১৯৭১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ২টা ১৫ মিনিট। বরিশালের শনিরচর গ্রাম, যা মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টরের অধীন। পাঁচজনের কমান্ডো দলের প্রত্যেকের মুখে কালো কালি মাখা। দুজনের হাতে লাইট মেশিনগান, একজনের হাতে একটা হেভি মেশিনগান, আর বাকি দুজনের কাছে স্ট্যান্ডার্ড ইস্যু রাইফেল।

প্রত্যেকের বেল্টেই তিনটি করে গ্রেনেড। গ্রেনেড দামি জিনিস, তাই সাবধানে খরচ করতে হয়। নেহাত দায়ে না পড়লে ব্যবহার করার অনুমতি নেই। কবির, বদি, সজল, তাপস আর শামসু কমান্ডো বাহিনীর পাঁচজনের নাম হলেও মিশনে এক অন্যকে স্পেসিফিক কল সাইন ধরে ডাকতে হয়। কমান্ডো লিডার শামসু, তার নামেই বাহিনীর লোকমুখে নাম শামসু বাহিনী।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙালি অফিসার শামসুল আলম, সাধারণ শ্রমিক কবির মিয়া, মেডিকেল শিক্ষার্থী তাপস মৈত্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সজল ওরফে মাহবুব চৌধুরী, ইস্ট পাকিস্তান ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী বদিউজ্জামান ওরফে বদি।
মধুমতীর পাশে শনিরচর গ্রামে একটা স্কুলে থাকা পাকিস্তানি আর্মির ক্যাম্প তাদের দখল করে নিতে হবে। যাতে বরিশালে মুক্তিবাহিনীর পেনিট্রেট করার পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে ডাক পড়েছে ‘শামসু বাহিনীর’। See More
Free Download Link
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




