সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
রাজশাহীর ভাষাসৈনিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হোক
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
মহান ভাষা আন্দোলনের মাস উপলক্ষে ামার পত্রিকার এ্যাসাইনমেন্ট অনুযায়ী আমি ভাষা আন্দোলনে রাজশাহীর ভুমিকা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছি। এটা করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে। কারণ রাজশাহীর ভাষা আন্দোলনে তখন অগ্রনী ভুমিকা পালন কারীদের সাথে কথা বলে অনেক অজানা বিষয় জানতে পেরেছি।রাজশাহীতে এখন মাত্র কয়েকজন ভাষাসৈনিক বেঁচে আছেন। এঁরা হলেন, ভাষাসৈনিক গোলাম আরিফ টিপু, সাঈদউদ্দিন আহমেদ, অঅবুল হোসেন, মোশাররফ হোসেন আখুঞ্জি, প্রয়াত জননেতা আতাউর রহমানের স্ত্রী মনোয়ারা রহমান এবং আব্দুর রাজ্জাক। এঁদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি ভাষা াান্দোলনের জন্য সর্বপ্রথম রক্ত ঝরে রাজশাহীতেই। সেটা ছিল 1948 সালের মার্চ মাসে। সে সময় আন্দোলনকারীরা বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে রাজশাহী মহানগরীর ফায়ার ব্রিগেটের মোড়ে পেঁৗছলে আন্দোলনে বিরোধীতাকরীরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়।1952 সালের 21 শে ফেব্রুয়ারী ঢাকায় ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি বর্ষনের ঘটনা ওই দিনই সন্ধ্যায় শুনতে পেয়ে গর্জে উঠেছিলেন এখানকার আন্দোলনকারীরা। ওইরাতেই তারা রাজশাহী কলেজে সমবেত হয়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেছিলেন। পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ওই রাতেই ঢাকায় নিহতদের স্মরণে রাজশাহী কলেজ হোষ্টেলের এফ ব্ললকের পাশে একটি শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ নির্মানের সিদ্ধান্ত নেন। এর প্রেক্ষিতেই তারা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ইট ও কাঁদা সংগ্রহ করে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ করেছিলেন। এই স্তম্ভের গায়ে কাগজের ওপর লিখে দিয়েছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত চরণ উদয়ের পথে শুনি কার বানী, ভয় নাই ওরে ভয় নাই নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তাঁর ক্ষয় নাই।' পরে আন্দোলনকারীরা আন্দোলনে উদ্্বদ্ধ করতে তাঁরা যখন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যান তখন পুলিশ চুপিসারে এসে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভটি ভেঙে গুড়িয়ে দেয়।ভাষাসৈনিক এবং রাজশাহীর বিভিন্নভাষা আন্দোলন সম্বন্ধে যে তথ্য পাওয়া যায় সেটা হলো এটাই দেশের প্রথম শহীদ মিনার। কিন্তু আজও সেটা র মূল্যায়ন হয়নি।এছাড়াও রাজশাহীতে যাঁরা ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন তাঁদেরও মূল্যায়ন করা হয়নি।তাঁরা ক্ষোভের সাথে বলেছেন তাঁরা আর মূল্যায়িত হতে চান না। তাঁদরে যথাযথ সম্মান এবং দেশের প্রথম এই শহীদ মিনারটিকে স্বীকৃতি দেয়া উচিত বলে আমাদের মনে হয়।কারণ ভাষাসৈনিকদের মূল্যায়ন না করলে আমরা বাঙালী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবো বলে মনে হয় না।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
মানবজমিন, পার্থিব, চক্র: শীর্ষেন্দুকে যেমন পড়লাম

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় লেখা শুরু করেন সাধারণত খুব অদ্ভুতভাবে।
যেমন তিনি চক্র উপন্যাস শুরু করেছেন একটি সাপের দৃষ্টিকোণ থেকে। হঠাৎ পড়ে বোঝা যায় না তিনি কার কথা বলছেন, কী বলছেন। সাপ চলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
নতুন মসজিদের কাজ শুরু করলাম

শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আলহামদুলিল্লাহ্, নতুন মসজিদের কাজ আজ থেকে শুরু হলো। আজ সকাল দশটায় গ্রামের কয়েকজন ধর্মপ্রাণ উদ্যোগী মানুষ নিজ উদ্যোগেই মাটি কেটে দিয়েছে।
আজ থেকে প্রায় কুড়ি বছর পূর্বে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন
হাসাহাসি থেকে সাফল্যের ইতিহাস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১

এক সময় অনেক সমালোচনার মুখে ছিল বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (সাবেক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১)। তখন অনেকেই বলেছিল, এত টাকা খরচ করে এসব করে কোনো লাভ হবে না। কিন্তু আজ ধীরে ধীরে সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।