somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমেরিকা প্রেসিডেন্ট।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ট্রাম্পের প্রথম দিনের কাল্পনিক ওভাল অফিসঃ
ট্রাম্পঃ আমাদের এক্ষুনি ISIS কে ধ্বংস করা উচিৎ,
এই মুহূর্তেই।
সিআইএঃ আমরা সেটা করতে পারবো না, স্যার।
আমরা টার্কি, সৌদি, কাতার এবং আরও অনেককে
সাথে নিয়ে একসাথে ISIS কে গড়ে তুলেছি।
ট্রাম্পঃ ডেমোক্র্যাটরা ওদের গড়ে তুলেছে।
সিআইএঃ না স্যার, আমরা (CIA) ওদের গড়ে তুলেছি।
ISIS কে আমাদের খুব দরকার। না হলে আমরা
ন্যাচারাল গ্যাস লবি থেকে ফান্ডিং হারাবো।
ট্রাম্পঃ তাহলে পাকিস্তানকে ফান্ডিং করা বন্ধ
করো। ওদেরকে নিয়ে ইন্ডিয়াকে ডিল করতে দাও।
সিআইএঃ সেটাও করা যাবে না স্যার।
ট্রাম্পঃ কেন?
সিআইএঃ ইন্ডিয়া তাহলে বেলুচিস্থানকে
পাকিস্থান থেকে আলাদা করে ফেলবে।
ট্রাম্পঃ করুক, আমার কিছু যায় আসে না।
সিআইএঃ তাহলে কাশ্মীরে শান্তি চলে আসবে।
তারা আমাদের অস্ত্র কেনা বন্ধ করে দেবে।
ইন্ডিয়া সুপার পাওয়ার হয়ে যাবে। ইন্ডিয়াকে
কাশ্মীরে ব্যস্ত রাখার জন্য আমাদের পাকিস্থানকে
ফান্ডিং করে যেতেই হবে।
ট্রাম্পঃ ওকে ওকে, তাহলে তালিবানকে ধ্বংস
করো।
সিআইএঃ স্যার, সেটাও করা পসিবল না। রাশিয়াকে
৮০'র দশকে চেক দিয়ে রাখতে আমরা তালিবানকে
সৃষ্টি করেছিলাম। এখন তারা পাকিস্থানকে ব্যস্ত
রেখেছে।
ট্রাম্পঃ আমাদের তাহলে মিডিল ইস্টের যেসব
সরকার টেরোরিস্টদের স্পন্সর করছে তাদেরকে ধ্বংস
করা উচিৎ। সৌদিকে দিয়ে শুরু করা যাক, কি বলো?
সিআইএঃ স্যার সেটা আরও অসম্ভব। আমরা ওইসব
সরকারকে ক্ষমতায় এনেছি, কারণ তাদের তেল
আমাদের দরকার। এসব সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে
হবে, নাহলে দেশগুলিতে ডেমোক্রেসি চলে আসবে।
ডেমোক্রেসি চলে আসলে সর্বনাশ। তখন তাদের তেল
সব তাদের নিজস্ব ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যাবে।
আমরা তেল হারাবো, স্যার।
ট্রাম্পঃ তাহলে চলো ইরান আক্রমণ করি।
সিআইএঃ সম্ভব না স্যার।
ট্রাম্পঃ কেন?
সিআইএঃ তাদের সাথে আমাদের আলোচনা চলছে।
ট্রাম্পঃ কিসের আলোচনা?
সিআইএঃ আমরা আগে তাদের স্টিলথ ড্রোনগুলি
ফিরিয়ে আনতে চাই। আমরা যদি এক্ষুনি তাদের
আক্রমণ করি, তাহলে রাশিয়া তাদেরকে সাহায্য
করবে এবং আমাদের সৈন্যদেরকে নিমেষে ধ্বংস
করে ফেলবে; যেমন সিরিয়াতে করেছিলো। তাছাড়া
ইসরাইলকে চেক দিয়ে রাখতে আমাদের ইরানকে
দরকার আছে।
ট্রাম্পঃ তাহলে ইরাককেই আবার আক্রমণ করা যাক।
সিআইএঃ স্যার, আমাদের বন্ধুরা (ISIS) অলরেডি
ইরাকের এক তৃতীয়াংশের দখল নিয়ে রেখেছে।
ট্রাম্পঃ পুরো ইরাক কেন নয়?
সিআইএঃ কারণ আমাদের ইরাকের শিয়া সরকারকে
দরকার ISIS কে চেক দিয়ে রাখার জন্য।
ট্রাম্পঃ ওকে ওকে, আমি কিন্তু মুসলিমদের
আমেরিকায় ঢোকা বন্ধ করতেছি।
সিআইএঃ স্যার, সেটা আপনি করতে পারবেন না।
ট্রাম্পঃ কেন?
সিআইএঃ তাহলে আমাদের দেশের স্থানীয় জনগণ
বেশী সাহসী হয়ে যাবে, তাদের মনে কোন ভয়
থাকবে না। তাদেরকে এত সাহসী হতে দেয়া যাবে
না, ভয়ে রাখতে হবে।
ট্রাম্পঃ আমি চাই সব অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের তাদের
দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হোক।
সিআইএঃ ওরা চলে গেলে আপনার ওয়াল কে বানাবে,
স্যার? এতো কম মুল্যের শ্রমিক আর পাবেন কোথায়?
ট্রাম্পঃ তাহলে H1B ভিসাধারীদের অবৈধ করা
হোক।
সিআইএঃ স্যার, সম্ভব না।
ট্র্যাম্পঃ কেন? কেন? কেন?
সিআইএঃ তাহলে আমাদের হোয়াইট হাউজের
কাজগুলো পর্যন্তও ইন্ডিয়া থেকে কম মুল্যে
আউটসোর্স করতে হবে।
ট্র্যাম্পঃ তাহলে আমি প্রেসিন্ডেন্ট হইলাম কি
ফেলতে?
সিআইএঃ এনজয় করুন স্যার, হোয়াইট হাউজ এনজয়
করুন। বাকিটা আমরা দেখতেছি।
কালেক্টেড পোষ্ট (মূল লেখককে পেলে কমেন্টে
জানান, এত সুন্দর একটি লেখার লেখকের নাম জানতে
পারব না, এটা ঠিক না)
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈশ্বর আমার সঙ্গে আছেন

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



যুদ্ধের আগে
আকাশের দিকে তাকিয়ে,
মানুষ নিজ নিজ পতাকা ঈশ্বরের রঙে রাঙায়।

প্রথম আঘাতের পর,
প্রথম রক্তের ফোঁটা মাটিতে পড়ার পূর্বে,
মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে—
"ঈশ্বর আমার সঙ্গে আছেন।"

প্রতিটি যুদ্ধের আছে একেকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×