somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Marketian আর Financian এর গপ্প...

০৯ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

Marketian আর Financian এর গপ্প...

একটা খুব সুন্দর পরিচ্ছন্ন পরিপাটি খানা-পিনার দোকান...অনেক soothing সবুঝ আর বিগুনী রং এর একটা আলো ছায়ার কুতকুত খেলা...সেই এক অন্য রকমের পরিবেশ ....দেখিয়া মনডা ফাইন হইয়া যায়..Light এর Lux আরেকটু বেশি থাকলে ভাল হইত তয় কানাবাবার আশির্বাদ যে একটু আলো আছে নাইলে বাদুড়ের গুণ অর্জন করিতে হইবে অথবা হেলোজেন নিয়া আসিতে হইবে..উমাগো!!..তাও আবার কপোত-কপোতিদের জইন্য চাটা্ইযে ঘেরা খোপ...যেখানে খানা-পিনার সাথে ভালবাসা চেটে-পুটে আর লুটে-পুটে খাওয়ার এমন এক ব্যবস্থা যার জন্য মনে হয় পয়সা দেওয়া লাগবে না...।ফ্রী...বাহ! বেয়াফুক বিনুদুন।

যাউগ্গা...এই দুইজনা আসিলেন।বসিলেন কোনার একটা টেবিলে (বি:দ্র: খোপে নয়)


কি মজা মজা করিয়া ভালবাসার বিনময়..চলিতে লাগিল.....কিন্তু টেবিলের পাশের খোপের সুনামির তান্ডবে তাহাদের মনোযোগের বিগ্ন ঘটিতে থাকিল। X(X(X( :P:Pঅবাক করা ব্যপার হইল যে কেয়ামত মনে হয় কাছে আইসা পরিছে....আর তিনারা মনে করিয়া ওয়ালেট খানা আনিয়াছেন মাগার নিশ্চিত লজ্জা শরম খানা ভুলে বাড়িত থুইয়া আসিছেন । খোপের চাটাই খানা একটু টানিয়া খিচিয়া বসিলেই কিন্তু কিন্চিৎ ভাল হয়।B-)B-)B-)

কিছুক্ষণ যাইবার পরে Marketian বেচারার Financian সাহেবাকে একখানা চুমু খাইবার স্বাদ জাগিল (বি:দ্র: উমম শুধু ছোট্ট করে একটা চুম্মা..কিস না কিস না...কোনো লুলামির গন্ধ খুজা চলিবে না)X((;)


Financian সাহেবার আবার শরম ব্যাংকে একাউন্ট আছে তো তাই একখানা শর্ত ধরাইয়া দিল..


যে বেহায়া কপোত-কপোতিদের বলিতে হইবে যে তিনাদের সুনামি কিছুক্ষণ থামইয়া রাখিতে হইবে এবং বলিতে হইবে যে চাটাই খানা আরেকটুহ টানিয়া খিচিয়া বসিতে" এই কথা শুনিয়া বেচারার মাথার উপর ঠাডা পড়িল.....সব স্বাদ-আল্লাদ যেন ফুড়ুৎ করি মালয়শিয়ান বিমানের মত হাওয়া হইয়া গেল।:((:((/:)/:)

কিন্ত তিনি তো Marketian..হঠাৎ একটা জম্পেশ আইডিয়া পয়দা করিলেন
তিনি টুনি কে বলিলেন চল সুনামির বিপরীতে গিয়া বসি...

Financian : তোমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে X(X(
Marketian : আরে নাহ..!!
Financian : তুমি কি ওদের এগুলা দেখার জন্য ওখানে বসবা...ছী.!!X(
Marketian : মেয়ে মানুষের একটাই সমস্য কিছু বুঝে না। আর যদি কিছু
বুঝে তাইলে একবারে ৫ ফুট বেশি বুঝে। চল তো...

কথা মত এক্কে বারে ধপাস করিয়া বসিয়া পড়িল সেই বিপরীত টেবিলে...আর ততক্ষণে কপোত-কপোতির লজ্জা-শরম ফার্মগেটের জ্যাম ঠেলিয়া নগদ আসিয়া পড়িল.. (টেবিল একখান,চেয়ার দুইখান কিন্তু কথা আছে মানুষ দুইখান একচেয়ারে) :P:P:P:P

তিনারা তাড়াহুডা করিয়া কি কি জানি ঠিক করা ইস্টাট করিলেন..B-)B-)...কিন্তু মশাইয়ের মোমবাত্তি তো সহজে গলে না.. :-B :-B :-B .কিচ্ছু তো করার না....আক্কেল গুড়ুম....তাই হনহন করিয়া ক্যাশ কাউন্টারের দিকে আগাইয়া গেল।:P:P:P :#) :#)


Financian : মানতে হবে তোমার বুদ্ধি আছে।:)
Marketian : তাহলে পুষ্কারটা দিয়ে দাও...পিলিজজজজ... !:#P !:#P
Financian : উমমম্মাাহহহ..!!!!


Marketing and Finance একে অপরের পরিপূরক
Moral of the story "সব কিছু সব সময় সব জাগয়গায় খাওয়া সমিচীন নয় কারন ফ্রী জিনিষটা আসলেই খারাপ"
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই আগস্ট, ২০১৪ রাত ১১:২৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈশ্বর আমার সঙ্গে আছেন

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



যুদ্ধের আগে
আকাশের দিকে তাকিয়ে,
মানুষ নিজ নিজ পতাকা ঈশ্বরের রঙে রাঙায়।

প্রথম আঘাতের পর,
প্রথম রক্তের ফোঁটা মাটিতে পড়ার পূর্বে,
মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে—
"ঈশ্বর আমার সঙ্গে আছেন।"

প্রতিটি যুদ্ধের আছে একেকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×