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি বর্ষনের ঘটনা ওই দিনই সন্ধ্যায় শুনতে পেয়ে গর্জে উঠেছিলেন এখানকার আন্দোলনকারীরা। ওইরাতেই তারা রাজশাহী কলেজে সমবেত হয়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেছিলেন। পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ওই রাতেই ঢাকায় নিহতদের স্মরণে রাজশাহী কলেজ হোষ্টেলের এফ ব্ললকের পাশে একটি শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ নির্মানের সিদ্ধান্ত নেন। এর প্রেক্ষিতেই তারা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ইট ও কাঁদা সংগ্রহ করে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ করেছিলেন। এই স্তম্ভের গায়ে কাগজের ওপর লিখে দিয়েছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত চরণ উদয়ের পথে শুনি কার বানী, ভয় নাই ওরে ভয় নাই নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তাঁর ক্ষয় নাই।' পরে আন্দোলনকারীরা আন্দোলনে উদ্্বদ্ধ করতে তাঁরা যখন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যান তখন পুলিশ চুপিসারে এসে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভটি ভেঙে গুড়িয়ে দেয়।ভাষাসৈনিক এবং রাজশাহীর বিভিন্নভাষা আন্দোলন সম্বন্ধে যে তথ্য পাওয়া যায় সেটা হলো এটাই দেশের প্রথম শহীদ মিনার। কিন্তু আজও সেটা র মূল্যায়ন হয়নি।এছাড়াও রাজশাহীতে যাঁরা ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন তাঁদেরও মূল্যায়ন করা হয়নি।তাঁরা ক্ষোভের সাথে বলেছেন তাঁরা আর মূল্যায়িত হতে চান না। তাঁদরে যথাযথ সম্মান এবং দেশের প্রথম এই শহীদ মিনারটিকে স্বীকৃতি দেয়া উচিত বলে আমাদের মনে হয়।কারণ ভাষাসৈনিকদের মূল্যায়ন না করলে আমরা বাঙালী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবো বলে মনে হয় না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হারানো আকাশে আমার ক্যানভাসে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫

হারানো আকাশে আমার ক্যানভাসে
.........................................................................



সেই জগতে আমার ছিলো আঁকিবুকি চকখড়িতে,
মন ভেসে যেত মেঘের ভেলায় সোনালী সেই দিনগুলিতে।
একটা সকাল, একটা বিকেল গোল্লাছুটের ধুলোবালি,
চিবুড়ি আর লুকোচুরি খেলা, স্মৃতির পাতা নয়কো খালি।

সুনীল... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুটি হাসিখুশি গল্প: ফাজিল কানাডিয়ান ও মহা সিরিয়াস কানাডিয়ান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৩


হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প ছিল তাদের মাকে নিয়ে। তাদের মেঝ ভাই জাফর ইকবাল তখন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থাকেন। তাদের মা ছেলের কাছে বেড়াতে গিয়েছেন। বিকেলে তিনি একা একা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রশ্নের আগুন যুক্তির মহাযাত্রা :প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য ২য় পর্ব ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:০৮


আদিতে ছিল প্রশ্ন
অন্ধকার আকাশের তলে দাঁড়িয়ে মানুষ
চেয়ে দেখেছিল নক্ষত্রের দিকে
মনে তার জেগেছিল বিস্ময়
কে জ্বালালো এই দীপ
কেন ঘোরে পৃথিবী, কেন নামে বৃষ্টি
কেন জন্ম, কেন মৃত্যু
কেন এই অনন্ত চলা?
উত্তর ছিল না হাতে
ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাফপ্যান্ট ফুলপ্যান্টের দেশে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:২৮


বাংলাদেশে যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখতে ভালোবাসেন, তারা সাধারণত খুব নিরীহ বিষয় পছন্দ করেন। এর একটা কারণও আছে। বেশিরভাগ মানুষই অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে চলতে চান। এমন কোনো বিষয় নিয়ে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×